প্রবাসী পিতার অশ্রুভেজা সংবাদ সম্মেলন পরকীয়ার বলি দুই কন্যা

সাইদুল ইসলাম (সুমন) | নিজস্ব প্রতিবেদক : সেপ্টেম্বর ৩, ২০১৮

চাকুরীগত কারনে ও বাচ্ছাদের পড়ালেখার সুবিধার জন্য দেশে এবং দেশের বাহিরে, যেমন ভারতের বোম্বে, দিল্লি, দেশের মধ্যে বগুড়া, ঢাকা সহ বিভিন্ন স্থানে স্বপরিবারে বসবাস করেন। দুই কন্যা সহ আমাদের ২৫ বছরের দাম্পত্য জীবন খুব সুখেই অতিবাহিত হচ্ছিলো তাহার জীবন জানান রেজাউল হক হেলাল। তিনি আর ও বলেন ২০০৮ সালে অর্থনৈতিক উন্নয়নে জীবিকার তাগিদে সৌদি আরব আসার সময় ঢাকা দনিয়া কলেজের পাশে ভাড়া বাসায় আদরের দুই কন্যা, স্ত্রী নাসিমাকে রেখে আসেন সৌদি আরব আসার পর বগুড়ার কম্পিউটার শিক্ষক মশিউর রহমান মোহন পিতা বজলুর রহমান আমার মেয়েদের কম্পিউটার শিক্ষক হিসেবে বাসায় যাতায়াত শুরু করেন বলে তিনি জানান।

২০১২ সালে ২৯ ফেব্রুয়ারী হঠাত আমার শাশুড়ি হাসিনা বেগম ও স্ত্রী নাসিমা আক্তার থেকে ফোনে বলেন, আমার প্রথম মেয়ে যাত্রাবাড়ী দনিয়া কলেজের অনার্স তৃতীয় বর্ষের মেধাবী ছাত্রী নাবিলা হক ব্রেন স্টোকে ইন্তেকাল করেছে। হাজার ইচ্ছা থাকা সত্তেও ভিসা জটিলতার কারণে আমি বাংলাদেশে যেতে পারিনি। আমি যখন মেয়ের শোকে কাতর তখন আমার বাসায় কল দিয়ে স্ত্রী নাসিমা ও মেয়ে জিমুর সাথে ফোনে কথা বলতে চাইলে আমার শাশুড়ি হাসিনা বেগম আমাকে বলতেন আমার স্ত্রী বেহুস, মেয়ে কান্নাকাটি করছে, বিভিন্ন অজুহাতে আমার শাশুড়ি কথা বলতে দিতেন না।

নাবিলা মৃত্যুর ২০/২৫ দিন পর হঠাৎ করে জানান, আমার স্ত্রী মেয়ের শোকে মারা গেছেন, তখন প্রবাসে মানসিক ভাবে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়ি। আমার পৈত্রিক বাড়ি থেকে শশুর বাড়ি দূরত্ব বেশী হওয়ায় এবং আমি প্রবাসে থাকায় অনেক কিছু আমার অগোচরে রয়ে যায়। নাবিলার মার মৃত্যুর খবরের ৬/৭ মাস পর আমি বিভিন্ন সুত্রে খবর পাই আমার স্ত্রী নাসিমা আক্তার মেয়েদের কম্পিউটার শিক্ষক লম্পট প্রতারক খুনি মশিউর রহমানর সাথে পরকীয়া প্রেমে লিপ্ত হয়ে ২৫ বছরের সাজানো সংসার ভেঙ্গে আমার অর্থ-সম্পদ, স্বর্ণালংকার সব নিয়ে পালিয়ে যায়। তখনো আমি ইকামা জটিলতায় ভুগছিলাম।

আমার ছোট মেয়ে জামিলা হক জিমু তার নানুর কাছে রায়পুরে ছিলো এবং রায়পুর এল এম স্কুলে ভর্তি করে। আমার শাশুড়ি আমাকে জানিয়েছিলো উনার মেয়ে নাসিমাকে ত্যাজ্য করেছেন। তিনি বলেন, তোমার জামিলা হক জিমুর বয়স ১৮ হলে তাকে তোমার বাড়ীতে নিয়ে যেও। আমার মান-সম্মান ও মেয়ের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে বুকে পাথর চেপে আইন আদালতে যাইনি। কিন্তু মেয়ের যাবতীয় খরচ আমার শাশুড়ির মাধ্যমে চালিয়ে গেছি।

বিগত ২০১৫/১৬ সালের কোন এক সময় অজানা গন্তব্য থেকে ফিরে এসে আমার শাশুর শাশুড়িকে ম্যানেজ করে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে, আমার মেয়ে জিমুর পিতা সেজে রায়পুর পৌরসভায় আমার শশুরের শশুর বাড়ীতে পরিবার ধ্বংসকারি পরকীয়া প্রেমিক প্রেমিকা মোশারফ হোসেন এবং নাছিমা আক্তার আমার শশুর শাশুড়ি ও মেয়ে জিমুর সাথে বসবাস শুরু করে। আমার বৃদ্ধা মা দিলবাহার বেগম কয়েক দফা আমার মেয়ে জিমুকে রায়পুর থেকে আনতে গিয়ে জিমুর নানা নানুর অমতের কারণে আমার মেয়েকে আমার ফেনীর বাড়ীতে আনতে ব্যর্থ হয়।

গত ২৭শে আগষ্ট আমার মেয়ে রায়পুর রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের একাদশ শ্রেনীর মেধাবী ছাত্রী জামিলা হক জিমু ইন্তেকাল করেছে! ফেনী থেকে আমার নিকটাত্মীয়রা রায়পুর ছুটে যায়। সেখানে গিয়ে তারা জানতে পারে লাশ ময়না তদন্তের জন্য লক্ষিপুর নিয়ে যাওয়া হয়েছে।ঐবাড়িতে জিমুর নিকট আত্মিয়দেরকে অনেক খোজা খুজির এক পর্যায়ে হটাত নাবিলার মায়ের সাথে দেখা হলে কিছু জিজ্ঞেস করার আগেই বাগানের মধ্য দিয়ে অন্যত্র লুকিয়ে যায়।সে ফেনীতে বাবার বাড়ীতে যাওয়ার বায়না ধরলে তার ডাইনী মা ও মায়ের পরকীয়া প্রেমিক মশিউর রহমান জিমুকে হত্যা করে। এই পর্যায়ে, আমার বড় মেয়ে নাবিলা হক ও জামিলা হক জিমুকে পরিকল্পিত ভাবে ঠান্ডা মাথায় নিষ্ঠুর ভাবে পরকীয়ার কারণে পরিবার ধ্বংসের ঘাতক নাসিমা ও মশিউর রহমান মোহন মিলে পর পর দুই মেয়েকে হত্যা করে্ন।

তারা আমার দুই মেয়েকে পরকীয়ার বলি বানিয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় করে দিয়েছে এমনটা জানান রেজাউল হক হেলাল। রেজাউল হক হেলাল, ফেনী জেলার দাগনভূঞা উপজেলার ৭নং মাতুভূঞা ইউনিয়নের আশ্রাফুরের বাসিন্দা। সৌদি আরব প্রবাসী ১৯৮৮ সালে পারিবারিক ভাবে লক্ষিপুর জেলার রায়পুর নিবাসী অহিদুল্যার কন্যা নাছিমা আক্তারের সাথে ঢাকার কল্যাণপুরে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন.রেজাউল হল হেলাল ব্যাকাতিগন জীবনে একজন লেখক ,কবি তার লেখা বই মরু দিগন্তের কান্না,নবজাতক,বৃক্তহ্মরন, ডঃ হোসনে আরা জীবন ও কর্ম কবিতার বই ভোরের বাতাস ইত্যাদি । সততা,নিষ্ঠা,ও আদ্রশবান এই ব্যক্তি দেশের গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরে কর্মজীবন অতিবাহিত করে বর্তমানে প্রবাসে অবস্থান করতেছেন।

প্রবাসী রেজাঊল হক হেলাল জানান এর সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে মাননীয়া প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা, পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রানলয়, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় গণমাধ্যামক্রমী ও দেশের আইনশৃংখলা বাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।যাতে আমার বিবাহ যোগ্য দুই মেয়ের হত্যার,আমার ২৫ বছরের সুখী সংসার ধ্বংসের হোতা মশিউর রহমান মোহন স্ত্রী নাছিমা ও শাশুড়ি হাসিনা বেগম কে গ্রেফতার করে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার দাবি জানাচ্ছি।

তথ্য:

বিভাগ:

প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৩, ২০১৮

প্রতিবেদক: সাইদুল ইসলাম (সুমন)

পড়েছেন: 715 জন

মন্তব্য: 0 টি