ঢাকা-৫ আসনেও জামানত হারালেন বিএনপির সালাহউদ্দিন

Img

ঢাকা-৫ আসনের উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী কাজী মনিরুল ইসলাম মনু বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৪৫৬৪২ ভোট। অন্যদিকে, বিএনপি প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদ পেয়েছেন ২৯২৬ ভোট। এর আগে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ঢাকা-৪ (শ্যামপুর-কদমতলী) আসনে অংশ নিয়েও জামানত হারান তিনি। 

আজ শনিবার সকাল ৯টায় এ আসনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে শেষ হয় বিকাল ৫টায়। নির্বাচনের মাঠে অধিকাংশ কেন্দ্রেই বিএনপি নেতাকর্মীদের দেখা মেলেনি। এমনকি খুঁজেও পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, সকাল থেকেই ভোট কেন্দ্রের বাইরে সরব ও তৎপর ছিলো আওয়ামী লীগ কর্মীরা।

এদিকে ভোটের উৎসবকে নষ্ট হওয়ার জন্য বিএনপির হাইকমান্ডকে দায়ী করেছেন স্থানীয় জনগণ। প্রার্থী বাছাইয়ে দলটির সিদ্ধান্ত ভুল বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। কারণ সালাহউদ্দিন আহমেদ এই আসনের ভোটারই নন।

এ ছাড়া তিনি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৪ (শ্যামপুর-কদমতলী) আসন থেকে অংশ নেন। এ কারণে ভোট একতরফা হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভোটরা। ফলে ভোটের উৎসবকে নষ্ট হওয়ার জন্য বিএনপির প্রার্থী বাছাইকে দায়ী করছেন নেতাকর্মীরা।

পূর্ববর্তী সংবাদ

অবশেষে ক্যাবল অপারেটরদের ‘ধর্মঘট’ স্থগিত

রোববার থেকে দেশের ইন্টারনেট ও ক্যাবল টিভিসেবা আংশিকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সংযোগদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো। যার ফলে দেশের লাখো গ্রাহক প্রতিদিন তিন ঘণ্টা এই সেবা থেকে বঞ্চিত হতো। 

তবে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার ও একই মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের অনুরোধে পূর্ব ঘোষিত ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে ক্যাবল নেটওয়ার্ক সংগঠনগুলো। 

শনিবার এক ভার্চুয়াল সভায় এ সিদ্ধান্ত জানান কোয়াব ও আইএসপিএবি নেতারা। বৈঠকে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী যুক্ত ছিলেন। 

এতে প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক বলেন, অতি সত্তর এই সমস্যা সমাধানে কার্যকর একটি পদক্ষেপ নেবো। আপনার আপনাদের ইন্টারনেট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন। আপনারা আমাদের জন্য সাতদিন সময় দেন। মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার বলেন, মেয়র ও আইনমন্ত্রী মহোদয় নিশ্চিত করেছেন আর কোন তার কাটা হবে না। সকল গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে জানিয়েছেন বিকল্প কোন ব্যবস্থা না করে তার কাটা ঠিক হবে না।

এমতবস্থায় আপনাদের অনুরোধ করছি আপনারা এই কর্মসূচিটি প্রত্যাহার করেন। আমি বলব আপনাদের আন্দোলনের একটি বিজয় হয়েছে। সরকার ইতোমধ্যে দুই সিটি করপোরেশনকে তার না কাটার জন্য বলেছেন। আমি অনুরোধ করব আপনাদের কর্মসূচি স্থগিত করেন। আমাদের আরো কিছুটা দিন সময় দেন যাতে এই সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নিতে পারি। আমি হাতজোড় করে অনুরোধ করছি আপনাদের কর্মসূচি স্থগিত করেন। আগামীকাল প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি সম্বন্ধে জানবেন এবং সিদ্ধান্ত জানাবেন।

বৈঠকে কোয়াবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এস এম আনোয়ার পারভেজ বলেন, আমরা কখনোই গ্রাহকদের সমস্যায় ফেলতে চাইনি। আমরা করোনাকালে অনেককেই হারিয়েছি। তারপরেও কোন কাজে পিছপা হয়নি। আমরা কর্মসূচি স্থগিত করছি।

আইএসপিএবি প্রেসিডেন্ট আমিনুল হাকিমও কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, রোববার মেয়র মহোদয়ের সঙ্গে বৈঠক আছে। মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় বলেছেন প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত জানাবেন। আমরা আশা করছি সপ্তাহখানেকের মধ্যে সমাধান পেয়ে যাবো।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার