ওজন কমাতে কত কিছুই করে থাকেন আপনি। আপনি জানেন কি? হাতের কাছের থাকা পরিচিত একটি ফল যা আপনার ওজন কমাবে। ওজন কমাতে চাইলে খেতে পারেন কলা।

কলাতে রয়েছে শর্করা, মিনারেল, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম। কলা খুব দ্রুত শরীরে এনার্জি এনে দেয়। পটাশিয়াম শরীরের এনজাইমকে সক্রিয় রাখে এবং মাংসপেশিকে কোমল ও মসৃণ করে নার্ভকে সতেজ রাখতে সহায়তা করে।

কলাতে রয়েছে মিনারেল, আয়রন, ভিটামিন ‘সি’ ও ‘ই’সহ বেশ কয়েকটি ভিটামিন। এসব কিছুর মিশ্রণ ক্যানসার প্রতিরোধেও সহায়তা করে। কলায় রয়েছে প্রচুর প্রোটিন এবং শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ৮টি অ্যামিনো অ্যাসিড।

কলা শুধু শরীরের ভেতরকেই ভালো রাখে না, বাইরের সৌন্দর্যকেও বাড়িয়ে তোলে। কলা ছোট-বড় সবার জন্যই উপাদেয়। হলুদ রঙের কলা এনার্জি এনে দেয় এবং পাকস্থলীকে সক্রিয় রাখতেও সাহায্য করে।

কলা খেলে যেভাবে ওজন কমবে

কলা খেয়ে ওজন কমানো সম্ভব। আমাদের দেশে কলা বিভিন্নভাবে খাওয়া হয়। যেমন কলা দিয়ে তৈরি বিশেষ ধরনের কেক, কলার চিপস, মিল্কশেক, আইসক্রিম, বিস্কুট, কলার সালাদ ইত্যাদি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নানা উপায়ে কলা ওজন কমাতে সাহায্য করে। কলায় রয়েছে প্রচুর পটাশিয়াম। কলা শরীর ফুলে-ফেঁপে ওঠা ঠেকাতে পারে। তাই পেটের চর্বি কমাতে চাইলে খাদ্যতালিকায় কলা রাখতে পারেন।

পাকা কলা যে শরীরের পক্ষে অত্যন্ত উপকারী। পাকা কলা ওজন কমানোর ক্ষেত্রে শরীরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সম্প্রতি ওয়েট ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম অফ আটলান্টা তাদের একটি গবেষণায় এ তথ্য জানিয়েছেন।

গবেষণায় বলা হয়েছে, দৈনিক দু’টি পাকা কলা খাওয়ার অভ্যাস নানাভাবে উপকার করে শরীরের। পেটে ও শরীরের অতিরিক্ত চর্বি কমে।

ফিটনেস ওয়ান্ডার

কলায় রয়েছে শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু ‘স্লিম উপাদান’। কলার প্রোটিন শরীর ঠিক রাখে ও অনেকক্ষণ ভরা রাখে। তাছাড়া রক্তে চিনির মাত্রাও স্থিতিশীল রাখে। ফলে শরীরে মিনারেল এবং অন্যান্য উপাদান ঠিকমতো কাজ করতে পারে। ফলে ওজন কমে।

পেশীর জন্য ম্যাগনেশিয়াম

কলায় থাকা মিনারেল উপাদান ‘ম্যাগনেশিয়াম’ যা শরীরের পেশীকে প্রসারিত করে আর পাশাপাশি বিপাক ক্রিয়াকে সক্রিয় করে তোলে। এর ফলে অতিরিক্ত ওজনের মানুষ শারীরিকভাবে ভালো বোধ করেন।

পটাশিয়াম পেট কমায়

ফাঁপা বা অতিরিক্ত ফোলা পেটের জন্য কলা খুবই উপকারী। কারণ, কলায় থাকা পটাশিয়াম কোষের ভারসাম্য রক্ষা করে শরীরের তরল পদার্থকে নিয়ন্ত্রণ করে। তাছাড়া কলা একটু কাঁচা অবস্থায় খেলে তা পেটের গ্যাসকে দূরে ঠেলে দিতে সাহায্য করে। এর ফলে পেটের অতিরিক্ত ফোলা বা ফাঁপাভাব কমতে পারে।