বজ্রপাতেও মামলা', 'আসামি বিএনপি নেতারা'

Img

বিদেশে থাকা ও হজে যাওয়া নেতাকর্মী এবং মৃত ব্যক্তির নামের নাশকতার ‘গায়েব’ মামলার পর এবার বজ্রপাতের শব্দকে ‘বোমা বিস্ফোরণ’ হিসেবে চালিয়ে মামলা দেয়ার অভিযোগ করেছে বিএনপি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এমন একটি সংবাদ ছড়িয়ে পড়েছে। এটির শিরোনাম 'বজ্রপাতেও মামলা', 'আসামি বিএনপি নেতারা'। গতকাল মঙ্গলবার একটি জাতীয় দৈনিকে এটি প্রকাশিত হয়েছে। ইতোমধ্যে যা ভাইরাল হয়ে মানুষের ওয়ালে ওয়ালে ছড়িয়ে পড়েছে। ওই সংবাদের ভেতরে লেখা, রাতে বৃষ্টিপাতের সাথে তুমুল বজ্রপাত হয়। বজ্রপাতের শব্দকে ‘বোমা বিস্ফোরণ’ হিসেবে চালিয়ে দিয়েছে পুলিশ। মামলা দেয়া হয়েছে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। গেল ১৩ অক্টোবর রাতে বজ্রপাতের পরদিন চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ থানায় এমন মামলা করে পুলিশ।

৪ মামলায় আসামি করা হয়েছে দেড়শতাধিক বিএনপি নেতাকর্মীকে। গত ২২ অক্টোবর সকালে নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অব্যাহত গায়েবি মামলার এমন ভুতুড়ে অভিযোগের তথ্য জানান নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর। তিনি অভিযোগ করেন, ১৩ অক্টোবর রাতভর বৃষ্টি হয়। বিকট শব্দে বজ্রপাতও হয়। পরদিন ১৪ অক্টোবর পুলিশ বাদী হয়ে থানায় বোমা বিস্ফোরণ হয়েছে বলে মামলা রুজু করেন। আর তাতে আসামি বিএনপি নেতারা।

পূর্ববর্তী সংবাদ

ডায়াগনস্টিক সেন্টারে তরুণীর লাশ, প্রেমিক আটক

সাতক্ষীরা শহরের একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে এক তরুণীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার সকালে শহরের পলাশপোলের একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে ওই তরুণীর লাশ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ দাবি করেছে, ওই তরুণী আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। এ ঘটনায় এক চিকিৎসাকর্মীকে আটক করা হয়েছে।

নিহত তরুণীর নাম তামান্না খাতুন (২৭)। তিনি কালীগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। তিনি তালাকপ্রাপ্তা এবং একটি মেয়ে রয়েছে। এ ঘটনায় আটক আবু সাঈদ (২৮) ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারের চিকিৎসাকর্মী। লাশটি প্রথমে সাতক্ষীরা সদর থানায় নেওয়া হয়, পরে ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) প্রদীপ কুমার দাস দাবি করেন, সাঈদের সঙ্গে তামান্নার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তামান্না বিভিন্ন সময়ে সাঈদকে বিয়ের জন্য তাগিদ দিচ্ছিলেন। কিন্তু সাঈদ নানা বাহানা করছিলেন।

আটককৃতের বরাত দিয়ে এসআই আরো দাবি করেন, গতকাল মঙ্গলবার ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসকের অনুপস্থিতিতে আবু সাঈদ একাই ছিলেন। তামান্নাও কালীগঞ্জ থেকে সেখানে আসেন। তাঁরা দুপুরে ও রাতে একসঙ্গে খাওয়া-দাওয়া করেন। রাতে একই বিছানায় ঘুমাতে যান।

‘এ সময় বিয়ে নিয়ে তাঁদের মধ্যে বাদানুবাদ হয়। কিছু সময় পর তামান্না ওয়াশরুমে যাওয়ার কথা বলে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের রোগী অপেক্ষার কক্ষে ফ্যানের সঙ্গে নিজের ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন। তামান্নাকে তখন নিচে নামান ও তাঁকে বাঁচানোর ব্যর্থ চেষ্টা করেন।’

এসআই প্রদীপ কুমার দাস আরো জানান, তামান্নার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আবু সাঈদকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার