রাজ আমলে স্থাপিত ত্রিপুরার ঐতিহ্যবাহী চতুর্দশ দেবতা বাড়িতে সাতদিন ব্যাপী খার্চি মেলা শুরু হয়েছে।

ধর্মীয় আচারবিধি মেনে মঙ্গলবার বিকালের পর থেকে হয়  চৌদ্দদেবতার স্নান যাত্রা, এইদিন হয় অধীবাস ,নিয়মানুসারে দেবতাদের দেওয়া হয় গার্ড অব অনার ও বুধবার ভোর থেকে শুরু হয়ে যায় মুল পূজার্চনা।

মঙ্গলবার থেকেই পুরাতন হাবেলীর চতুর্দশ দেবতা বাড়িতে জনঢল নেমে যায়। বুধবার সকালেই পশু বলিও মুল পূজার্চনা শুরু হয়ে গেলেও আনুষ্ঠানিক ভাবে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব সহ অনান্য মন্ত্রী ও বিশিষ্ট ব্যাক্তিদের উপস্থিতিতে হয় হাভেলি ও কৃষ্ণমালা মঞ্চে মেলার উদ্বোধন হয়।

এই মেলা চলবে সাতদিন। রাজন্য আমলে এই মেলার গোড়াপত্তন, এই চতুর্দশ দেবতা নিয়ে রয়েছে সুদীর্ঘ ইতিহাসও।

রাজন্য আমলের নিয়মনীতিতে চলে এই পুজো। সাতদিনে লক্ষ লক্ষ পূনার্থী দর্শনার্থীর সমাগম হয়। হাজারের উপর দোকানি তাদের  পশরা সাজিয়ে বসে। খার্চির সময়ে বৃষ্টি থাকে তারপরও উৎসাহের কোন ঘাটতি থাকেনা।

কার্যতঃ মঙ্গলবার থেকেই খয়ের পুরস্হিত পুরাতন হাবেলীতে লোকসমাগম শুরু হয়ে গেছে তা আগামী সাতদিন বজায় থাকবে। ত্রিপুরার অন্যতম বড় এই মেলা ঘিরে প্রসাশনিক অবস্থাও জোরদার করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বুধবার সকালে ত্রিপুরার রাজ পরিবারের বর্তমান কর্তা মহারাজ প্রদ্যুৎ কিশোর মানিক্য দেববর্মন ও পুজোতে উপস্থীত ছিলেন।