দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে ফেনীর সন্তান নিহত

Img

দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নুর হোসেন সুমন নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। 

শনিবার (১৯ অক্টোবর) দিনগত রাতে দেশটির জোহানসবার্গ শহরে এ ঘটনা ঘটে। সুমন ফেনী সদর উপজেলার কালিদহ ইউনিয়নের পূর্ব গোবিন্দপুর গ্রামের হাজী জাবেদ আলী বাড়ীর আবুল কাশেমের ছেলে।

নিহত সুমনের ভাই নুরন্নবী  জানান, গত ১২ বছর ধরে সুমন আফ্রিকায় ব্যবসা করছিলেন। সেখানে তার পাঁচটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সম্প্রতি প্রবাসী সুমনের দু'টি দোকানে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। পরে এ ঘটনায় ডাকাতদের বিরুদ্ধে ওই দেশের থানায় মামলা করলে দু'জন ডাকাতকে গ্রেফতার করে আফ্রিকান পুলিশ। একপর্যায়ে ডাকাতদের বাকি সহযোগীরা ক্ষিপ্ত হয়ে শনিবার দিনগত রাত বাংলাদেশ সময় সোয়া ১টার দিকে সুমনের দোকানের সামনেই তাকে গুলি করে পালিয়ে যান। পরে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

সুমনের দুই বছর বয়সী এক কন্যাসন্তান রয়েছে। তার মৃত্যুর খবরে বাড়িতে শোকের মাতম চলছে। সুমনের মরদেহ দ্রুত দেশে আনতে দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশ দূতাবাস ও সরকারের সহযোগিতা চেয়েছে সুমনের পরিবার।

পূর্ববর্তী সংবাদ

মিমকে ‘ডিম’ বলে ডাকায় শিশু রমজান খুন

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার সিংগা গ্রামে প্রথম শ্রেণির ছাত্র রমজান শেখ (৭) তার খালাতো বোন মিম আক্তারকে (১৩) ‘ডিম’ বলে ডাকায় ক্ষিপ্ত মিম খুন করে রমজানকে। মামলার মূল আসামি মিম আক্তার শনিবার সন্ধ্যার পরে নড়াইলের ম্যাজিস্ট্রেট আমাতুল মোর্শেদা এর আমলি আদালতে ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এ কথা জানায়।

এদিকে, লোহাগড়া থানার এস আই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মিলটন কুমার দেবদাস শনিবার রাত সাড়ে ১১ টায় ওই গ্রামে অভিযান চালিয়ে হত্যার সময় শিশু রমজানের সাথে থাকা বই ও স্যান্ডেল উদ্ধার করেছে।

মিম আক্তার চরআড়িয়ারা গুচ্ছ গ্রামের রাকায়েত শেখ ও লাকী বেগমের মেয়ে।

এসআই মিলটন কুমার দেবদাস জানান, রমজান তার খালাতো বোন মিম আক্তারকে মিম না বলে ‘ডিম’ বলে ডাকতো। এতে মিম ক্ষিপ্ত ছিল। গত বুধবার স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পরে মিম আক্তার রমজানকে ঘরের মধ্যে মারপিট করে। দৌঁড়ে রমজান উঠানে পড়ে গেলে মিম রমজানের গলা টিপে ধরে। এসময় রমজানের মৃত্যু হয়। পরে কয়েকজনের সহযোগিতায় মিম লাশ গুম করবার চেষ্টা করে। এঘটনায় আটক হয়েছেন এ পর্যন্ত পুতুল, মিম, ইলিয়াস শেখ, ইউসুফ শেখ, লাকী বেগম, হাবিবুর রহমানসহ ৬জন।

উল্লেখ্য, রমজান সিংগা-মশাঘুনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে পড়ত। গত বুধবার সকালে স্কুলে গিয়ে আর বাড়ি ফিরে আসেনি। বুধবার সন্ধ্যার আগে তার লাশ পাওয়া যায় শিশুটির বাবা ও নানার বাড়ি পাশ্ববর্তী বাগানে। তার শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল। এঘটনায় শুক্রবার রমজানের নানা বাদি হয়ে লোহাগড়া থানায় মামলা দায়ের করেন।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার