তারা (জণগণ) নৌকার বিরুদ্ধে নয়, ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে। আমি মনে করি তারা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং যোগ্য ব্যক্তিকেই পাস করিয়েছেন।

নৌকা মার্কা নিয়ে আপনারা যারা পাস করতে পারেননি তাদের পদত্যাগ করা উচিত। তাদেরকে দল থেকে বের দিন। নৌকার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামীলীগের ৫ নেতাকে বহিষ্কারের প্রস্তাব গ্রহন করার প্রতিবাদে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ফেইসবুকে প্রায় ৬ মিনিটের ভিডিওতে) ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা চেয়ারম্যান লায়ন ফিরোজোর রহমান ওলিও এমন মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, বিদ্রোহ করেছে বলেই তাদেরকে দল থেকে বের করে দিবেন, তারা কি আওয়ামীলীগ না? জনগণের ভোটেই তারা জয়লাভ করেছে। আপনারা যে বলেন বিদ্রোহীদের দল থেকে বের করে দিবেন। এসব করে তো আমাদের প্রাণপ্রিয় দল আওয়ামীলীগকে নষ্ট করে দিচ্ছেন। আমি মনে করি যারা ক্ষমতায় থেকেও ফেল করেছেন দলে থাকার তাদের কোন অধিকার নেই। আপনারা সেচ্ছায় পদত্যাগ করে নতুনদেরকে আপনাদের স্থানে বসিয়ে দেন।

উল্লেখ্য, গত ৩০ সেপ্টেম্বর সোমবার বিকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি বার্ষিকী সম্মেলনে নৌকার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামীলীগের ৫ নেতাকে বহিষ্কারের প্রস্তাব গ্রহন করা হয়েছে। বিগত জেলা পরিষদ নির্বাচন, উপজেলা নির্বাচন ও সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতিকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে নেতাকর্মীদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত মোতাবেক তাদের বিরুদ্ধে এ প্রস্তাব গ্রহণ করা হয় বলে জানা গেছে। যাদের বিরুদ্ধে বহিস্কারের প্রস্তাব গ্রহন করা হয় তারা হলেন, জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান শফিকুল আলম এমএসসি, জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা আমানুল হক সেন্টু, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী মিসেস মিনারা আলম, জেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি এড. কাউসার আহমেদ।