বাজারে আসছে চোখ ধাঁধানো ইলেকট্রিক বাইক

Img

প্রথম দেখাতেই যেকেউ মুগ্ধ হতে বাধ্য, এমনই ইলেকট্রিক বাইক বাজারে আনছে আল্ট্রাভায়োলেটি অটোমোটিভ নামের এক প্রতিষ্ঠান। মডেলটির নাম দেয়া হয়েছে ‘এফ৭৭’। বাইকটির সর্বোচ্চ গতিবেগ ১৪৭ কিলোমিটার এবং এটি মাত্র ৭.৫ সেকেন্ডেই ০-১০০ কিমি/ঘণ্টা গতি এক্সেরেলেট করতে পারে।

এফ৭৭ বাইকটি ২৫ কিলোওয়াটের (৩৩.৫ হর্সপাওয়ার) পিএমএসএম (পারমানেন্ট ম্যাগনেট সিঙ্ক্রোনাস মোটর) এর মাধ্যমে পরিচালিত। মোটরটির ৩৩.৫ হর্স পাওয়ার এবং ৯০ ন্যানোমিটারের টর্ক আউটপুট রয়েছে।

বাইকটিতে রিমুভেবল লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির তিনটি ইউনিট দেয়া হয়েছে। যার ক্যাপাসিটি ৪.২ কিলোওয়াট/ঘণ্টা। ব্যাটারি স্টান্ডার্ড চার্জ হতে ৫ ঘণ্টা এবং অপরদিকে ফাস্ট চার্জিং হতে সময় নেয় দেড় ঘণ্টা। এসি এবং ডিসি উভয়ই চার্জিংয়ের জন্য এতে সিসিএস টাইপ -২ চার্জিং পোর্ট রাখা রয়েছে। এক চার্জে ১৩০ থেকে ১৫০ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করতে পারবে এ বাইক।

বাইকটির অসংখ্য ফিচারের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ডুয়াল চ্যানেল এবিএস, ইউএসডি ফ্রন্ট ফর্ক, রিয়ার মনোশোক, ফোর জি এলটিই কানেক্টিভিটি ও জিওফেন্সিং। এছাড়া বাইকটির রক্ষণাবেক্ষণ এবং ডায়াগনস্টিকস বিশ্লেষণ করতে সক্ষম একাধিক অনবোর্ড সেন্সর দেয়া হয়েছে। তবে বাইকটির দাম এখনো জানা যায়নি।

পূর্ববর্তী সংবাদ

ইউএনও’র ওপর হামলা: গডফাদারদের খুঁজে বের করার নির্দেশ

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটের ইউএনও ওয়াহিদা খানমের ওপর হামলার পেছনের রহস্য ও এর সঙ্গে জড়িত গডফাদারদের খুঁজে বের করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভাপতি ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

মন্ত্রী বলেন, অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যাকাণ্ডে তদন্ত যৌথভাবে হচ্ছে। তদন্ত প্রতিবেদন অনুসারে যেনো কঠোরভাবে আইন প্রয়োগ হয়, দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা এর নিন্দা তো করেছি, আরো ইনভেস্টিগেশনের জন্য গোয়েন্দা সংস্থাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এর পেছনে আর কী রহস্য রয়েছে এবং এটার গডফাদার কোথায় বা কারা সেগুলো দেখার জন্য।

মোজাম্মেল হক আরো বলেন, এরইমধ্যে ইউএনওদের বাসভবনে পুলিশ মোতায়েন করেছি যেনো তাদের রাত্রিকালীন নিরাপত্তা থাকে। আজকে আমরা সংশোধন করে বলেছি, পুরো উপজেলা কমপ্লেক্সে নিরাপত্তা দিতে কারণ সেখানে আরো অফিসার থাকেন। অনেক অফিসারই পরিবার নিয়ে বাস করেন, তাদেরও নিরাপত্তার প্রশ্ন রয়েছে।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার