বইমেলায় প্রবাসীর দিগন্ত'র সাংবাদিক ফারজানা সিকদারের ‘দাদীমা’

Img

অমর একুশে বইমেলায় পাওয়া যাচ্ছে কক্সবাজার জেলার পরিচিত মুখ প্রতিভাবান লেখিকা ও সাহিত্যকার ফারজানা সিকদারের ‘দাদীমা’ বইটি।

১১০ পৃষ্ঠার বইটি প্রকাশ করেছে রাত্রি প্রকাশনী। এছাড়াও বইটি রকমারি ডটকমে পাওয়া যাচ্ছে। ২০০ টাকা মূল্যের বইটি ২৫% ছাড়ে নেয়া হচ্ছে ১৫০ টাকা। বইটি পাওয়া যাচ্ছে বইমেলায় রাত্রি প্রকাশনীর ৪৭২ ও ৪৭৩ নম্বর স্টলে।

উল্লেখ্য, গতবারের বইমেলায় তাঁর লেখা উপন্যাস "নিয়তির জলকাব্য" বইটি পাঠকমহলে বেশ সাড়া ফেলে। বিডিওয়ান মিডিয়া লিমিটেড পরিবারের সহযোগী প্রতিষ্ঠান, বর্তমানে প্রবাস ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম গুলোর মধ্যে শীর্ষে অবস্থান করা প্রবাসীর দিগন্ত এর শিল্প সাহিত্য বিভাগে নিয়মিত লেখালেখির পাশাপাশি কক্সবাজার জেলার সংবাদ ও প্রতিবেদন নিয়মিত তুলে ধরছেন লেখিকা ফারজানা সিকদার।

লেখিকা ফারজানা সিকদারকে প্রবাসীর দিগন্ত পরিবারের পক্ষ থেকে জানাই অভিনন্দন ও শুভকামনা।

পূর্ববর্তী সংবাদ

ঋণ খেলাপি ও অর্থপাচারকারীদের তালিকা প্রকাশে করতে হাইকোর্টের নির্দেশ

গত ২০ বছর ধরে ব্যাংকিং খাতে কি পরিমাণ অনিয়ম দুর্নীতি হয়েছে তা নির্ণয়ে একটি শক্তিশালী কমিটি গঠনের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ঋণ খেলাপি ও অর্থপাচারকারীদের তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এ সংক্রান্ত একটি রিটের শুনানি শেষে আজ বুধবার হাইকোর্টের বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দিয়েছেন।

রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ (বাশার)।

রিটের শুনানির সময় আদালত বলেন, বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে এরইমধ্যে অর্থনৈতিকভাবে একটি নাজুক পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়েছে। এই পরিস্থিতি খুব দ্রুত বন্ধ করে অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করে একটি শক্তিশালী জায়গায় নিয়ে আসতে প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা নিতে হবে।

পরে ব্যারিস্টার এ বি এম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার সাংবাদিকদের বলেন, ব্যাংকিং খাতের অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে আইনজীবী মনজিল মোরসেদ হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করেন। সে রিটের শুনানি নিয়ে আদালত এ আদেশ দেন। একটি কমিশন গঠন করে ঋণ খেলাপী ও অর্থ আত্মসাতকারীদের তালিকা করতে নির্দেশ দিয়েছেন।  এই তালিকা দাখিলের নির্দিষ্ট কোনো তারিখ আদালত এখনও জানাননি আদালত।

প্রসঙ্গত, এর আগে গত ২৩ জানুয়ারি ব্যাংকিং খাতে অর্থ আত্মসাৎ, ঋণ অনুমোদনে অনিয়ম, প্রাইভেট ও পাবলিক ব্যাংকগুলোতে ব্যাংকঋণের ওপর সুদ মওকুফের বিষয়ে তদন্ত এবং তা বন্ধে সুপারিশ প্রণয়নের জন্য কমিশন গঠন করার অনুরোধ জানিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরসহ পাঁচটি মন্ত্রণালয়ের সচিবদের একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ছাড়াও নোটিশপ্রাপ্ত অন্যরা হলেন— মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ের সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব এবং আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব।

মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইআরপিবি) পক্ষে এ নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশে সাত দিনের মধ্যে ব্যাংকিং খাতে অনিয়মের বিষয় তদন্ত ও প্রতিরোধে সুপারিশ প্রনয়নের জন্য ১৯৫৩ সালের ইনকোয়ারি কমিশন অ্যাক্টের অধীনে একটি কমিশন গঠনের অনুরোধ জানানো হয়েছিল। কিন্তু সেই নোটিশের কোনও সদুত্তর না পেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার