ডব্লিউএইচও থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নিলেন ট্রাম্প

বিষয়: করোনাভাইরাস
Img

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বনিবনা হচ্ছিল না অনেক দিন ধরেই। বিশেষত নভেল করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে ‘তথ্য গোপন’ ও চীনের প্রতি ‘পক্ষপাতমূলক’ আচরণেরও অভিযোগ আনা হয়েছিল সংস্থাটির বিরুদ্ধে। এমনকি বৈষম্যমূলক নীতির কারণে সংস্থাটিকে আর্থিক সহায়তা বন্ধ করে দেয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। 

এবার সব বৈরিতাকে সত্যি করে আন্তর্জাতিক চুক্তি ও সংস্থাগুলো থেকে আমেরিকাকে বের করে নেয়ার ধারবাহিকতায় ডব্লিউএইচও থেকেও নিজের দেশকে সরিয়ে নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

গোটা বিশ্ব যখন মহামারি করোনাভাইরাসে এক প্রকার ধ্বংসস্তুপে পরিণত হচ্ছে ঠিক এমন সময় ট্রাম্প প্রশাসন এমন কঠিন সিদ্ধান্ত নিলো। 

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (বাংলাদেশ সময় বুধবার) মার্কিন সরকার জাতিসংঘকে এ সংক্রান্ত এক আনুষ্ঠানিক চিঠি দিয়ে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ডব্লিউএইচও থেকে বের হয়ে যাচ্ছে। 

এর আগে গেল মে মাসে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘আমি মনে করি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা চীনের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে। এই সংস্থাটি চীনের সঙ্গে হাত মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্রসহ গোটা বিশ্বকে করোনাভাইরাসের ব্যাপারে ভুল তথ্য দিয়েছে। তারা তথ্য গোপন করেছে।’

তবে ট্রাম্পের সেই বক্তব্য তখন হালে পানি পায়নি, এমনকি বিশ্ব মোড়লদের প্রায় সব দেশ তাঁর বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছিল।

ডব্লিউএইচও’র বিরুদ্ধে চীনের প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ তুলে গত ১৪ মে সংস্থাটিকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সব ধরনের তহবিল প্রদান বন্ধ করে দিয়েছিলেন ট্রাম্প।

এদিকে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিলেও তা কার্যকর হতে ন্যূনতম এক বছর সময় লেগে যাবে।
 

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার