তালায় নবাগত ও বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা’র সংবর্ধনা

Img

তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেনের যোগদান ও সাজিয়া আফরীনের বিদায় উপলক্ষ্যে গতকাল ৩১ জুলাই সকালে তালা উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।  

তালা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমারের সভাপতিত্বে বিদায়ী  ও নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, তালা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) খন্দকার রবিউল ইসলাম, তালা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মেহেদী রাসেল, পাটকেলঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রেজাউল ইসলাম, উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান ও তালা প্রেসকাবের সাধারণ সম্পাদক সরদার মশিয়ার রহমান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মুর্শিদা পারভীন পাপড়ী, তালা প্রেসকাবের সভাপতি প্রভাষক প্রনব ঘোষ বাবলু, উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম, প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার, বনবিভাগ কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, ইসলামকাটি ইউপি চেয়ারম্যান প্রভাষক সুভাস সেন, তেঁতুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, খলিলনগর ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান রাজু প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা  সুধাংশু শেখর। 

উল্লেখ্য, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেনকে দেবহাটা থেকে তালায় এবং সাজিয়া আফরীনকে তালা থেকে দেবহাটায় বদলী করা হয়েছে।

পূর্ববর্তী সংবাদ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাসপোর্ট অফিসে সাজানো বাবা-মাসহ রোহিঙ্গা কিশোরী আটক

বাংলাদেশি নাগরিকের জন্মসনদ নিয়ে পাসপোর্ট করতে গিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মরিজান (১৭) নামে এক রোহিঙ্গা কিশোরীসহ তার সাজানো বাবা-মাকে আটক করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। 

রোহিঙ্গা কিশোরীর সাজানো বাবা- মা দুইজন হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের নেমতাবাদ গ্রামের মোখলেছুর রহমান (৫০) ও আখাউড়া উপজেলার মনিয়ন্দ ইউনিয়নের গিরিশনগর গ্রামের লিপা বেগম (৩৮)।

মরিজান কক্সবাজারের কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা। সে মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যের জাকেরের মেয়ে। তবে কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে পাওয়া জন্মসনদে মরিজানের নাম মোছাম্মৎ তানজিনা আক্তার ও বাবার নাম মো. মোখলেছ মুন্সী।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক মো. জামাল হোসেন জানান, দুপুরে পাসপোর্ট করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে আমার কাছে আসে ওই রোহিঙ্গা কিশোরী। তার সঙ্গে কথা বলার সময় সন্দেহ হলে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে সে রোহিঙ্গা নাগরিক। পাসপোর্ট করার সময় যেন আমরা সন্দেহ না করি সেজন্য সাজানো বাবা-মাকে সঙ্গে নিয়ে এসেছে। পরে তাদের তিনজনকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার