পাইকগাছায় শত বছরের পথ বন্ধ, ছয় পরিবার অবরুদ্ধ

Img

খুলনার পাইকগাছায় প্রায় শতবছরের পারিবারিক চলাচলের পথ বন্ধ করে দিয়ে ৬টি পরিবারকে আবদ্ধ করে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিকল্প পথে কবরস্থানের উপর দিয়ে চলাচল করলেও প্রতিবন্ধকতার শিকার হচ্ছে ৬ পরিবার।
 
অভিযোগ ও সরজমিনে দেখা যায়, উপজেলার হাছিমপুর গ্রামের লেয়াকত সরদারের সাথে খোকন সরদারের জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। লিয়াকত সরদাররা ইটের ভাঁটায় কাজে গেলে যাতায়াতের রাস্তার উপর ঘর নির্মাণ করে রাস্তা বন্ধ করে দেয়। ফলে লিয়াকত, রজ্জেত, সেকাত আলী, শহিদুল সরদার, খানজে সরদার ও খালেক সরদারের পরিবারের ৫০/৬০ জন লোক অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। স্থানীয় চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করে রাস্তাটি উন্মুক্ত করার কথা বলা হলেও প্রায় এক বছর যাবৎ রাস্তাটি উন্মুক্ত না করায় তারা মানবেতার জীবন যাপন করছে। এ নিয়ে রাস্তাটি উন্মুক্ত রাখার জন্য তাদের সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায় খোকন সরদাররা লিয়াকতকে দা দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য লুৎফর হোসেন জানান, বিষয়টি নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান সহ ৯জন ইউপি সদস্য শালিশী বৈঠকে মিমাংসা করতে ব্যর্থ হয়েছি। আশি বছরের বৃদ্ধ অহেদ আলী বলেন, তাদের পারিবারিক রাস্তাটি বন্ধ করে দেয়ায় অবরুদ্ধ পরিবারের লোকেরা আমাদের কবরখানার উপর দিয়ে চলাচল করছে। বারবার নিষেধ করার শর্তেও তারা চলাচল করছে। 

এলাকার সচেতন মহল বিষয়টি নিরসনের জন্য প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্থক্ষেপ কামনা করেছেন।

পূর্ববর্তী সংবাদ

বান্দরবানে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত

বর্ণাঢ্য আয়োজনে বান্দরবানে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত হয়েছে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের আয়োজনে পার্বত্য জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ হতে একটি শোভাযাত্রা বের হয়ে পরিষদের অডিটরিয়ামে এসে সমবেত হয়।

শোভাযাত্রায় ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণীপেশার জনগণ অংশ নেন। পরে পার্বত্য জেলা পরিষদের অডিটরিয়ামে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য জুয়েল বম এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা।

এ সময় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা এটি এম কাউছার হোসেন, নির্বাহী কর্মকর্তা মো: শেখ শহিদুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো.রেজা সরোয়ার, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ -পরিচালক ড. এ কে এম নাজমুল হকসহ প্রমুখ।

এ সময় বক্তারা বলেন, পর্যটকরা পাহাড়ে ভ্রমণ করতে এসে অনেক ফলজ ও কৃষিজ পণ্য কিনে নিয়ে যায়। যার কারণে এখানকার গ্রামীণ অর্থনৈতিক উন্নয়ন বিকশিত হচ্ছে। এছাড়াও পর্যটনকে ঘিড়ে গড়ে উঠছে অসংখ্য হোটেল মোটেল । এ খাতে কর্মসংস্থান হচ্ছে হাজারো বেকারের।

এছাড়াও সরকারের পাশাপাশি পর্যটন বিকাশের জন্য বেসরকারি খাতকে এগিয়ে আসতে হবে। বেসরখারি খাত ছাড়া কখনও পর্যটন উন্নয়ন সম্ভব নয় বলে অভিমত দেন বক্তারা।

এছাড়াও পার্বত্য জেলার পর্যটন শিল্প নিয়ে বিভিন্ন অপপ্রচার আছে সেগুলোর প্রতি সবাইকে সজাগ থাকতে হবে বলে জানান বক্তারা ।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার