দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হতে যাচ্ছে সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নবাসীর

Img

কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নের চিংড়া, মির্জাপুর, মেহেরপুর, গোবিন্দপুরসহ বিভিন্ন এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হতে যাচ্ছে। সাগরদাঁড়ী ইউনিয়নের অর্ন্তগত ধানদিয়া খেয়াঘাটে কপোতাক্ষ নদের উপর ব্রিজ।

যশোর-৬ কেশবপুর আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার এর সহযোগিতায় এবং উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম ও সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মুস্তাফিজুল ইসলাম মুক্ত এর একান্ত প্রচেষ্টায় খুব শিগগিরই এই ব্রিজ নির্মাণের কাজ শুরু হবে। 

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে ব্রিজ নির্মাণের জন্য মাপ দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান মনি, সাগরদাঁড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মুস্তাফিজুল ইসলাম মুক্ত, ইউপি সদস্য আব্দুল হামিদ প্রমুখ।

পূর্ববর্তী সংবাদ

কলকাতায় কম দামে পেয়েও এক ইলিশ কিনছে তিনজনে

দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতকে পদ্মার ইলিশ পাঠিয়েছে বাংলাদেশ। মোট এক হাজার ৪৫০ টন ইলিশ রফতানি করা হবে। এর মধ্যে প্রথম চালানে ২০ টন ইলিশ ঢুকেছে ভারতে। আর এ ইলিশ বাজারে পেয়ে আত্মহারা কলকাতার ক্রেতারা। সেখানে সাধ্যের মধ্যেই মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে এ মাছের। 

তবে ইলিশের আকার একটু বড় হলে দামও একটু বেশি। আর এই দামের কারণে নাকি অনেকে ভাগে ইলিশ কিনছেন এবং অনেক ক্ষেত্রেই সেই সংখ্যা তিনের বেশিও দেখা গেছে!

ভারতীয় এক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে কলকাতার দমদম-পাতিপুকুর বাজারের ইলিশ মাছের দামের পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়। 

প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার বাংলাদেশের পাঠানো ইলিশের মধ্যে এক টন গেছে ওই বাজারে। সেখানে বড়ো একটি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে এক হাজার ২০০ রুপিতে। এছাড়া ছোট একটি ইলিশ মিলছে ৮০০ থেকে ৯০০ রুপিতে।

এদিকে কলকাতার গণমাধ্যম এই সময় এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গতকাল ২০ টন পদ্মার ইলিশ ঢুকেছে। আগামী এক মাস ওপার থেকে এপারে লরি লরি ইলিশের আমদানি হবে বলেই পেট্রাপোল স্থলবন্দর সূত্রে জানা যায়। এবার সব মিলিয়ে প্রায় দেড় হাজার টন ইলিশ এপারে পাঠানোর অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।

এদিন সন্ধ্যায় পেট্রাপোল সীমান্তে ইলিশভর্তি গাড়ি ঢুকতে আমদানি ও রফতানির সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ী তো বটেই, সাধারণ মানুষের অনেকেরও হাসি চওড়া হয়েছে রসনাতৃপ্তির অভিলাষ পূরণের আশায়। 

ভোজনরসিক বাঙালি ও পদ্মার ইলিশের মধ্যে ব্যবধান হয়ে দাঁড়াতে পারে চড়া দাম, এমন আশঙ্কা থাকছে। এমনিতেই করোনা পরিস্থিতি ও দীর্ঘ লকডাউনের জেরে সাধারণ নিম্নবিত্ত, নিম্ন-মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত পরিবারের একটা বড় অংশের আর্থিক অবস্থা প্রাক-কভিড পরিস্থিতির মতো নেই। এই অবস্থায় পদ্মার ইলিশের দাম আকাশছোঁয়া হলে কজন তার স্বাদ নিতে পারবেন, সেটা একটি বড় প্রশ্ন। 

গত বছর দুর্গা পূজার ঠিক আগে উপহার হিসেবে বাংলাদেশ সরকার ৫০০ টন ইলিশ পাঠাতে রাজি হয়েছিলো। তারপর প্রায় এক বছর কেটেছে, ভারত-বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর দিয়ে ইলিশের রফতানি হয়নি। সেই অচলাবস্থার অবসান হয়েছে। এ বছর ১০ অক্টোবর পর্যন্ত এই ইলিশ রফতানির সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার