পুলিশ সদস্যরা মাদকে সম্পৃক্ত হলে প্রচলিত আইনে মামলা: কেএমপি কমিশনার

Img

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) এর ভারপ্রাপ্ত কমিশনার সরদার রকিবুল ইসলাম বিপিএম (সেবা) চূড়ান্ত হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, মাদক ব্যবহার ও ব্যবসার সাথে যদি খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের কোনো সদস্যের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায় তবে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা নয়, প্রচলিত আইনেই মামলা দায়ের করা হবে। এক্ষেত্রে পুলিশ সদস্য বলে কোনো প্রকার অনুকম্পা প্রদর্শন করা হবে না।

প্রধানমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মাদক সেবনকারী, মাদকের সহযোগী, মাদক ব্যবসায়ী এবং মাদকের অর্থলগ্নিকারী এই চার শ্রেণীর অপরাধীকে কোনো প্রকার ছাড় দেয়া হবে না। নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধেও কোনো ছাড় দেয়া হবে না, এক্ষেত্রেও ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হবে।

তিনি সোমবার সকালে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন্সে কেএমপি’র মাসিক কল্যাণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। সভায় কেএমপি’র সকল ইউনিটের পুলিশ সদস্যরা তাদের বিভিন্ন সুবিধা-অসুবিধার কথা তুলে ধরেন এবং ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কমিশনার তাৎক্ষণিক সেসব সমস্যার সমাধান দেন।

ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কমিশনার আরো বলেন, সাধারণ মানুষকে যেমন আইন মানতে হবে তেমনি পুলিশ বাহিনীর সদস্যদেরও আইন মেনে চলতে হবে। কেএমপিতে কোনো প্রকার অনিয়ম বা দূর্নীতি বরদাশত করা হবে না। এখন থেকে নগরীর কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে সিগারেট ও চায়ের দোকান থাকবে না, উচ্ছেদ করা হবে। সাধারণ মানুষ যেন পুলিশ কর্তৃক হয়রানির শিকার না হয় সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে। মোটর সাইকেল ব্যবহারকারী প্রতিটি পুলিশ সদস্যকে বাধ্যতামূলকভাবে হেলমেট ব্যবহার করতে হবে। গ্রাহকসেবা প্রদান করে, এমন প্রতিষ্ঠানগুলোতে দালালদের দৌরাত্ম কমাতে শিগগিরই অভিযান পরিচালনা করা হবে। নগরীর আইন শৃংখলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে যা যা করা দরকার, কেএমপি তাই করবে।


কল্যাণ সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) এসএম ফজলুর রহমান, উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোল্লা জাহাঙ্গীর হোসেন, বিশেষ পুলিশ সুপার (সিএবি) রাশিদা বেগম, উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মোঃ এহ্্সান শাহ্, উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মোঃ সাইফুল হক, উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) বিএম নুরুজ্জামান বিপিএম, উপ-পুলিশ কমিশনার (প্রসিকিউশন) মোঃ জাফর হোসেনসহ কেএমপি’র সকল ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সর্বস্তরের পুলিশ সদস্যবৃন্দ।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার