পাকিস্তানি গোলায় ভারতীয় সেনা নিহত, অফিসারসহ আহত ২

Img

ভারত পাক সীমান্ত দিয়ে পাকিস্তান যত না সন্ত্রাসবাদীদের ভারতে প্রবেশ করাতে পারছে ততই বেশী বাড়িয়ে দিয়েছে যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে গোলা ও গুলি বর্ষণের ঘটনা। জম্মু ও কাশ্মীরের রাজৌরি জেলায় সুন্দরবানি সেক্টরে পাকিস্তানি বাহিনী গুলিবর্ষণ করার পরে সেনাবাহিনীর এক সেনা নিহত ও একজন কর্মকর্তা সহ দুজন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে গুলিবর্ষণ শুরু করেছিল পাক সেনারা।

মেজর-র‌্যাঙ্কের এক কর্মকর্তা সহ আহতদের হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলওসি) বরাবর পাকিস্তানি বাহিনীর দ্বারা নিয়মিত যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করা হচ্ছে। ছোট আগ্নেয়াস্ত্র থেকে গুলি করার পাশাপাশি মর্টার শেলও ছোঁড়ে পাক সেনারা। তাতেই ভারতীয় সেনা বাহিনীর এক অফিসার-সহ তিন জন আহত হন। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে এক জওয়ানের মৃত্যু হয়। বাকি দু-জন সেনা হাসপাতালে চিকিত্‍‌সাধীন রয়েছেন। কর্মকর্তারা বলেছেন যে ভারতীয় সেনাবাহিনী পাকিস্তাকে ‘উপযুক্ত জবাব’ দিয়েছে। করোনা আবহে সেনারা আক্রান্ত হওয়াতে সেই সুযোগকে ব্যবহার এই ঘটনা বেশী করে ঘটাচ্ছে পাক সেনারা।

চলতি বছরে ৩ হাজারেরও বেশি বার সীমান্তে যুদ্ধবিরতি চুক্তি পাকিস্তান লঙ্ঘন করেছে বলে জানা গিয়েছে যা সাম্প্রতিক বছরগুলিতে সর্বোচ্চ। ২০১৯-এ পাক সেনা গোলাবর্ষণ করেছে ২,৫০০ বার। ২০১৮ সালে সংখ্যাটা ছিল ১,৬২৯ বার। সবচেয়ে কমবার পাকিস্তানের তরফে গোলাবর্ষণ হয়েছে জুন ও জানুয়ারি মাসে। যথাক্রমে ১৮১ ও ২০৩ বার। রিপোর্ট দেখা গিয়েছে, ২০১৯-এর ৫ অগস্ট থেকে দিনে গড়ে ১০ বার করে সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘন করছে পাকিস্তান।

বার বার সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করা পাকিস্তানের একটি চাল বলেই সেনা সূত্রে জানানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক সীমান্ত দিয়ে পাক জঙ্গিদের ভারতে অনুপ্রবেশ করোনার জন্যই সেনাদের আক্রমণ করছে। যাতে ভারতীয় সেনার নজর সীমান্ত থেকে সরে যায় আর সেই সুযোগকেই জঙ্গিরা ব্যবহার করতে পারে। ভারতীয় সেনার কড়া পাহারাকে শিথিল করার উদ্দেশ্যেই এই কাজ করে চলেছে পাক সেনারা। তবে জঙ্গি দমনে চলতি বছরে কাশ্মীরের সুরক্ষাবাহিনী বড় সাফল্য পেয়েছে। ১৫০ বেশী জঙ্গিকে নিকেশ করেছে যাদের মধ্যে ২৬ জন শীর্ষ জঙ্গি কমান্ডার রয়েছে।

পূর্ববর্তী সংবাদ

গ্রিসে কন্টেইনারে ২ বাংলাদেশির গুলিবিদ্ধ লাশ

গ্রিসের আসপোপিরগো নামক স্থানে দুই বাংলাদেশির গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে দেশটির পুলিশ। ১৪ সেপ্টেম্বর কে বা কারা তাদেরকে হত্যা করে পরিত্যক্ত দুটি কনটেইনারে রেখে যায়।

জানা গেছে, দেশটির বাংলাদেশ দূতাবাস পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিচয় নিশ্চিত করেছে। মৃতরা হলেন- আব্দুল মমিন ও মো. শাহীন। দু’জনেরই দেশের বাড়ি হবিগঞ্জ।

পুলিশ জানিয়েছে, কে বা কারা তাদের হত্যা করে পরিত্যক্ত দুটি কনটেইনারের রেখে যায়। তাদের একজন মাথায় ও আরেকজন গলায় গুলিবিদ্ধ ছিলেন।

হত্যাকারীদের খুঁজতে গ্রিসের পুলিশ চিরুনি অভিযান শুরু করেছে। হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচারের জন্য বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন গ্রিসের সভাপতি হাজী আব্দুল কুদ্দুস, গ্রিস আওয়ামী লীগের সভাপতি মান্নান মাতুব্বর জোর দাবি জানিয়েছেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ দেশে পাঠানো হবে। প্রয়োজনে বাংলাদেশ দূতাবাস অথবা বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন গ্রিসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। যোগাযোগের নম্বর +৩০৬৯৪৬৪০৭১০৩

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার