বগুড়ায় অটোরিকশা-প্রাইভেটকার মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৩

Img

বগুড়ায় প্রাইভেটকার ও সিএনজি চালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরো অন্তত পাঁচজন। আজ শনিবার বিকেলে বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কের আদমদীঘি উপজেলার মুরইল বাসস্ট্যান্ডের পশ্চিম পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নওগাঁ থেকে ছেড়ে আসা বগুড়াগামী যাত্রীবাহী একটি প্রাইভেটকার মহাসড়কের আদমদীঘির মুরইল পূর্ব বাজার এলাকায় পোঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা অপর একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে সিএনজিটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হন। আহত হন আরো পাঁচজন।

আদমদীঘি থানা পুলিশের উপ পরিদর্শক (এসআই) ফজলুর রহমান দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের বলেছেন, আহতদের প্রথমে আদমদীঘি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

পূর্ববর্তী সংবাদ

চুকনগরে দুধর্ষ ডাকাতি, ৩ ডাকাতকে গণপিটুনি

চুকনগরে এক ব্যবসায়ির বাড়িতে দূর্ধর্ষ ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। এ সময় ডাকাতদল স্বর্ণ-অলংকারসহ প্রায় ১১ লক্ষ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। ডাকাতী শেষে বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় তিনজন ডাকাতকে আটক করে গণধোলায় দিয়ে পুলিশে সপর্দ করে এলাকাবাসী। ঘটনাস্থল থেকে একটি তাজা বোমা উদ্ধার করেছে  পুলিশ।

গত শুক্রবার দিবাগত রাত ৩ টার দিকে ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগর বাজারের ধান, চাল ও চাতাল ব্যবসায়ী চাকুন্দিয়া গ্রামের নারায়ন চন্দ্র রাহার বাড়িতে এ দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ভুক্তভোগী সূত্রে জানাগেছে, ১০/১৫ জনের একটি ডাকাতদল কালো রঙের একটি মাইক্রোবাস যোগে এসে খুলনা-চুকনগর মহাসড়কের পাশে ওই বাড়িতে প্রবেশ করে গ্রিল কেটে বারান্দায় প্রবেশ করে প্রথমে নারায়ন রাহাকে মাথায় আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে একটি রুমে আটকে রাখে। এরপর বাড়ীর সকলকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে আলমারিতে রক্ষিত প্রায় ২৫ ভরি ওজনের স্বর্ণের গহনা, একটি ডিএসএলআর ক্যামেরা ও নগদ ১৩ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে বাঁশি বাজিয়ে অপারেশন শেষ বলে অন্য ডাকাতদের সঙ্কেত দিয়ে এক জায়গায় জড়ো হতে বলে। বাঁশির ও বোমার শব্দে প্রতিবেশীদের  চেঁচামেচিতে গ্রাম বাসি ছুটি এসে সেন্টিতে থাকা ডাকাতদের ধাওয়া করে। তখন ডাকাতরা পরপর ৫ টি বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক বিরাজ করার চেষ্টা করে। প্রায় ১ কিলোমিটার ধাওয়া করে ৩ জন ডাকাতকে ধরে ফেলে গণধোলায় দেয়।

এ সময় অন্যান্য ডাকাতরা  মালামাল নিয়ে  মাইক্রোবাসযোগে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থলে এসে আহত ডাকাতদের উদ্ধার ও তাদের কাছে ব্যাগে থাকা একটি তাজা বোমা উদ্ধার করে থানায় নেয়।

গণপিটুনিতে আহত ডাকাতরা হলেন, খুলনা মেট্রোপলিটন সোনাডাঙ্গা থানাধীন মৃত কওছার আলী শেখের ছেলে লিটন হোসেন (৫০), বসুপাড়া এলাকার হাসেম আলীর ছেলে বাবুল শেখ (৪০) এবং তেরখাদা উপজেলার মোকামপুর এলাকার মতলেব খানের ছেলে সেলিম খান (৪৫)। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় ডাকাতি মামলার প্রস্তুতি চলছিল।

ডুমুরিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ আমিনুল ইসলাম বিপ্লব জানান, গণপিটুনিতে আহত ডাকাতদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুলিশি প্রহারায় চিকিৎসাধীন রয়েছে।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার