বলবয় থেকে কিংবদন্তি

Img

গত ৩০ অক্টোবর ছিল ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা তারকা, আর্জেন্টিনার মহানায়ক দিয়েগো ম্যারাডোনার ৬০তম জন্মদিন। তার জন্মদিন উপলক্ষ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সারাদিনই একের পর ছবি পোস্ট করে গেছে আন্তর্জাতিক ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।

তখন কি তারা ঘুর্ণাক্ষরেও বুঝতে পেরেছিল, মাত্র ২৫ দিনের মাথায় চিরবিদায় জানাতে হবে ফুটবল বিশ্বের অবিসংবাদিত কিংবদন্তিকে? বুধবার (২৫ নভেম্বর) রাতে পুরো ফুটবল বিশ্বকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন এই ফুটবল মহানায়ক। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬০ বছর।

মাত্র কয়েকদিন আগেই রক্ত জমাট বেধে যাওয়ায় মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল। কয়েকদিন হাসপাতালে থাকার পর ডাক্তাররা তাকে পূনর্বাসন কেন্দ্রে পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করেই বুধবার স্থানীয় সময় বিকেলে হৃদরোগে আক্রান্ত আর্জেন্টাইন এই কিংবদন্তি। যেখান থেকে আর ফিরলেন না তিনি।

ম্যারাডোনার বিদায়ে ফুটবল বিশ্ব হারাল এক বর্ণিল চরিত্রকে, এক সাফল্যে মোড়া কিংবদন্তি ফুটবলারকে। ১৯৬০ সালের ৩০ অক্টোবর বুয়েন্স আয়ার্সের লানুসে অবস্থিত পলিক্লিনিক এভিটা হাসপাতালে জন্ম নেয়া ম্যারাডোনা শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন ২০২০ সালে ২৫ নভেম্বর বুয়েন্স আয়ার্সে তিগ্রের নিজ বাসায়।

নিজের ৬০ বছরের জীবনে ফুটবল খেলে কাটিয়েছেন ২১ বছর, ভিন্ন ভিন্ন মেয়াদে কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন আরও প্রায় ৭ বছর। জীবনের মোট ২৮ বছর যেই ফুটবল মাঠের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন ম্যারাডোনা, সেই খেলাটি তাকে দিয়েছে দুই হাত ভরে। জিতেছেন ফুটবল বিশ্বকাপ, ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলে নিজেকে নিয়ে গেছেন সবার ওপরে।

ম্যারাডোনা বেড়ে উঠেছেন আর্জেন্টিনার খুবই দারিদ্র্যপিড়িত একটি এলাকা থেকে। বুয়েন্স আয়ার্সের শহরতলীয়তে বসবাস করতেন তিনি। আর্জেন্টিনার তখনকার সবচেয়ে দরিদ্র ফুটবলাররা স্বপ্ন দেখতেন বোকা জুনিয়র্সের হয়ে খেলার। দিয়েগো ম্যারাডোনাও এর ব্যতিক্রম ছিলেন না। দরিদ্র পরিবারের সন্তান ছিলেন বলে তিনি বোকা জুনিয়র্সে খেলার স্বপ্ন দেখতেন।

শিশুকাল থেকেই খেলার প্রতি প্রচণ্ড আগ্রহ এবং দুর্দান্ত প্রতিভার কারণে সবার নজরে ছিলেন তিনি। নিজে যেমন খেলতেন, মাঠে ছুটে যেতেন বড়দের খেলা দেখার জন্য। মাঠের পাশে বসে বল কুড়িয়ে দিতেন। বলবয় হিসেবে মাঠের সঙ্গে সখ্যতা শুরু। সেই বয়লবয় দিয়েগোর জীবনটা শেষ হলো ক্যারিয়ারের এভারেস্টে উঠে।

মাত্র ১২ বছর বয়সে আর্জেন্টিনার রাজধানী শহরের অন্যতম প্রধান ক্লাব আর্জেন্টিনো জুনিয়র্সের জুনিয়র টিম লস সেবোলিটাসের মূল খেলোয়াড়ে পরিণত হন ম্যারাডোনা। তখন প্রথম ডিভিশন ম্যাচগুলোর বিরতির সময় বল নিয়ে কারিকুরি দেখিয়ে মাঠে উপস্থিত দর্শকদের তাক লাগিয়ে দিতেন অবিশ্বাস্য প্রতিভাধর এ ফুটবলার।

শৈশবের যার পায়ের জাদুতে মুগ্ধ হতে থাকেন সবাই, তার পেশাদার ক্যারিয়ার শুরু হতে যে বেশি সময় লাগবে না তা সহজেই অনুমেয়। হয়েছেও ঠিক তাই। নিজের ১৬তম জন্মদিনেরও ১০ দিন আগে আর্জেন্টিনোস জুনিয়র্সের হয়ে পেশাদার ফুটবল ক্যারিয়ার শুরু করেন ম্যারাডোনা। আর্জেন্টিনার প্রিমিয়ার ডিভিশন ইতিহাসে তিনিই ছিলেন সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার।

এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। নিজের প্রথম ম্যাচেই হুয়ান ডোমিঙ্গো কাবরেরার দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে ‘নাটমেগ’ করে সবার চক্ষু ছানাবড়া করে দেন ম্যারাডোনা। পরে এই নাটমেগকে নিজের ক্যারিয়ারের অন্যতম ট্রেডমার্ক স্কিলে পরিণত করেন এ কিংবদন্তি ফুটবলার।

অভিষেকের ২৫ দিনের মাথায় পেশাদার ক্যারিয়ারে প্রথম গোলটি করেন ম্যারাডোনা। মারপ্লেনটেনসের ক্লাব সান লোরেঞ্জোর নাম চিরকালের জন্য লেখা হয়ে যায় ম্যারাডোনার প্রথম গোলের সঙ্গে। আর্জেন্টিনোস জুনিয়র্সে পাঁচ বছর কাটান তিনি, ১৬৬টি ম্যাচ খেলে করেন ১১৬টি গোল।

১৯৮১ সালে ৪ মিলিয়ন ইউএস ডলারের চুক্তিতে নাম লেখার আর্জেন্টিনার আরেক ক্লাব বোকা জুনিয়র্সে। তখন আর্জেন্টিনার সেরা ক্লাব রিভারপ্লেটও নিতে চেয়েছিল ম্যারাডোনাকে, তাও দলের চেয়ে সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিক দেয়ার প্রস্তাব দিয়ে। কিন্তু ছোটবেলা থেকেই বোকার হয়ে খেলার স্বপ্ন পূরণ করতে অন্য কোন প্রস্তাবে সাড়া দেননি ম্যারাডোনা।

বোকার হয়ে নিজের অভিষেক ম্যাচেই করেন জোড়া গোল, পরে রিভারপ্লেটকে ৩-০ গোলে হারানোর ম্যাচেও তার পা থেকে দৃষ্টিনন্দন এক গোল। সমস্যা বাঁধে কোচের সঙ্গে, কখনও যেন ম্যারাডোনার ওপর আস্থাই রাখতে পারেননি বোকার কোচ সিলভিও মারজোলিনি। তবু সাফল্যবঞ্চিত হয়নি বোকা। সে মৌসুমে লিগ শিরোপাও জিতে নেয় তারা।

কিন্তু ম্যারাডোনার বোকা জুনিয়রস ক্যারিয়ার দীর্ঘায়িত হয়নি। ১৯৮২ সালের বিশ্বকাপের পর তখনকার বিশ্বরেকর্ড ৭.৬ মিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে বার্সেলোনায় নাম লেখান তিনি। সে মৌসুমেই বার্সেলোনার হয়ে জেতেন কোপা দেল রে ও স্প্যানিশ সুপার কাপ শিরোপা।

১৯৮৩ সালের ২৬ জুন মর্যাদার এল ক্লাসিকো ম্যাচে রিয়াল মাদ্রিদের মাঠ থেকে জয় নিয়ে ফিরেছিল বার্সেলোনা। সেই ম্যাচে গোলরক্ষককেও কাটিয়ে বল পায়ে অপেক্ষা করছিলেন ম্যারাডোনা। ডিফেন্ডার হুয়ান হোস দৌড়ে এসে গোল বাঁচানোর চেষ্টায় ধাক্কা খান গোলবারের সঙ্গে, ম্যারাডোনা বল ঢোকান জালে। এই গোলের পর সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর দর্শকরা দাঁড়িয়ে সম্মান জানিয়েছেন ম্যারাডোনাকে। রিয়ালের মাঠে বার্সেলোনার কোনো খেলোয়াড়ের এত বড় সম্মান পাওয়ার প্রথম ঘটনা সেটি। এরপর শুধুমাত্র রোনালদিনহো (২০০৫) ও আন্দ্রেস ইনিয়েস্তাই (২০১৬) পেয়েছেন এই সম্মান।

বার্সেলোনার হয়েও ক্যারিয়ার দীর্ঘায়িত করতে পারেননি ম্যারাডোনা। প্রথমত হেপাটাইটিসজনিত অসুস্থতা ও গোড়ালির ইনজুরি, এর সঙ্গে যোগ হয় উদ্দাম জীবনযাপন। যে কারণে মাত্র দুই মৌসুম খেলতে পেরেছেন বার্সার হয়ে। এ সময়ে ৩৬ ম্যাচ খেলে ২২টি গোল করেছেন ম্যারাডোনা।

স্পেনের যাত্রা লম্বা না হলেও, একটুও কমেনি ম্যারাডোনার কদর। দুই মৌসুম বার্সার জার্সি মাতিয়ে ১৯৮৪ সালে তিনি চলে যান ইতালির ক্লাব নাপোলিতে। যথারীতি এবারও বিশ্বরেকর্ড ট্রান্সফার ফি, অঙ্কটা ১০.৪৮ মিলিয়ন ডলার। এই চড়া মূল্যের প্রতিদানটাও কড়ায় গণ্ডায় দিয়েছেন ম্যারাডোনা। নাপোলির হয়ে খেলা ৭ মৌসুমে নিজেকে পরিণত করেছেন ক্লাবের ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে।

আর্জেন্টিনো জুনিয়র্সে থাকতে আন্তর্জাতিক ফুটবলে নাম লেখালেও, নাপোলিতে নাম লেখানোর পরেই মূলতঃ আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে নিজের সেরা সময়টা কাটান ম্যারাডোনা। এ সময় নাপোলিকে যেমন জেতান একের পর এক শিরোপা। তেমনি আর্জেন্টিনার হয়ে প্রায় একক নৈপুণ্য দেখিয়ে জেতেন বিশ্বকাপ শিরোপা। একক নৈপুণ্যে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জেতানোর পর থেকেই ফুটবল বিশ্বে অবিসংবাধিত কিংবদন্তিতে পরিণত হন তিনি। কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে যে দুটি গোল করেছিলেন, সে দুটিই ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই করে নিয়েছে। প্রথমটি করেছিলেন হাত দিয়ে। যে কারণে এটাকে বলা হয় ‘দ্য হ্যান্ড অব গড’। অন্যটি করেছিলেন মাঝমাঠ থেকে এককভাবে টেনে নিয়ে গিয়ে। সেই গোলটি পেয়ে যায় ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’র খেতাব।

পাশাপাশি ক্লাব ফুটবলে নাপোলির হয়েও সাফল্যের খাতা ভারী করতে থাকেন ম্যারাডোনা। ইতালির ক্লাবটির হয়ে ১৯৮৬-৮৭ ও ১৯৮৯-৯০ মৌসুমে জিতেছেন লিগ শিরোপা, কোপা ইতালিয়া জিতেছেন ১৯৮৯-৯০ মৌসুমে, ইউরোপিয়ান মর্যাদার আসর উয়েফা কাপের (পরে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ) শিরোপা জিতেছেন ১৯৮৮-৮৯ মৌসুমে এবং ১৯৯০ সালে জিতেছেন সুপারকোপা।

নাপোলিকে এত এত শিরোপা জেতানোর মূল কারিগরই ছিলেন ম্যারাডোনা। যে কারণে প্রায় তিন দশক পরেও এখনও নাপোলিতে চলে ম্যারাডোনা বন্দনা। শুধু তাই নয়, ম্যারাডোনার সম্মানে আনুষ্ঠানিকভাবে ১০ নম্বর জার্সিটিকে অবসরে পাঠিয়েছে নাপোলি। এ দলের হয়ে ২৫৯ ম্যাচে ১১৫ গোল করেছেন আর্জেন্টাইন জাদুকর। ১৯৯০-৯১ মৌসুমে শেষবারের মতো নাপোলির হয়ে মাঠে নামের ম্যারাডোনা।

এরপর আর সে অর্থে ফুটবলার ম্যারাডোনার ঝলক দেখানোর কিছু বাকি ছিল না। বিশেষ করে কোকেইন সেবনের দায়ে ১৫ মাস নিষিদ্ধ থাকার কারণে তারকাখ্যাতিতেও ভাটা পড়ে খানিক। এতে অবশ্য দমে যাননি বর্ণিল চরিত্রের অধিকারী ম্যারাডোনা। ফের ফুটবলে ফেরেন স্প্যানিশ ক্লাব সেভিয়ায় নাম লিখিয়ে। যেখানে এক মৌসুম কাটিয়ে ফিরে আসেন দেশের ফুটবলে।

নিজ দেশের ক্লাব আর্জেন্টিনো জুনিয়র্সের হয়ে ক্যারিয়ার শুরুর পর শেষটাও আর্জেন্টিনায়ই করেন ম্যারাডোনা। ১৯৯৫-৯৬ মৌসুমে থেকে ১৯৯৭-৯৮ পর্যন্ত বোকা জুনিয়র্সের হয়ে খেলে নিজের বুটজোড়া তুলে রাখার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। এর আগেই অবশ্য ১৯৯৪ ও ১৯৯৫ সালে দুই দফায় কোচিংও করান ম্যারাডোনা।

ক্লাব ফুটবলে সবমিলিয়ে ৫৮৮ ম্যাচ ৩১২ গোল করা ম্যারাডোনার আন্তর্জাতিক ফুটবলে গোলসংখ্যা ৯১ ম্যাচে ৩৪টি। জাতীয় দলের হয়ে তার ক্যারিয়ার শুরু হয় ১৯৭৭ সালে, যা শেষ হয় ১৯৯৪ সালে। মাঝের সময়টাতে নিজেকে আর্জেন্টিনার ফুটবল ইতিহাসে অমর করে রাখেন ম্যারাডোনা।

শুধু ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপ জেতানোই নয়, পরের আসরে আবার আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে তুলেছিলেন তিনি, পারেননি চ্যাম্পিয়ন হতে। তবে পরের বিশ্বকাপেই বিতর্ক হয় তার সঙ্গী, যা ছায়ার মতো লেগে থাকে জীবনের বাকি সময়টায়। ১৯৯৪ সালের সেই আসরে দুই ম্যাচ খেলার পরই দেশে ফিরতে হয় তাকে।

কেননা ডোপ টেস্টে উত্তীর্ণ হতে পারেননি তিনি। পরে আর জাতীয় দলেও ফেরা হয়নি। যে কারণে বিশ্বকাপে নাইজেরিয়ার বিপক্ষে খেলা ম্যাচটিই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার শেষ ম্যাচ হয়ে থাকে। সেই ম্যাচে আর্জেন্টিনার ২-১ গোলের জয় একবার লক্ষ্যভেদের পাশাপাশি অন্যটিতে এসিস্টও করেন ম্যারাডোনা।

ফুটবল বুটজোড়া তুলে রেখে একের পর এক নতুন নতুন ঘটনার জন্ম দিতে শুরু করেন তিনি। খেলোয়াড়ি জীবনেই দুই দফা কোচিং করালেও, পুরোপুরি পেশাদার কোচ হিসেবে যাত্রা শুরু করেন ২০০৮ সালের নভেম্বরে, তাও কি না সরাসরি আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দলের হয়ে। তার অধীনে ২০১০ সালের বিশ্বকাপে চরম ভরাডুবি হয় আর্জেন্টিনার। ফলে দায়িত্ব থেকে অব্যাহিত দেয়া হয় ম্যারাডোনাকে।

খেলোয়াড়ি জীবনে যতটা সাফল্য পেয়েছেন ম্যারাডোনা। কোচ হিসেবে যেন ঠিক ততটাই ব্যর্থ ম্যারাডোনা। তার সময়ে খেলা ২৪ ম্যাচের ১৮টিতেই জিতেছিল আর্জেন্টিনা। কিন্তু কোনো টুর্নামেন্টের শিরোপা ওঠেনি আলবিসেলেস্তেদের ঘরে। আন্তর্জাতিক কোচিংয়ের পাঠ চুকিয়ে তিনি চলে যান সংযুক্ত আরব আমিরাতে। সেখানেও পাননি সাফল্যের দেখা।

সবশেষ গতবছরের সেপ্টেম্বরে নিজ দেশের ক্লাব জিমনেশিয়া লা প্লাটার হয়ে দায়িত্বগ্রহণ করে ম্যারাডোনা। সে মৌসুমটি ভালো যায়নি জিমনেশিয়ার। তবু ম্যারাডোনার সঙ্গে ২০২০-২১ মৌসুমের জন্যও চুক্তি নবায়ন করে জিমনেশিয়া লা প্লাটা। কিন্তু এ মেয়াদের পুরোটা সময় আর শেষ করতে পারলেন না ম্যারাডোনা। জীবনের অমোঘ সত্যের প্রমাণ দিয়ে পুরো বিশ্বকে কাঁদিয়ে চলে গেলেন না ফেরার দেশে।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার