পাইকগাছায় প্রেমিকার দাবি মেটাতে অপহরণ করে হত্যা করা হয় আমিনুরকে

Img

খুলনার পাইকগাছায় প্রেমিকার দাবি ইয়ামাহার মোটরসাইকেল কিনতে অপহৃরণ করে হত্যা করা হয় আমিনুরকে।

পুলিশের কাছে অপহরণকারী ফয়সাল জানান, প্রেমিকার দাবি মেটাতে অপহরণ অতঃপর হত্যা করা হয় আমিনুরকে।

তবে উপস্থিত জনতা জানান, যদি টাকার জন্য অপহরণ করা হয় আমিনুরকে তাহলে কেন তাকে হত্যা করা হবে। কারণ অপহরণকারী ফয়সালকে টাকা দিতে স্বীকার করেন আমিনুরের পিতা। সোমবার অপহরণকারী ফয়সালকে নিয়ে উপজেলার আগড়ঘাটা কপোতাক্ষ নদের তীরে লাশ খুঁজাখুজি করেও সন্ধান পাওয়া যায়নি।

ওসি জিয়াউর রহমান জানান, উপজেলার গদাইপুর গ্রামের জিল্লুর রহমান সরদারেরর ছেলে ফয়সাল আহম্মেদ (২২) একটি মেয়েকে ভালোবাসে। মেয়েটি বায়না ধরে আরঅন-৫ মোটরসাইকেলের জন্য। কিন্তু এত টাকা জোগাড় করা সম্ভব ছিলো না তার। সে পরিকল্পনা করে শ্যামনগরের সুরমান গাজীর ছেলে আমিনুরকে অপহরণ করে। রবিবার রাত ৯টার দিকে কপোতাক্ষ নদের তীরে কমলপানির সাথে ঘুমের ঔষধ পান করানো হলে আমিনুর অচেতন হয়ে পড়ে। এ সময় আগে থেকে লুকিয়ে রাখা দা দিয়ে কুপিয়ে ও জবাই করে কপোতাক্ষ নদে ফেলে দেয়। জবাইকৃত জায়গায় রক্ত পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

অপহরণকারী ফয়সাল মৃত আমিনুরের ব্যবহৃত মোবাইল দিয়ে তার পিতার নিকট বলে ছেলেকে অপহরণ করা হয়েছে। ছেলেকে পেতে হলে ১০ লক্ষ টাকা লাগবে। তখন উপায়ন্ত না পেয়ে আমিনুরের পিতা টাকা দিবেন বলে স্বীকার করে। তখন অপহরণকারী ফয়সাল টাকা নিয়ে পাইকগাছা ব্রিজের নিকট আসতে বলে। তার কথামত টাকা নিয়ে ব্রিজের নিকট টাকা পৌছে দেয়।

এসময় আগে থেকে ওতপেতে থাকা  পুলিশ ও জনতা টাকাসহ হাতেনাতে আটক করে। তার স্বীকারোক্তিতে বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত কপোতাক্ষ নদে খুজা খুজি করেও লাশের সন্ধান মেলেনি। খুনের ব্যবহৃত দা কপোতাক্ষ নদে ফেলে দিয়েছে বলে ফয়সাল স্বীকার করেছে।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার