পাইকগাছায় জুয়া খেলা অবস্থায় ৬ জুয়াড়ী আটক

Img

খুলনার পাইকগাছায় জুয়া খেলা অবস্থায় পুলিশ ৬ জুয়াড়ীকে আটক করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে উপজেলার গড়ইখালীর ফকিরাবাদ গ্রামে মনি শেখের বাড়ীতে জুয়া খেলা অবস্থায় তাদেরকে আটক করা।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার বাইনবাড়িয়া ক্যাম্প পুলিশের ইনচার্জ এস,আই প্রকাশ চন্দ্র সরকার ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে ফকিরাবাদ গ্রামের জব্বার শেখের ছেলে মনি শেখ, মৃত আখিল সরদারের ছেলে সাত্তার সরদার, মৃত আমজেদ সানার ছেলে হান্নান সানা, মিজানুর সরদারের ছেলে আসাদুল সরদার, মোজাফফার সানার ছেলে মফিজুল সানা ও বারিক গাইনের ছেলে সাফায়েত গাইনকে আটক করে। এ সময় ইসহাক মোড়লের ছেলে খানজু মোড়ল, আমজেদ সানার ছেলে মামুন সানা, মান্দার সরদারের ছেলে শহিদুল সরদার পালিয়ে যায় বলে ধৃতরা পুলিশকে জানিয়েছে। 

ওসি এজাজ শফী জানান, জুয়াড়ীদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে টাকা, তাসসহ জুয়া খেলার সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়েছে।

পূর্ববর্তী সংবাদ

কুড়িগ্রামে হুমকির মুখে বাঁধ, ২০ গ্রাম প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা

ধরলা নদীর ভাঙনে হুমকির মুখে পড়েছে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নের সারডোব গ্রামে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের প্রায় ৪০০ মিটার।

ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে বাঁধের একাংশ। এটি ভেঙে গেলে বন্যার কবলে পড়বে নদী তীরবর্তী ২০ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ।

এলাকাবাসী জানায়, ২০১৭ সালের ১২ আগস্ট ধরলা নদীর তীরবর্তী সারডোব এলাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ এবং বাঁধের ওপর পাকা সড়কের কয়েকটি স্থান ভেঙে বিস্তৃর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এরপরে দুই বছরেও বাঁধটি মেরামতের কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। পরে ভেঙে যাওয়া সারডোব বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধটির ৪০০ মিটার অংশ এলাকাবাসীর অর্থে মেরামত করা হয়। তারপর জিও টেক্সটাইল বিছিয়ে সাময়িক মেরামতের কাজ করে পানি উন্নয়ন বোর্ড। কিন্তু চলতি বছর বর্ষা শুরুর পর থেকে বাঁধের মেরামত করা অংশে আবারও ভাঙন দেখা দিয়েছে।

সারডোব গ্রামের বাসিন্দা সাবেক ইউপি সদস্য মো. আশরাফ হোসেন বলেন, ‘বাঁধের ভাঙা অংশ ঘেঁষে ধরলার মূল স্রোত প্রবাহিত হওয়ায় ভাঙন শুরু হয়েছে। ২০ গ্রামের কয়েক হাজার পরিবার বন্যা ও ভাঙনের আশঙ্কায় দিন পার করছে।’

এলাকার বাসিন্দা মুক্তিযোদ্ধা মতিয়ার রহমান জানান, বাঁধের অর্ধেক অংশ ভেঙে গেছে। বাকিটা ভাঙলে এ এলাকার বাড়িঘর সব নদীতে ভেসে যাবে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য বাকিনুর ইসলাম জানান, বাঁধ রক্ষার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সাথে কয়েক দফা যোগাযোগ করা হলেও বরাদ্দ নেই উল্লেখ করে তারা সাড়া দেননি।

তবে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘বাঁধটি রক্ষার জন্য আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। ভাঙা অংশটি মেরামত করা হবে যাতে বাঁধ রক্ষা পায় এবং মানুষের চলাচল স্বাভাবিক হয়। ইতোমধ্যে এখানে ৮০০ মিটার তীর সংরক্ষণ কাজের অনুমোদন পাওয়া গেছে। বর্ষা মৌসুমের পরপরই কাজ শুরু হবে।’

প্রতিক্রিয়া (৩০) মন্তব্য (০) শেয়ার (১০)