দেশসেরা তরুণ কবি হিসেবে সম্মাননা পেলেন তানভীর সিকদার

Img
‘জলধি’ প্রকাশনী আয়োজিত জলধি তরুণ লিখিয়ে পুরস্কার ২০২১। পুরো দেশব্যাপী অসংখ্য তরুণ কবিদের কবিতা জমা পড়েছিলো ঘোষণার পর। সবগুলো কবিতা লেখকের নাম ঠিকানা উহ্য রেখে তোলে দেওয়া হয়েছিলো একুশে পদক প্রাপ্ত কবি এবং সাহিত্যের বিজ্ঞ সমালোচক, বিচারকদের হাতে। দীর্ঘদিন বাছাইয়ের পর নির্বাচন করা হয় পুরো দেশ থেকে মাত্র পনেরো জন সেরা কবিকে। তাদের মধ্য থেকে বাছাই করা হলো সেরাদের সেরা কবিকে।
 
তানভীর সিকদার এমন সেরাদেরই একজন। প্রধান বিচারক, কবি নুরুল হুদা মঞ্চেই তানভীর সিকদার এর কবিতার উপমা নিয়ে বলতে গিয়ে বললেন, “এই তরুণ বয়সে কবিতায় এমন উপমা যে আঁকতে পারে, বড় হলে সে কী করবে সেটা অকল্পনীয়”।
 
দেশ সেরা তরুণ কবি নির্বাচিত হওয়ার অনুভূতি জানতে চাইলে তানভীর সিকদার বলেন, ‘কোনো কবি লেখক পুরস্কারের আশায় লিখে না। লিখে তার নিজের জন্য, দেশ এবং দশের জন্য। সৃজনশীল এই পথচলায় জলধির এই সম্মাননা আমাকে আরো বিশুদ্ধ এবং লেখার অনুপ্রেরণা যুগাবে। এই প্রাপ্তির সবটুকু আমি আমার প্রিয় কবি আল মাহমুদকে উৎসর্গ করেছি।’
 
এই আয়োজনের সমন্বয়ক কবি রুদ্রাক্ষ রায়হান বলেন, ‘আমাদের স্বার্থকতা এতটুকুই যে আমরা কিছু তরুণের মনে সাহসের জন্ম দিয়েছি। আমাদের স্বার্থ এতটুকু যে আমরা তাদের ভালো ভালো লেখা পড়তে চাই। তারা জানুক জলধি সবসময় তাদের সাথে আছে।’
 
জলধি’র সম্পাদক এবং লেখিকা নাহিদা আশরাফী’র প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় ২১ফেব্রুয়ারি ২০২১ রবিবার সন্ধ্যায় ঢাকার কাটাবনে অবস্থিত কবিতা ক্যাফেতে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ড. তপন বাগচী দাদা, কবি নুরুল হুদা, রেজাউল করিম, ইশরাত তানিয়া, কবি আলাউদ্দীন আদর, ফারুক সুমন, জয়দীপ দে শাপলু প্রমুখ।
পূর্ববর্তী সংবাদ

খাস জমি হিসাবে গণ্য হবে যে সকল ভূমি

প্রত্যেক মৌজার এর ১ নং খতিয়ানভুক্ত সম্পূর্ণ জমি খাস জমি হিসাবে পরিচিত৷ পরিত্যাক্ত কৃষি জমি ১৯৫০ সালের স্টেট একুইজিশন এন্ড টেনান্সি এক্টের বিধান বলে খাস করা হয়ে থাকে৷

পয়স্তিভূমি, নদীতে বা সাগরে ভেঙ্গে যাওয়া জমি পুনরায় জেগে উঠলে এবং নদী বা সাগরে সরে যাওয়ার দরুন জেগে ওঠা ভূমি ১৯৫০ সালের স্টেট একুইজিশন এন্ড টেনান্সি এক্টের ৮৭ ধারা মোতাবেক খাস জমি হিসাবে গণ্য হবে৷

কোন হোল্ডিং বা ইহার অংশ বিশেষ (কৃষি বা অকৃষি যাই হোক) বকেয়া খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের জন্য ১৯১৩ সালের বেঙ্গল পাবলিক ডিমান্ড রিকভারি এক্ট মোতাবেক দায়ের কৃত সার্টিফিকেট মামলায় নিলামকৃত ভূমি সরকার ক্রয় করলে সেই ভূমিও খাস জমি হিসাবে গণ্য হবে৷

যে সব পরিবার বা সংস্থা প্রেসিডেন্টের আদেশ নং ৯৮/১৯৭২ এর ৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ১০০ বিঘার অতিরিক্ত যে সমস্ত ভূমি সরকারের বরাবরে সমপর্ন করেছেন সেগুলি জমিও খাস জমি হিসাবে পরিগণিত হয়েছে৷

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪৩ অনুচ্ছেদে (১) এর গ উপ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বলা হয়েছে যে বাংলাদেশে অবস্থিত প্রকৃত মালিকাবিহীন যে কোন সম্পত্তি উক্ত অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পতিত ভূমি/খালি ভূমি বা খাস ভূমি হিসাবে গণ্য হবে৷

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার