তাহসানকে নিয়ে সৃজিতের প্ল্যান

Img

গায়ক-অভিনেতা তাহসান খানের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর মিথিলা ঘর বেঁধেছেন কলকাতার পরিচালক সৃজিত মুখার্জির সঙ্গে। খুব অল্প সময়ের মধ্যে তাহসান-মিথিলার কন্যা আইরারও খুব প্রিয় হয়ে উঠেছে সৃজিত। এ কথা বহুবার প্রকাশ্যে এসেছে। চলতি বছরের মাঝামাঝি সময়ে তাহসান জানান, সৃজিত তারও পছন্দের একজন নির্মাতা।

এদিকে সৃজিত মুখার্জি গায়ক-অভিনেতা তাহসানকে নিয়ে কাজ করার পরিকল্পনার কথা জানালেন। এক অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে এই নির্মাতা বলেন—‘জীবন এক চলমান জলস্রোত। এখানে পরস্পরকে যদি শ্রদ্ধার জায়গায় না রাখতে পারি তবে আমাদের কাছ থেকে কে শিখবে! আর তাহসানের সঙ্গে সিনেমা সহসা না হলেও ওর গানের একটি ভিডিও বা আমার সিনেমায় ওর গানের ব্যাপারে খুব শিগগির একটা কাজ হতে পারে!’

প্রথাগত গল্পের বাইরে গিয়ে সিনেমা নির্মাণ করে থাকেন সৃজিত। সম্পর্কের গতিপথ, রসায়নও সৃজিত তার সিনেমায় ভিন্ন দৃষ্টিতে দেখিয়েছেন। তবে কোন সিনেমায় তাহসানকে নিয়ে কাজ করবেন সে বিষয়ে কিছু জানাননি এই নির্মাতা।

দীর্ঘদিন কলকাতায় শ্বশুরবাড়িতে থাকার পর কয়েকদিন আগে বর সৃজিতকে নিয়ে ঢাকায় এসেছেন মিথিলা। বিশ্ব ভালোবাসা দিবস সৃজিত তার শ্বশুরবাড়ির আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে কাটিয়েছেন। ফাঁকে ফাঁকে কাছের মানুষদের সঙ্গে আড্ডায় মেতে উঠছেন এই তারকা দম্পতি।

পূর্ববর্তী সংবাদ

খাস জমি হিসাবে গণ্য হবে যে সকল ভূমি

প্রত্যেক মৌজার এর ১ নং খতিয়ানভুক্ত সম্পূর্ণ জমি খাস জমি হিসাবে পরিচিত৷ পরিত্যাক্ত কৃষি জমি ১৯৫০ সালের স্টেট একুইজিশন এন্ড টেনান্সি এক্টের বিধান বলে খাস করা হয়ে থাকে৷

পয়স্তিভূমি, নদীতে বা সাগরে ভেঙ্গে যাওয়া জমি পুনরায় জেগে উঠলে এবং নদী বা সাগরে সরে যাওয়ার দরুন জেগে ওঠা ভূমি ১৯৫০ সালের স্টেট একুইজিশন এন্ড টেনান্সি এক্টের ৮৭ ধারা মোতাবেক খাস জমি হিসাবে গণ্য হবে৷

কোন হোল্ডিং বা ইহার অংশ বিশেষ (কৃষি বা অকৃষি যাই হোক) বকেয়া খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের জন্য ১৯১৩ সালের বেঙ্গল পাবলিক ডিমান্ড রিকভারি এক্ট মোতাবেক দায়ের কৃত সার্টিফিকেট মামলায় নিলামকৃত ভূমি সরকার ক্রয় করলে সেই ভূমিও খাস জমি হিসাবে গণ্য হবে৷

যে সব পরিবার বা সংস্থা প্রেসিডেন্টের আদেশ নং ৯৮/১৯৭২ এর ৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ১০০ বিঘার অতিরিক্ত যে সমস্ত ভূমি সরকারের বরাবরে সমপর্ন করেছেন সেগুলি জমিও খাস জমি হিসাবে পরিগণিত হয়েছে৷

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪৩ অনুচ্ছেদে (১) এর গ উপ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বলা হয়েছে যে বাংলাদেশে অবস্থিত প্রকৃত মালিকাবিহীন যে কোন সম্পত্তি উক্ত অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পতিত ভূমি/খালি ভূমি বা খাস ভূমি হিসাবে গণ্য হবে৷

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার