নিবন্ধন ছাড়া বেসরকারি হাসপাতাল চালাতে দেওয়া হবে না: তাপস

Img

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস বলেছেন, বেসরকারি কোনো হাসপাতাল, ক্লিনিককে আমাদের (সিটি করপোরেশন) নিবন্ধন ছাড়া চলতে দেওয়া হবে না। এখন পর্যন্ত কোনো বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক আমাদের নিবন্ধন নেয়নি।

২০০৯ এর ১১২ ধারা উল্লেখ করে বলেন, ‘করপোরেশন এলাকায় করপোরেশনের নিবন্ধন ব্যতীত কোনো প্রাইভেট হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, প্যারামেডিক্যাল ইনস্টিটিউট ইত্যাদি পরিচালনা করা যাবে না। আমরা আইনের বাস্তবায়ন করতে চাই। কিন্তু আজ পর্যন্ত বেসরকারি কোনো হাসপাতাল-ক্লিনিক করপোরেশনের নিবন্ধন নেয়নি।

এ বিষয়ে এরই মধ্যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। সে জন্য একটি বিধিমালা করব, প্রবিধান করব। সেখানে সুনির্দিষ্টভাবে চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় করণীয় উল্লেখ থাকবে, কী কী অবকাঠামো তাদের থাকতে হবে সেটাও উল্লেখ থাকবে। ১০ শয্যা হোক, ১০০ শয্যা হোক, ৫০০ শয্যা হোক, কোনটায় কি কী বিষয় তাদের মানতে হবে, এ বিষয়গুলো তুলে ধরে তাদের নিবন্ধনের আওতায় আনতে চাই। ’

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে নগরবাসীর জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় সারাদেশে চিকিৎসা বর্জ্যের নিরাপদ ব্যবস্থাপনা এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নিয়ে ডিএসসিসি মেয়র এসব বলেন।

শেখ তাপস বলেন, সরকারি ও বেসরকারি সব হাসপাতালের অনুমোদন দিয়ে থাকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। কিন্তু আইন অনুযায়ী করপোরেশন এলাকায় বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকগুলোর করপোরেশনের অনুমতি নিতে হয়।

এ সময় মেডিকেল প্র্যাকটিস ও প্রাইভেট ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরিজ (রেগুলেশন) অর্ডিন্যান্স ১৯৮২ এ অবকাঠামোগত কোনো নির্দেশনা না থাকায় মর্মাহত হয়েছেন জানিয়ে ডিএসসিসি মেয়র বলেন, ‘জনবল নিয়ে সেখানে সুনির্দিষ্টভাবে বলা আছে। কিন্তু সেসব হাসপাতাল-ক্লিনিকের বর্জ্য কীভাবে ব্যবস্থাপনা হবে এবং সেসব ব্যবস্থাপনায় তাদের অবকাঠামোগত কী কী বিষয়াবলী নিশ্চিত করতে হবে? সে বিষয়ে কোনো নির্দেশনা নেই। তাহলে মেডিকেলে বর্জ্য কীভাবে ব্যবস্থাপনা করা হবে?’

এতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্দেশ্যে বলেন, আগামী ৩ থেকে ৬ মাসের মধ্যে অর্থাৎ একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাদের যেসব ব্যর্থতা আছে, লজিস্টিক সাপোর্ট নেই, সেগুলো দূর করতে ব্যবস্থা নেবেন। আর না হলে রিকমেন্ডেশন দিতে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে মেয়রদের উদ্বুদ্ধ করা হবে।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দিন আহমদ, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টরা বক্তব্য রাখেন।

এতে অন্যান্যের মধ্যে ডিএসসিসি’র নির্বাহী কর্মকর্তা এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ, করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার