পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের ধারণা বদলাতে মানুষের পাশে ওসি রবিউল

Img

পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের ভিন্ন ধারণা থাকলেও খুলনার কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. রবিউল হোসেন সে ধারণা বদলে দিয়েছেন। ব্যতিক্রমধর্মী একজন পুলিশ অফিসার হিসাবে তিনি তার সহকর্মী ও সাধারণ জনগণের আদর্শগত ভিন্নতা মেনে নিয়ে  দক্ষতার  সঙ্গে কাজ করে চলেছেন দেশ ও মানুষের কল্যাণে। “পুলিশ জনগণের বন্ধু”  তিনি তার কর্মকান্ডের মাধ্যমে সেটি দেখিয়ে দিয়েছেন। 

একজন আদর্শবান পুলিশ অফিসার হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে আধুনিক প্রযুক্তি এবং মেধার দতা দিয়ে অপরাধ দমনের চেষ্টা অব্যহত রেখেছেন। 

“পুলিশ জনতার, জনতাই পুলিশ” এই শ্লোগানকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন। উপজেলার মানুষের চোখে একজন আদর্শবান, ন্যায়পরায়ন ও গরিবের বন্ধু হিসাবে পরিচিত পুলিশ অফিসার মোঃ রবিউল হোসেন। সাধারন মানুষ তাকে গরিবের আস্থার শেষ আশ্রয়স্থল হিসাবে দেখেন। 

তিনি তার সততা,  বিচণতা,বুদ্ধিমত্তা ও  মেধা বিকাশের মাধ্যমে উপজেলায় মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ নির্মুল ও দখল বাজদের হাত থেকে মুক্ত করেছেন। তার কাছে ধনী-গরিব, সহ সব শ্রেনী পেশার মানুষ সমান। তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বেশে মানুষের মাঝে উপস্থিত হয়ে মানুষের সুখ দুঃখের কথা শুনেছেন। এবং বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে দিয়েছেন। তিনি শুধু একজন পুলিশ কর্মকর্তাই নন বছর জুড়ে আইন শৃংখলার পাশাপাশি অনেক সামাজিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করে গুরত্বপুর্ণ ভুমিকা রেখেছেন। দায়িত্বের ক্ষেত্রে তিনি অন্যায়ের সাথে কোন আপষ করেননি। 

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিগত  বছরে কয়রা থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন মামলার ১৭৬৮ জন গ্রেফতারী পরোয়ানা আসামীকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরন করেছে।  ৬৬ জন সাজাপ্রাপ্ত আসামীকে আটক করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো ট্রলারেন্স ঘোষনা করে বছর জুড়ে ৪০ টি মামলায় ৪৬ জনকে গ্রেফতার করে মোবাইল কোটে সাজা প্রদান,অর্থ দন্ড সহ নিয়োমিত মামলা রুজু করেছেন। পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৬টি বন মামলায় ১৪ জনকে গ্রেফতার করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কয়রায় চলতি বছরে ৬ টি ধর্ষণ মামলায় ৬ জন আসামী আটক হয়েছে।

এছাড়া  নারী নির্যাত মামলার আসামি আটকসহ ভিকটিম উদ্ধার কার্যক্রম ছিল শতভাগ। কয়রা থানায় দালাল মুক্ত ও জুয়ার আসর বন্ধ করার ব্যাপারে পুলিশ প্রশাসনকে প্রশংসা জানিয়েছে সর্বস্তরের মানুষ। করোনাভাইরাস মোকাবেলায় পুলিশের প্রচার প্রচরনা-কার্যক্রম ও সচেতনতামুল সভা এখনও চলমান রয়েছে। যৌন হয়রানী, বাল্য বিবাহ,ইভটিজিং প্রতিরোধে পুলিশ প্রশাসন মানুষকে সচেতনতা রাখতে বিভিন্ন কর্মসুচী গ্রহন করেছে। 

কয়রা থানা অফিসার ইনচার্জ রবিউল হোসেন বলেন, বর্তমান সরকার আমাদের পাঠিয়েছেন মানুষের মুখেহাসি ফোটাতে এবং তাদের জান মালের হেফাজত করতে। মানুষের সাথে মিলেমিশে তাদের সুখ দুঃখ ভাগাভাগি করে নিতে। আমরা মানুষের অতন্ত্র প্রহরী আমাদের কাজ হচ্ছে দেশকে মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, চাদাঁবাজ, ইভটিজার মুক্ত করে মানুষের মাঝে শান্তি ফিরিয়ে আনা। আমার কাছে ধনী-গরিব, রিক্সা চালকসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষ সমান। একজন নির্যাতিত মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল হলো পুলিশ। সেই লক্ষে গোটা বছর মানুষের পাশে থাকার চেষ্ঠা করেছি। আর সকলের সহযোগিতায় সেটি করা সম্ভব হয়েছে। 

তিনি আরও বলেন, খুলনা জেলা পুলিশ সুপার এস এম শফিউল্যাহ স্যারের দিক নির্দেশনায় কয়রার সার্বিব আইন শৃংখলা ভাল রাখা সম্ভব হয়েছে। তিনি কয়রার সার্বিক আইনশৃংখলা ভাল রাখতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার