জ্বর হলেই কমবেশি সবাই থার্মোমিটার ব্যবহার করে থাকেন! কপালে হাত দিলেই টের পাওয়া যায় কারো জ্বর আছে কি না। তবে জ্বর হয়েছে, এটা নিশ্চিত হওয়ার জন্য থার্মোমিটার দিয়ে মেপে দেখতে হয়। জ্বর মাপার জন্য বিভিন্ন রকম থার্মোমিটার বাজারে প্রচলিত আছে। শিশুর জ্বর তখনই বোঝাবে, যখন তাপমাত্রা নিম্নরূপ পাওয়া যাবে।

১. পায়ুপথে ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট (৩৮ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড)

২. মুখে ৯৯.৫ ডিগ্রি ফা. (৩৭.৫ ডিগ্রি সে.)

৩. বগলে ৯৯ ডিগ্রি ফা. (৩৭.২ ডিগ্রি সে.) কিন্তু এই থার্মোমিটার ব্যবহারের সঠিক নিয়ম রয়েছে।

নিয়মাবলী:

* প্রথমে থার্মোমিটারটি স্পিরিট বা সাবান-পানি দিয়ে ধুয়ে শুকনো কাপড়ে মুছে নিন। ডিজিটাল থার্মোমিটার হলে খেয়াল রাখুন, ভেতরে যেন পানি প্রবেশ না করে।

* সাধারণ থার্মোমিটার হলে পারদের অবস্থান দেখুন। যদি তা ৯৭ ডিগ্রির ওপরে থাকে, তবে জোরে ঝাঁকিয়ে পারদ নিচে নামিয়ে আনুন। ডিজিটাল থার্মোমিটার হলে সুইচে চাপ দিয়ে চালু করুন।

* থার্মোমিটারের গোড়া বগলের নিচে রেখে হাত শরীরের সঙ্গে মিশিয়ে দু-তিন মিনিট চেপে ধরুন। বড়দের বেলায় মুখের ভেতর জিহ্বার নিচে রেখে ঠোঁট দিয়ে চেপে রাখতে বলুন এক থেকে দুই মিনিট। ডিজিটাল থার্মোমিটার হলে মিউজিক বাজলে বের করুন। এবার তাপমাত্রা দেখুন।

* ব্যবহারের পর পরিষ্কার করে ধুয়ে মুছে রাখুন।