কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই রহিমা বেগম মিতা নামের এক নারীকে আয়ারল্যান্ড থেকে ধরে দেশে পাঠিয়ে দেয় সে দেশের ইমিগ্রেশন বিভাগ।

দেশে পৌঁছে তার ওপর অবিচার হয়েছে এমন বিষয়টি সইতে না পেরে ২৩ জানুয়ারি রাতে আÍহত্যার পথ বেছে নেন রহিমা। তবে ভাগ্যক্রমে রশি ছিঁড়ে বেঁচে গেলেও গুরুতর আহত হন রহিমা।

প্রতিবেশীরা তাকে উদ্ধার করে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

জানা গেছে, রহিমা বেগমের পৈতৃক বাড়ি মৌলভীবাজার সদর উপজেলার কামালপুর ইউনিয়নের রায়পুর গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মৃত আহসান হাবিবের মেয়ে। ২০১০ সালের নভেম্বর মাসে স্টুডেন্ট ভিসায় লন্ডন পাড়ি দেন রহিমা। বিদেশে পাড়ি দেয়ার সময় এক ছেলে ও মেয়ে দেশে রেখে যান।

লন্ডনে তিনি প্রায় ৫ বছর অবস্থান করেন। পরে লন্ডন থেকে পাড়ি দেন আয়ারল্যান্ডে। চলতি বছরের ১৭ জানুয়ারি রহিমা বেগম মিতাকে আয়ারল্যান্ড স্থানীয় সময় দুপুর আড়াইটার দিকে তার মালিকানা মিতাস বিউটি শেলুন, ইউনিট ৫, কিলারনি শপিং অরকেড (স্মল টেসকো) ৯৫/৯৬ নিউ স্ট্রিট, কিলারি, কো-কেরি, আয়ারল্যান্ড থেকে ধরে নিয়ে আসে ইমিগ্রেশনের লোক। ২ দিন আটকে রেখে কাতার এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকা শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

এক দিন ঢাকায় অবস্থানের পর তার ছেলে ইমন আহমদ রহিমাকে নিয়ে আসে মৌলভীবাজার।