বগুড়ায় শেরপুরে রনক স্পিনিং মিলে পুলিশ-শ্রমিকের সংঘর্ষ, আহত ১৪

Img

বগুড়ার শেরপুরে রনক স্পিনিং মিলে বকেয়া বেতন-বোনাসের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে শ্রমিকরা। তখন বিক্ষুদ্ধ শ্রমিকদের নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যাপক লাঠিচার্জ ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে পুলিশ। এ সময় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে ১৪ জন আহত হয়।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকাল থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত এ সংঘর্ষ চলে। এতে ৪ পুলিশ ও ১০ শ্রমিক আহত হয়।
 
জানা গেছে, শেরপুর উপজেলার ভবানীপুরে রনক স্পিনিং মিলে ৫ শতাধিক শ্রমিক কাজ করেন। 

করোনা রোধে কিছুদিন মিল বন্ধ রাখার পর আবারো চালু করা হয়। পরে এপ্রিল মাসের বেতন ও ঈদের বোনাসের দাবি করে শ্রমিকরা। কিন্তু শ্রমিকরা এ ব্যাপারে কোনো ধরনের আশ্বাস না পেয়ে বৃহস্পতিবার সকালে কাজে যোগ দিয়ে বিক্ষোভ শুরু করে।

এক পর্যায়ে শ্রমিকরা সেখানে ভাঙচুর শুরু করে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। এ সময় শ্রমিকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। তখন লাঠিচার্জ ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে পুলিশ। এতে ৪ পুলিশ ও ১০ শ্রমিক আহত হয়।

এরপর শেরপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গাজিউর রহমান ও রনক স্পিনিং মিলের করপোরেট জিএম আব্দুল কাদের বৈঠকে বসেন। বৈঠক শেষে শ্রমিকদের দাবি মেনে নেয়া ছাড়াও সংঘর্ষে আহতদের চিকিৎসার দায়িত্ব নেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়। এতে শ্রমিকরা শান্ত হয়ে কাজে যোগদান করেন।

শেরপুর থানা অফিসার  ইনচার্জ হুমায়ন কবীর জানান,  শ্রমিকরা সেখানে ভাঙচুর শুরু করে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। এ সময় শ্রমিকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। তখন লাঠিচার্জ ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে পুলিশ। এতে ৪ পুলিশ ও ১০ শ্রমিক আহত হয়।

শেরপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গাজিউর রহমান জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেখানে ২ প্লাটুন পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বেতন-বোনাসের আশ্বাস পেয়ে শ্রমিকরা কাজে যোগ দিয়েছে।

পূর্ববর্তী সংবাদ

৩০ মে পর্যন্ত বিমানের সব ফ্লাইট স্থগিত

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সব আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের স্থগিতাদেশ ৩০ মে পর্যন্ত বাড়িয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ স্থগিতাদেশ বাহরাইন, ভুটান, হংকং, ভারত, কুয়েত, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, নেপাল, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, শ্রীলঙ্কা, সিংগাপুর, থাইল্যান্ড, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও যুক্তরাজ্যের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে। তবে কার্গো, ত্রাণ-সাহায্য, এয়ার অ্যাম্বুলেন্স, জরুরি অবতরণ ও বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা কার্যক্রম এ স্থগিতাদেশের আওতার বাইরে থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। দেশে বিমান চলাচলে বেবিচকের নিষেধাজ্ঞা জারি করার আগেই ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত সব ফ্লাইট বাতিল করেছিল বিমান। এরপর তা বাড়িয়ে ১৫ মে করা হয়।

আবারো তা বাড়িয়ে ৩০ মে পর্যন্ত করা হলো। দেশের সব অভ্যন্তরীণ রুট ছাড়াও আন্তর্জাতিক ১৭টি রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করে বিমান। কোভিড-১৯ এর কারণে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের অব্যবহৃত টিকিটে যাত্রীগণ আগামী ১৪ মার্চ, ২০২১ সাল পর্যন্ত কোনো প্রকার চার্জ ছাড়া ভ্রমণ করতে পারবেন অথবা এ সময়ের মধ্যে মূল্য ফেরত নিতে পারবেন।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার