দারাজের ৭ম বর্ষপূর্তি সেলে বিক্রির শীর্ষে ‘রিয়েলমি’

Img

সম্প্রতি দারাজের সপ্তম বর্ষপূর্তি সেলে সর্বাধিক বিক্রিত ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে রিয়েলমি। এই ক্যাম্পেইনে রেকর্ড সংখ্যক রিয়েলমি ফোন বিক্রি হয় যা একে সর্বাধিক বিক্রিত ব্র্যান্ডে পরিণত করেছে।

মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রিয়েলমি জানায়, এই ক্যাম্পেইন চলাকালীন স্মার্টফোন ব্যবহারকারী ও অনুরাগীদের জন্য নির্দিষ্ট কিছু ফোনে আকর্ষণীয় অফার দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে সি২১ (৩/৩২), সি২১ (৪/৬৪), সি২০এ, সি২৫ এস (৪/৬৪), সি২৫ এস (৪/১২৮), রিয়েলমি ৮ প্রো ও নারজো ৩০ রয়েছে। এছাড়া রিয়েলমি ফ্যানরা সাত শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ে ফোন কেনার সুযোগ পেয়েছেন। পাশাপাশি প্রি-পেমেন্টে আরও ১০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় পেয়েছেন।

দারাজের চিফ কমার্শিয়াল অফিসার সাব্বির হোসেন বলেন, ‘আমাদের সেলাররা ও সহযোগীরা আমাদের প্রিয় অংশীদার যাদের সাথে আমরা বাজারে শীর্ষস্থানীয় হওয়ার আনন্দ সবসময়ই ভাগাভাগি করে নেই। রিয়েলমির মতো ব্র্যান্ডের নতুন পরিচিতির কোন প্রয়োজন নেই এবং গতবারের মত এবারও রিয়েলমি দারাজের সপ্তম বর্ষপূর্তি ক্যাম্পেইনে ‘টপ সেলিং’ ব্র্যান্ড হয়ে উঠেছে।’

পূর্ববর্তী সংবাদ

শ্যালকের বিরুদ্ধে দুলাভাইকে মারধরের অভিযোগ

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় বোনের সাথে ঝগড়া করায় বোন জামাই এজাজুল হকের অটো বাইক ভাংচুর ও মারধর করে আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে তারই শ্যালক ছামাদের বিরুদ্ধে। আহত এজাজুল হক বর্তমানে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন।

এ ঘটনায় গতকাল সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে এজাজুল হক বাদী হয়ে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে হাতীবান্ধা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। এর আগে ১১ সেপ্টেম্বর রাতে হাতীবান্ধা উপজেলার গেন্দুকুড়ি গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।

অভিযুক্তরা হলেন, উপজেলার গেন্দুকুড়ি এলাকার তছলিমের ছেলে ও এজাজুলের শ্যালক ছামাদ (৪০), একই এলাকার তুহিন (৩৫), রাশেদুল (৩৪), মালেক (৪৮) ও মহির (৩৭)। 

আহত এজাজুল হক (৪২) উপজেলার উত্তর গোতামারী এলাকার সুলতান হোসেনের ছেলে। এছাড়া তিনি একজন অটো চালক।

জানা গেছে, কয়েকদিন আগে পারিবারিক বিষয়ে এজাজুল ও তার স্ত্রী লাইলি বেগমের ঝগড়া হয়। বিষয়টি লাইলি বেগম তার ভাই ছামাদকে জানায়। সেই জেড়ে ছামাদ উপরোক্ত অভিযুক্তদের সাথে নিয়ে ১১ সেপ্টেম্বর রাতে গেন্দুকুড়ি এলাকায় এজাজুলের অটো বাইকটি আটকিয়ে ভাংচুর শুরু করে। এ সময় বাধা দিতে গেলে এজাজুলকেও মারধর শুরু করে। এজাজুলের আত্মচিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালের বেডে শুয়ে থাকা এজাজুলের কপালে তিনটি সেলাই। এছাড়া শরীরে আঘাতের চিহৃ রয়েছে।

এ সময় এজাজুলের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্ত্রীর সাথে ঝগড়া হয় আমার। তারই জেড়ে ছামাদ আমার অটো ভাংচুর করে এবং আমাকে মারধর করে।

এ বিষয়ে এজাজুলের শ্যালক ছামাদ বলেন, কোন মারধর করা হয়নি এজাজুলকে। উল্টো ও আমার বোনকে নির্যাতন করে। এছাড়া সে যে অভিযোগ দিয়েছে তা মিথ্যা।

এ বিষয়ে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে দ্বায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, তিনটি সেলাই দেয়া হয়েছে এজাজুলের মাথায়। তাকে চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে। সে মোটামুটি সুস্থ্য আছে।

এ বিষয়ে হাতীবান্ধা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এরশাদুল আলম বলেন, এ ঘটনায় তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার