দেশে চিংড়ির উৎপাদিত বেশিরভাগই আসে বাগেরহাট থেকে। তবে বেশ কয়েকবছর বাগদা চাষে লাভ না হওয়ায় আগ্রহ বাড়ছে চাকা ও হরিণা জাতের চিংড়ির দিকে।

দাম সমান ও বাগদার সাথে মিশ্রভাবে চাষ করায় এ জাতের চিংড়ি চাষে লাভের মুখ দেখছেন বাগেরহাটের চাষিরা। বাগেরহাটে প্রায় ৩৫ হাজার ৭৩৪টি ঘেরে মিশ্রভাবে চাষ হচ্ছে এ চিংড়ি।

হরিণা ও চাকা চিংড়ি ঘেরে পানি ঢোকানোর সময় ঢুকে পরে এর পোনা। প্রাকৃতিকভাবে বড়ও হয় বাগদার সাথে। দামও বাগদা চিংড়ির সমান হওয়ায় সম্প্রতি এ জাত চাষে আগ্রহ বাড়ছে চাষীদের।

চাষীরা বলেন, বাগদার সাথে হরিণা ও চাকা চিংড়ির চাষ খরচ কম হওয়াতে ক্ষতির আশংঙ্কা অনেক কমে গেছে।

কয়েক বছর ধরে বাগদার পোনায় মড়কসহ বিভিন্ন কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল চাষিরা। তবে হরিণা ও চাকা চিংড়ির সাথে বাগদার মিশ্র চাষে নতুন আশায় বুক বেঁধেছে তারা।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. খালেদ হোসেন বলছেন, বিষয়টি আমাদের কাছেও নতুন। হরিণা চিংড়ি চাষ করে লাভের আলাদা কোনো রেকর্ড সংরক্ষিত নেই। তবে হরিণা চিংড়ি চাষে চাষীরা লাভবান হচ্ছে।