ফেসবুক মেসেঞ্জার নতুন রূপে

Img

নতুন রূপে আত্মপ্রকাশ করল ফেসবুক মেসেঞ্জার। করোনা আবহে বিশ্বের অধিকাংশ মানুষ গৃহবন্দি। বন্ধু-বান্ধব, সহকর্মী, আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র উপায় সেই সোশ্যাল মিডিয়া। এবার ব্যবহারকারীদের আরও নতুন অভিজ্ঞতা দিতে বেশ কিছু ফিচার যুক্ত হল ফেসবুক মেসেঞ্জারে।

সঙ্গে পাল্টে গেল লোগোও। সম্প্রতি ফেসবুকের তরফ থেকে মেসেঞ্জারের যে নতুন লোগোটি প্রকাশিত হয়েছে, সেটি আর আগের মতো কেবল নীল রঙয়ের নয়, তাতে কিছুটা গোলাপি রঙও রয়েছে। শুধু নতুন লোগো নয়, আসতে চলেছে আরও নতুন থিম এবং ফিচারও। এই প্রসঙ্গে বিবৃতিও দিয়েছেন ফেসবুকের ভাইস প্রেসিডেন্ট স্টান চাদনোভস্কি। আসলে ফেসবুক মেসেঞ্জার আর ইনস্টাগ্রামের চ্যাট পদ্ধতিকে এক সঙ্গে জুড়ে দেওয়ার জন্যই মেসেঞ্জারের এই নতুন লোগো।

ইতিমধ্যে বেশ কিছু ফোনে মেসেঞ্জারে নতুন কিছু ফিচারও এসে গেছে। এছাড়া যুক্ত হবে লাভ অ্যান্ড টাই-ডাই নামে বিশেষ এক ভালবাসার থিমও। সঙ্গে থাকছে সেলফি স্টিকার।

যুক্ত করা হয়েছে ভ্যানিশ মোডও। স্ন্যাপচ্যাট আর ইনস্টাগ্রামে যে সুবিধা পাওয়া যায়, সেটা এবার ফেসবুক মেসেঞ্জারেও পাবেন ব্যবহারকারীরা। অর্থাৎ এই মোড অন করা থাকলে, ব্যবহারকারীর পাঠানো কোনও ছবি তিনি চ্যাট থেকে বেরিয়ে গেলে কিংবা উল্টোদিকে থাকা ব্যক্তির দেখা হয়ে গেলে মুছে যাবে।

পূর্ববর্তী সংবাদ

জমি কেনার আগে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে

কোনো দলিল নিয়ে সন্দেহ হলে রেজিস্ট্রি অফিসে সংরক্ষণ করা দলিলের সঙ্গে সাল মিলিয়ে দেখতে হবে। এ জন্য নির্দিষ্টভাবে দরখাস্ত করতে হবে। এতে দলিলটির যাবতীয় তথ্য দিতে হবে। সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিলের প্রকৃতি অনুযায়ী চারটি রেজিস্ট্রার বা ভলিউমে সংরক্ষিত থাকে।বিক্রেতার কাছ থেকে সব দলিল, বিশেষ করে ভায়া দলিল চেয়ে নিতে হবে।সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে জানতে হবে সব দলিলের ক্রমিক নাম্বার, দলিল নাম্বার ঠিক আছে কিনা। সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস থেকে জমিরমিউটেশন বা নামজারি সম্পর্কে খোঁজ নিতে হবে।

নামজারিতে ধারাবাহিকতা ঠিক আছে কিনা, পর্যবেক্ষণ করুন। যদি দেখা যায়, সিএস জরিপের সঙ্গে বিক্রেতার খতিয়ানের কোনো গরমিল আছে, তাহলে ধরে নিতে হবে দলিলে সমস্যা আছে। দলিল সম্পাদনের সময় ব্যবহৃত স্ট্যাম্পের পেছনে কোনো ভেন্ডার থেকে স্ট্যাম্প কেনা হয়েছে এবং কার নামে কেনা হয়েছে খেয়াল রাখুন। প্রতিটি স্ট্যাম্পের পেছনে একটি ক্রমিক নাম্বার উল্লেখ থাকে।

এ নাম্বারটি ঠিক আছে কিনা, প্রয়োজনে স্ট্যাম্প বিক্রেতার সঙ্গে দেখা করে যাচাই করে নিন।একাধিক মালিকের ক্ষেত্রে সরেজমিন গিয়ে স্থানীয় লোক জনের সঙ্গে কথা বলে মূল মালিক কে, তা নির্ণয় করে নিতে হবে।ভূমি অফিস থেকে বিভিন্ন সিল পরীক্ষা করেও জালিয়াতি নির্ণয় করা যায়।অনেক সময় স্বাক্ষর জালিয়াতি করে দলিল দাতা বা গ্রহীতার সাজা হয়। এ ক্ষেত্রে স্বাক্ষর বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে স্বাক্ষরের সত্যতা যাচাই করিয়ে নেয়া যেতে পারে। ভালো করে তারিখ, কাগজ, সিল ইত্যাদি লক্ষ্য করুন। দেখুন কোনো অসংলগ্নতা চোখে পড়ে কিনা।জরিপ খতিয়ানে জমির পরিমাণ পরবর্তী সময়ে যতবার বিক্রি হয়েছে, তার সঙ্গে জমির পরিমাণ মিল আছে কিনা, তা যাচাই করুন।

দাগ নাম্বার, ঠিকানা এসব ঠিক আছেকিনা, পরীক্ষা করুন। সম্প্রতি কোনো আমমোক্তার নামা দলিল থাকলে তাতে উভয় পক্ষের ছবি ব্যবহার হয়েছে কিনা যাচাই করতে হবে।কোনো দান করা জমি হলে দলিলে সম্পাদনের তারিখ দেখে কবে জমিতে গ্রহীতা দখলে গেছে তা যাচাই করতে হবে।

দলিলটি রেজিস্ট্রি করা কিনা এবং দলিল দাতার সঙ্গে গ্রহীতার সম্পর্ক কী, তা যাচাই করতে হবে।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার