বিমান বাংলাদেশের হজ্ব ফ্লাইটের সাড়ে ১২ হাজার টিকিট অবিক্রিত

Img

১৪ জুলাই শুরু হচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের হজ্ব ফ্লাইট। কিন্তু বিমানের হজ্ব ফ্লাইটে সাড়ে ১২ হাজার টিকিট এখন পর্যন্ত বিক্রি হয়নি। মঙ্গলবার বিমানের জনসংযোগ শাখা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুসারে এ বছর ভিসার আগেই সব এজেন্সিকে তাদের যাত্রীদের টিকিট সংগ্রহের আহ্বান জানানো হয়। এরপরও ২৫ জুলাই থেকে ১০ আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন হজ্ব ফ্লাইটের টিকিট এখনো নেয়নি কিছুসংখ্যক হজ্ব এজেন্সি। প্রায় সাড়ে ১২ হাজার টিকিট এখনো অবিক্রিত রয়েছে। এ বছর সৌদি সরকার-নির্ধারিত টিকিটের বাইরে অতিরিক্ত কোনো হজ ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি দেবে না। এমন পরিপ্রেক্ষিতে সুষ্ঠু হজ্বযাত্রা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট হজ্ব এজেন্সিগুলোকে দ্রুত টিকিট সংগ্রহের জন্য বিমানের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।
আজ বুধবার ঢাকার আশকোনায় হজ্ব অফিসে হজ্বের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পবিত্র হজ্ব শেষে ২৭ আগস্ট প্রথম ফিরতি হজ্ব ফ্লাইট শুরু হবে। 
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, হজ্বের শেষ ফ্লাইট ঢাকা থেকে ছেড়ে যাবে ১৫ আগস্ট। আর হজ্ব পালন শেষে ২৭ আগস্ট থেকে প্রথম ফিরতি হজ্ব ফ্লাইট শুরু হবে। বাংলাদেশ বিমান ১৮৭টি ফ্লাইটে ৬৪ হাজার ৯৬৭ জন এবং সাউদিয়া এয়ারলাইন্স ৬১ হাজার ৮৩১ জন হজ্বযাত্রী পরিবহন করবে। বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এখন পর্যন্ত ৯ হাজার ৫০০ জনের ভিসা সম্পন্ন হয়েছে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ্বযাত্রীদের বাড়ি ভাড়া সম্পন্ন হয়েছে। তবে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ্বযাত্রীদের পক্ষে অধিকাংশ এজেন্সি বাড়ি ভাড়া সম্পন্ন করেছে। এ বছর বাংলাদেশ বিমানের টিকিট পাওয়া সহজ করতে এজেন্সিগুলো সরাসরি বাংলাদেশ বিমান থেকে হজ্বযাত্রীর সমপরিমাণ টিকিট সংগ্রহ করতে পারবে।

পূর্ববর্তী সংবাদ

থাইল্যান্ডের অন্ধকার গুহা থেকে ১৩ জনকে নিরাপদে বের করে আনলেন উদ্ধার কর্মীরা

এ এক অবিশ্বাস্য জয়! জয়টা মানুষের! প্রকৃতির কঠিন ও নির্মম পরীক্ষায় দুলছিল ১৩ জনের জীবন। যার মধ্যে ১২ জনই কিশোর। ১৭ দিন পর থাইল্যান্ডের অন্ধকার গুহা থেকে ওই ১৩ জনকে নিরাপদে বের করে আনলেন উদ্ধার কর্মীরা। ওদের বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ দিয়েছেন একজন উদ্ধারকর্মীও। তবু দমে থাকেনি মানুষের লড়াই। আর মানুষের এ জয়টা যে স্মরণীয় হয়ে থাকবে বহু বছর! মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বিকেলের দিকে থাইল্যান্ডের ওই গুহা থেকে বের করে আনা হয় ১২তম কিশোর ও তাদের কোচকে। সংবাদ মাধ্যম বিবিসি ও সিএনএন এ তথ্য দিয়েছে। গত শনিবার প্রথম দফায় চার কিশোরকে বের করে আনা হয়। গত দু’দিনে একে একে অন্যদের উদ্ধার করা হয়।  
থাইল্যান্ডের চিয়াং রাইয়ের থাম লুয়াং গুহায় গত ২৩ জুন আটকা পড়ে ওই ১৩ জন। তাদের ১২ জন একটি ফুটবল দলের খেলোয়াড়, অন্য একজন বয়স্ক ব্যক্তি তাদের কোচ। আটকা পড়ার নয়দিন পর্যন্ত তাদের কোনো খোঁজ ছিল না।  
গত ২ জুলাই এই ফুটবল দলের খোঁজ পাওয়া যায়। গুহায় ঢোকার পর বন্যার পানিতে আটকে পড়েছিল এই ১৩ জন। বন্যার পানির পাশাপাশি অক্সিজেনের স্বল্পতা ছিল বিরাট চ্যালেঞ্জ।
খোঁজ পাওয়ার পর তাদের উদ্ধার করতে আরো কয়েক মাস লাগতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছিল। কিন্তু বন্যার পানির পরিমাণ কমে আসায় এবং গুহায় অক্সিজেনের পরিমাণও কমতে থাকায় ৮ জুলাই উদ্ধার কাজ শুরু করা হয়।
বিশ্বকাপ ফুটবলের ডামাডোলেও সারা বিশ্বের নজর ছিল থাইল্যান্ডের দিকে। ওই কিশোররাও ভবিষ্যৎ ফুটবলার। চরম উৎকণ্ঠা, উত্তেজনা নিয়ে সারাবিশ্বের মানুষ অপেক্ষা করেছে ওই ১৩ জনের।
প্রতিকূল পরিবেশ, বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও উদ্ধার কর্মীরা বিন্দুমাত্র দমে যাননি। উদ্ধার কাজে ছিলেন বিশেষজ্ঞ ডুবুরি। যারা নিজেরাই প্রতিটি কিশোরকে নিয়ে গুহা থেকে বের হন। উদ্ধার কাজে ছিলেন একজন চিকিৎসক ও নৌবাহিনীর সদস্যরা।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার