ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচে আয়ারল্যান্ডকে ১৯৬ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে ফুরফুরা মেজাজে ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেখানে প্রস্তুতি ম্যাচে আয়ারল্যান্ড উলভসের কাছে ৮৮ রানে হেরে মানসিকভাবে পিছিয়ে বাংলাদেশ। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে টাইগারদের কাছে পাত্তাই পেল না ক্যারিবিয়ানরা। ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে হেরে গেল তারা।
জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে তামিমের সঙ্গে বাংলাদেশকে দুরন্ত সূচনা এনে দেন সৌম্য। দারুণ খেলেন তারা। অসাধারণ মেলবন্ধন গড়ে ওঠে দুজনের মধ্যে। জমাট বেঁধে যায় তাদের জুটি। রীতিমতো ওয়েস্ট ইন্ডিজ বোলারদের শাসান তারা।

তবে হঠাৎই খেই হারান সৌম্য। রোস্টন চেজের বলে ড্যারেন ব্রাভোকে বাউন্ডারি লাইনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। অবশ্য এতে বোলারের যতটা না কৃতিত্ব, তার চেয়ে বেশি ফিল্ডারের। দুর্দান্ত ক্যাচে সৌম্যকে ফেরান ব্রাভো। তাতে ভাঙে ১৪৪ রানের ওপেনিং জুটি।

পথিমধ্যে ওয়ানডে ক্যারিয়ারে অষ্টম ফিফটি তুলে নেন সৌম্য। শেষ পর্যন্ত ৬৮ বলে ৯ চার ও ৮ ছক্কায় ৭৩ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলেন বাঁহাতি ওপেনার। এরই মধ্যে ক্যারিয়ারে ২৮তম হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন তামিম। এগিয়ে যান সেঞ্চুরির পথে। তবে ব্যক্তিগত ৮০ রানে থেমে যান।

সৌম্য সরকার ফিরে গেলেও ওয়ানডাউনে নামা সাকিব আল হাসানকে নিয়ে জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করছিলেন তামিম ইকবাল। সেঞ্চুরির আশাও জাগিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ব্যক্তিগত ৮০ রানে শ্যানন গ্যাব্রিয়েলের বলে কব্জির জোরে লেগ সাইডে খেলতে গিয়ে শর্ট মিড উইকেটে জেসন হোল্ডারকে ক্যাচ দিয়ে বসেন ড্যাশিং ওপেনার। তামিম বিদায় নিলেও মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে দলকে জয়ের পথে রেখেছেন সাকিব। ইতিমধ্যে ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ৪১তম ফিফটি তুলে নিয়েছেন তিনি।