নরওয়েতে ইসলামের কোনো স্থান নেই, কোরআনের সব কপি ধ্বংস করা হবে

Img

নরওয়েতে ‘স্টপ ইসলামাইজেশন’ নামে ইসলাম বিদ্বেষী একটি দল দেশটির মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকজনের চলাফেরা ও কার্যক্রম নিষিদ্ধে ব্যাপক প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। দলটির প্রধান নেত্রী গত শনিবার সমাবেশে এক বক্তব্যে বলেন, নরওয়েতে ইসলামের কোনো স্থান নেই, সেইসঙ্গে সব কোরআনের কপি ধ্বংস করা হবে। খবর আনাদুলু এজেন্সির।

শনিবার দেশটির রাজধানী অসলোতে দলটি এক ইসলাম বিদ্বেষী সমাবেশের আয়োজন করে। সেখানে ওই দলের প্রধান অ্যানা ব্রাটেন প্রকাশ্যে একটি কোরআন শরিফ ছিরে ফেলতে চান। কিন্তু পুলিশ সদস্যরা কোরআনের কপিটি সংরক্ষণে চেষ্টা করলে তিনি তা ছুঁড়ে ফেলেন।

এসময় সেখানে উপস্থিত অনেক মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকজন এর প্রতিবাদ জানান। এছাড়া অ্যানা ব্রাটেন মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকজনকে গালি দেন ও হিজাব নিয়ে কটূক্তি করেন। তিনি বলেন, নরওয়েতে ইসলামের কোনো স্থান নেই, সেইসঙ্গে কোরআনের সব কপি ধ্বংস করা হবে।

পূর্ববর্তী সংবাদ

নিজ বন্দুকের গুলিতে বিএসএফ জওয়ানের আত্মহত্যা

ত্রিপুরার প্রান্তিক রাজ্যে মহকুমা সদর সাব্রুমে ফেনী নদীতে নির্মীয়মান মৈত্রীসেতুর পাড়ে বিএসএফের একটি অস্হায়ী সেন্টিরুমে মঙ্গলবার গভীররাতে ডিউটিরত অবস্হায় এক বিএসএফ জওয়ান নিজ বন্দুক দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

আত্মহত্যাকারী বিএসএফ জওয়ানের নাম সুরজিৎ সিং(৪০) তার বাড়ি জম্মুকাশ্মীরের উধমপুর জেলার জনধরাইতিরাম নগরে।

জানাগেছে, মঙ্গলবার রাতে সে তার আরেক সহকর্মীর সাথে ডিউটিকরছি। ঐসময়ে তার বাড়ি থেকে ফোন আসে তার স্ত্রীর সাথে কথা বলছিলো। সম্ভবত তাদের মধ্যে কোন বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয় এবং রাগের বশেই তৎক্ষণাৎ নিজ বন্দুক থেকে নিজের দেহে গুলি চালিয়ে দেয়। সহকর্মী কি বুঝে উঠার আগেই সে লুটিয়ে পড়ে। রাতেই তার দেহ নিয়ে আসা হয় সাব্রুম জেলা হাসপাতালে।এই ঘটনা শুনে বিএসএফের পদস্হ আধিকারিকরা সাব্রুমে ছুটে আসেন।

বুধবার সকালে আত্মঘাতী বিএসএফ জওয়ানের দেহ ময়নাতদন্তের বিএসএফ কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া হয় ।জওয়ানের দেহ তার নিজ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে। বিএসএফ কর্তৃপক্ষ এই জওয়ানের দেহ তার বাবা ভগবান সিং এর হাতে তুলে দেবেন।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার