পূজা মন্ডপের বরাদ্দ থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ, মন্দির কমিটির প্রতিবাদ

Img
প্রতীকী ছবি

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি বাবু কেশব চন্দ্র সিংহসহ সকল নেতৃবৃন্দদের বিরুদ্ধে পূজা মন্ডপের বরাদ্দ থেকে চাঁদা আদায়ের মিথ্যা অভিযোগ তুলেছে একটি কু-চক্রি মহল। ওই অভিযোগকে মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বলে প্রতিবাদ জানিয়েছেন পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি-সম্পাদকসহ সকল নেতৃবৃন্দ।

এদিকে হাতীবান্ধা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার সিংহ, ভেলাগুড়ি ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান ধরনী কান্ত, অবসরপ্রাপ্ত প্রভাষক গজেন্দ্র নাথ, প্রভাষক গজেন্দ্র নাথের অংশগ্রহণে পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি বাবু কেশব চন্দ্র সিংহসহ বিভিন্ন মন্দির কমিটির সভাপতি-সম্পাদক একটি প্রতিবাদ সমাবেশ করেন।

জানা গেছে, পূজা মন্ডপের বরাদ্দকৃত অর্থ থেকে উপজেলার বিভিন্ন মন্দির কমিটির সভাপতি-সম্পাদকরা মন্দিরের উন্নয়নের জন্য উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি বাবু কেশব চন্দ্রকে এক হাজার করে টাকা দেন। সভাপতি-সম্পাদকদের স্ব-ইচ্ছায় দেয়া ওই অর্থ নিয়ে একটি কু-চক্র মহল ষড়যন্ত্র করে। এমনকি বাবু কেশব চন্দ্র সিংহসহ সকল নেতৃবৃন্দের নামে পূজা মন্ডপের বরাদ্দ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার মিথ্যা অভিযোগ তুলেন।

হাতীবান্ধা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি বাবু কেশব চন্দ্র সিংহ বলেন, পূজা মন্ডপের বরাদ্দ থেকে যে টাকা নেয়া হয়েছে তা কোন চাঁদা নয়। সেটি মন্দিররে উন্নয়নের জন্য উপজেলার সকল মন্দিরের সভাপতি-সম্পাদকরা স্ব-ইচ্ছায় দান করেন।

এ বিষয়ে গড্ডিমারী নিরালা হরি মন্দিরের সভাপতি সুশান্ত রায়ের কাছে জানতে চাইলে তিনি প্রবাসীর দিগন্তকে বলেন, বাবু কেশব চন্দ্র পূজা মন্ডপের বরাদ্দ থেকে কোন চাঁদা নেননি। মন্দিরের উন্নয়নের জন্য উপজেলার সকল মন্দিরের সভাপতি সম্পাদকরা ওনার কাছে ১ হাজার করে টাকা দেই।

এ বিষয়ে বাড়াই পাড়া প্রগতি যুব সংঘ দূর্গা মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক তমাল কান্তি রায় জানান, বাবু কেশব চন্দ্র অনেক ভালো মনের মানুষ। উনি কখনো কোন ভুল কিছু করতে পারেন না। আমরা স্ব-ইচ্ছায় ওই টাকা দান করি। যা মন্দিরের উন্নয়নে কাজে লাগানো হবে।

এ প্রসঙ্গে হাতীবান্ধা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার সিংহ জানান, এটা সম্পূর্ন মিথ্যা বানোয়াট। কোন চাঁদা নেয়া হয়নি। সেটা চাঁদা নয়, অনুদান।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার