নির্বাচন নিয়ে অসাধারন একটি কবিতা

Img

ভোটবাজী
মোহাঃ শামীম আলী

:::::::::::::::::::::::::::::::::::::::
ভোট এসেছে শহর-গ্রামে
ভোট এসেছে মহল্লায়,
ভোটবাজীরা বেশ মেতেছে
টুপি মাথায় হৈ-হুল্লায়!

টুপির কদর বেশ বেড়েছে
পাচ্ছে শোভা ঠক্ মাথায়,
বাঘ-মহিষে কোলাকুলি
ভন্ড-সাধু এক ছাতায়।

হাঁক ছেড়ে দেয় প্রতিশ্রুতি
খাচ্ছে কসম বাপ-ভায়ের,
হ্যান করেগা ত্যান করেগা
করবে সেবা দেশ মায়ের।

উন্নয়নের ঘূর্ণায়নে
ঝাঁকিয়ে দেবে দেশটারে
মধুর সুরে মিথ্যে কথায়
দিন-রাত্রি গুল মারে।

ফাটিয়ে গলা দিচ্ছে নেতা
উন্নয়নের জোর শ্লোগান,
নদী কেটে কুমির চাষের
ব্যতিক্রমী মহা প্লান।

এমন অনেক আশার বাণী
করছে প্রসব বক্তৃতায়,
মিষ্টি কথার ফাঁদে পড়ে
জনগনে বাঁশটা খায়।

পূর্ববর্তী সংবাদ

চট্টগ্রাম-দোহাজারী রুটে এক জোড়া নতুন ট্রেন উদ্বোধন

চট্টগ্রাম-দোহাজারী রেললাইনে এক জোড়া নতুন ট্রেন উদ্বোধন করেছেন রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক। শনিবার (৩ নভেম্বর) দুপুর একটার দিকে পটিয়া রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রী পরিবহনের লক্ষ্যে ট্রেন দুটি উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার রেলওয়েকে ধ্বংস করেছে আর আওয়ামী লীগ সরকার রেলওয়ের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।

রেলমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম-দোহাজারী রেলপথে আরও এক জোড়া ট্রেন চালুর জন্য পটিয়ার সংসদ সদস্য সামশুল হক চৌধুরী আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। তার প্রচেষ্টায় আমি এ লাইনে পুনরায় নতুন ট্রেন দিয়েছি। দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমেদ, চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য মাঈন উদ্দিন খান বাদল, পটিয়ার সংসদ সদস্য সামশুল হক চৌধুরী, চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, রেল মন্ত্রণালয়ের সচিব মোফাজ্জল হোসেন, রেলওয়ের মহাপরিচালক কাজী রফিকুল হক, রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল এর মহাব্যবস্থাপক ফারুক আহমেদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রদীপ দাশ প্রমুখ।

অনুষ্ঠান শেষে রেলমন্ত্রী পতাকা উড়িয়ে চট্টগ্রাম-দোহাজারী রুটে ট্রেন চলাচল উদ্বোধন করেন। এরপর ট্রেনটি পটিয়া স্টেশন থেকে দোহাজারীর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। উদ্বোধন হওয়া এ রুটে ট্রেন দুটি দক্ষিণ চট্টগ্রামের দোহাজারী স্টেশন থেকে সকাল ৬টা ৪০ মিনিটে নগরীর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে। আবার সন্ধ্যা ৬টায় নগর থেকে ছেড়ে আসবে। দোহাজারী পিকিং পাওয়ার প্ল্যান্টের জন্য ফার্নেস তেলবাহী ওয়াগন ট্রেন চলাচল করে এ রুটে।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, ১৯৫০ সালের দিকে দোহাজারী-চট্টগ্রাম রেললাইনে যাত্রীবাহী ৬ জোড়া ট্রেন চলাচল শুরু হয়। নানা অজুহাত ও লোকসানের কারণে ১৯৮০ সালে একযোগে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে যাত্রীদের দাবির প্রেক্ষিতে নব্বইয়ের দশকে এক জোড়া ট্রেন চালু করে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

২০০০ সালের ১ অক্টোবর এ লাইনটি সংস্কার ছাড়াই বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়া হয়। বছরখানেক পর ২০০২ সালে ১৫ জানুয়ারি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে তা বুঝিয়ে দেয়া হয়।

২০১৩ সাল থেকে এ লাইনে দোহাজারী পিকিং পাওয়ার প্ল্যান্টের জন্য ফার্নেস তেলবাহী ওয়াগন ট্রেন চলাচল শুরু হয়। সঙ্গে চলতো যাত্রীবাহী একটি ট্রেন। নতুন একজোড়া ট্রেন চালু হওয়ায় এখন যাত্রীবাহী ট্রেনের সংখ্যা তিনটিতে দাঁড়ালো।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার