ঝিনাইদহ ট্রাফিক পুলিশের ব্যতিক্রমী অভিযান

Img

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মহাসড়কের মৃত্যুর মিছিল রোধে ব্যতিক্রমী অভিযান চালিয়েছে ঝিনাইদহ ট্রাফিক পুলিশ। ঈদের পরের দিন থেকে শহরের বাস টার্মিনালে এ অভিযান চালাচ্ছেন তারা।

সোমবার সকালে টার্মিনালে গিয়ে দেখা যায়, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর ও কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাসহ দূরপাল্লার যানবাহনের চালকদের ড্রাইভিং লাইনেন্স পরীক্ষা করা হচ্ছে। যে চালক গাড়ি চালাচ্ছেন তাৎক্ষণিক তার লাইসেন্স না দেখাতে পারলে গাড়ি যেতে দেয়া হচ্ছে না। বৈধ চালক আসার পর গাড়ি ছাড়া হচ্ছে।

ঝিনাইদহের ট্রাফিক পরিদর্শক সালাহউদ্দিন বলেন, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মহাসড়কের অনেক সময় অদক্ষ চালক দিয়ে গাড়ি চালানো হয়। এছাড়াও যাত্রীদের বাড়তি চাপ সামলাতে ফিটনেসবিহীন গাড়ি চালানো হয়। এতে দুর্ঘটনার সংখ্যা বেড়ে যায়। দুর্ঘটনা রোধে চালকদের লাইসেন্স পরীক্ষা করা হচ্ছে। যেসকল চালক লাইসেন্স দেখাতে পারছেন না তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা ও সেই সাথে দক্ষ ও লাইসেন্স প্রাপ্ত চালক দিয়ে সেই গাড়ি পাঠানো হচ্ছে। এছাড়াও মহাসড়কে ইজিবাইক, নসিমন, ভটভটি, আলমসাধুসহ অবৈধ যান চলাচল করতে দেয়া হচ্ছে না।

পূর্ববর্তী সংবাদ

ঝিনাইদহে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে জখম

ঝিনাইদহের শৈলকুপার ভাটই বাজারে দুধসর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মুশফিকুর রহমান উজ্জলকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেছে প্রতিপক্ষরা। আধিপত্য বিস্তারের জেরে রোববার রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

আহত মুশফিকুর রহমান উজ্জল ওই এলাকার মুরাদ আলী বিশ্বাসের ছেলে।

শৈলকুপা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম জানান, উপজেলার দুধসর ইউনিয়নে রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মুশফিকুর রহমান উজ্জল ও ইউপি সদস্য সফি উদ্দিনের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। রাতে ভাটই বাজারে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বসেছিলেন উজ্জল। সে সময় প্রতিপক্ষের বেশ কয়েকজন লোক সেখানে তাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করে। পরে তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এদিকে মুশফিকুর রহমান উজ্জলের ওপর হামলার প্রতিবাদে প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেছে যুবলীগের নেতাকর্মীরা।

শৈলকুপার দুধসর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে ভাটই বাজারে বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক হাফিজুর রহমান হাফিজ, রাজু আহম্মেদ রাজু, শৈলকুপা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শামিম হোসেন মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক শামিম আর রশিদ শামিম, সহ-সভাপতি সামসুজ্জামান তুহিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুজার গিফারী গাফফার, প্রচার সম্পাদক মাহমুদ জুয়েল, অর্থ সম্পাদক মিজানুর রহমান রেন্টু প্রমুখ।

এই হামলার ঘটনার পর ভাটই এলাকার সাবু শাহ, জিম, সাগর, সুজন ফকির, রিজন ফকির, শামিম, রাব্বি, বায়েজিত, শামিম, কামরুল, লিটন, শাহিন, নজরুল, রাব্বি, শফিউদ্দিন, শহিদুল সহ অজ্ঞতনামা ৮/১০ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার বাদী আহত মুশফিকুর রহমান উজ্জ্বলের পিতা মুরাদ আলী।

শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বজলুর রহমান জানিয়েছেন, দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তারের করার চেষ্টা চলছে। কোন অবস্থাতেই আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারীদের ছাড় দেয়া হবে না।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার