প্রচুর ওষুধি গুণাগুণ সম্পন্ন একটি মসলা দারুচিনি। মসলাটি ঝাল ও মিষ্টিজাতীয় খাবারের স্বাদ বাড়ায়। এর রয়েছে আরও গুণ। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ৩ থেকে ৬ গ্রাম দারুচিনি গুঁড়ায় কমবে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ। পাশাপাশি বাড়বে হজমশক্তিও।

দারুচিনির পানি পান: প্রতিরাতে এক টুকরো দারুচিনি একগ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন সকালে খালি পেটে পান করলে রক্তে ইনসুলিনের মাত্রা বাড়াবে। ফলে কমবে ডায়াবেটিস।

চিনির বদলে দারুচিনি: দারুচিনি মিষ্টিজাতীয় মসলা। কেক, পেস্ট্রি বানাতে চিনির বদলে দারুচিনি গুঁড়ো মেশান।

দারুচিনির গুঁড়া মেশানো চা-কফি: প্রতিদিন সকাল-বিকেলে চা ও কফি তো পান করতেই হয়। ফলে রক্তে চিনি পরিমাণ বাড়তে থাকে। এর থেকে রেহাই পেতে চা-কফিতে চিনির বদলে যোগ করুন দারুচিনি গুঁড়ো। এটি ব্যবহারে চা-কফিতে সুগন্ধও মিলবে।দারুচিনিওটমিলে মিশিয়ে নিন: ওটমিলে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার থাকে। অনেকে ডায়েট হিসেবে এটি খান। তাই পুষ্টিকর ওটমিলে দারুচিনি গুঁড়ো মেশাতে পারেন। এতে দারুচিনি থাকলো, ডায়াবেটিস থেকেও রেহাই মিললো। দারুচিনি দিলে চিনি ও মধু মেশানোর দরকার নেই।

তরকারিতে দারুচিনি: ভারতীয় গৃহবধূরা প্রতি পদ তরকারিতে স্বাদ বাড়াতে একটু চিনি মেশান। এক্ষেত্রে দারুচিনি দিলে চিনি দেওয়া দরকার নেই।

এতদিন তো না জেনেই তরকারিতে শুধু চিনি ব্যবহার করেছেন। এখন তো দারুচিনির গুণাগুণ জানলেন। তাহলে তরকারি স্বাদ আর সুগন্ধ বাড়াতে এটি ব্যবহার শুরু করুন। তার সঙ্গে করুন যোগব্যায়াম। তবে দারুচিনি খাওয়ার আগে একবার বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে পারেন।