প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিনে হাতীবান্ধা উপজেলা ছাত্রলীগের দোয়া

Img

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় বঙ্গবন্ধু কন্যা ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিনে কোমলমতি শিশু হাফেজদের নিয়ে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বাদ এশা উপজেলার রেল ষ্টেশন সংলগ্ন হাফিয়া মাদ্রাসায় সিন্দুর্না ইউনিয়ন ছাত্রলীগ উক্ত দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেন। এশার নামাজ শেষে মিলাদ পড়ানো হয়। পরে শেখ হাসিনার দীর্ঘ আয়ু কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ফাহিম শাহরিয়ার খান জিহান, সিন্দুর্না ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি মাহাদুন্নবী উজ্জ্বল, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জুয়েল ও ছাত্রলীগ নেতা হৃদয়, উপজেলা ছাত্রলীগের বিভিন্ন নেতাকর্মী সহ মাদ্রাসার কোমল মতি শিশু হাফেজরা অংশগ্রহণ করেন।

পূর্ববর্তী সংবাদ

ছিলেন নৌকার মাঝি, এখন কোটিপতি

২০০০ সালের দিকে ছিলেন নৌকার মাঝি। নৌকা চালিয়েই করতেন জীবিকা নির্বাহ। কিন্তু তার ভাগ্য বদলে যায় নদীর ওপাড়ের ইয়াবা ব্যবসায়ী জাফরের সঙ্গে পরিচয় হওয়ার পর।  

নৌকা দিয়ে জাফরের ইয়াবা পরিবহন করতেন নুরুল আবছার। এক সময় জাহাজ থেকে বিদেশি মদ সংগ্রহ করে বিক্রিও শুরু করেন। আনোয়ারা, কর্ণফুলী এলাকা দিয়ে আবছার তার মাদক বেচাকেনা করতেন।

২০১৫ সালে র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মারা যাওয়ার পর ইয়াবা ব্যবসায়ী জাফরের ইয়াবা সাম্রাজ্য ধরে রেখেছিলেন নুরুল আবছার। তখন থেকেই ফুলে ফেঁপে ওঠেন।

রাতারাতি টাকার বিনিময়ে বাগিয়ে নেন আওয়ামী লীগের পদও। হয়ে যান আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সদস্য। মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় ২০১৯ সালের ৩১ জানুয়ারি নুরুল আবছারকে ওই পদ থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়।  

পতেঙ্গা এলাকায় মাদকের গডফাদার হলেও তিনি বরাবরই ছিলেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। ২০১৮ সালে পতেঙ্গা থানা পুলিশ ৪০ বোতল বিদেশি মদসহ নুরুল আবছারকে হাতেনাতে ধরলেও পরে জেল থেকে ছাড়া পেয়ে পুলিশ সদস্যদের হয়রানি করতে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। আদালতের নির্দেশে সেই মামলা তদন্ত করে দুর্নীতি দমন কমিশন।  

দুদকের তদন্তে নুরুল আবছারের মামলা মিথ্যা প্রমাণিত হয়। দুদকের প্রতিবেদনে নুরুল আবছারের মাদক ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। পরে মিথ্যা অভিযোগ করায় নুরুল আবছারের বিরুদ্ধে দুদক বাদি হয়ে মামলা দায়ের করে।  

নুরুল আবছারের ভাই শাহেনুর। ২০১৭ সালের ৪ জুন অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নুরুল আবছার ও তার দুই সহযোগীর বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি (৭৬/১৭) করেন শাহেনুর।

সাধারণ ডায়েরিতে নুরুল আবছারের ভাই শাহেনুর উল্লেখ করেন, নুরুল আবছার দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবার ব্যবসা করে আসছিলেন। তার কোনো বৈধ ব্যবসা না থাকলেও রাতারাতি কোটিপতি হয়ে যান। মূলত ইয়াবার টাকায় সম্পদশালী হয়ে ওঠেন নুরুল আবছার।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার