ডিসি'র নির্দেশে সাংবাদিকের দখলকৃত বসতবাড়ি ভূমি কর্মকর্তার পরিদর্শন

Img

খুলনার পাইকগাছায় কপিলমুনিতে সাংবাদিক’র বসতবাড়ি জায়গা দখল। বৃহস্পতিবার সকালে পরিদর্শন করলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আরাফাতুল আলম। খুলনা জেলা প্রসাশক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন (ডিসি) নির্দেশে দখল সংক্রান্ত বিষয় সরেজমিনে পরিদর্শন করেন তিনি। 

এসময় উপস্থিত ছিলেন- এ্যাসিল্যান্ড পেশকার অতুল জর্দ্দার, কপিলমুনি ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) শেখ হাসমত আলী, অফিস সহকারী লিটু, স্থানীয় সাংবাদিক, সার্ভিয়ার ও স্থানীয়রা। 

উল্লেখ, আদালতের নির্দেশনাকে উপেক্ষা করে খুলনার পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনিতে এক সাংবাদিকের (দৈনিক ‘ভোরের পাতা’ ও বার্তা সংস্থা এফএনএস পাইকগাছা প্রতিনিধি) পৈত্রিক জমি দখল করে অভিজিত সাধু নামক এক প্রভাবশালী ব্যাক্তি স্থাপনা নির্মাণ করছে। এমন রিপোর্ট দৈনিক জাতীয়, আঞ্চলিক, বার্তা সংস্থা ও অনলাইন পত্রিকায় খবর ধারাবাহিক প্রকাশিত হয়েছে। সাংবাদিক মহানন্দ অধিকারী মিন্টু জানান, বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের জানানোর পরও কোনো সমাধান মিলছেনা। দেশের একটি বৃহত্তম পরিবহন সেক্টরের কর্মকর্তা হওয়ার সুবাদে অভিজিত সাধুর এই অনৈতিক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে কেউই কথা বলছেন না। ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার দাবি নিয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছি। 

অভিযোগ ও ভুক্তভোগি পরিবার জানায়, দীর্ঘ ৭০বছর ধরে মিন্টু’র পরিবারের ভোগদখলীয় সম্পত্তিতে নজর পরে ঈগল পরিবহনের ম্যানেজার হিসেবে পরিচিত উপজেলার কপিলমুনি এলাকার প্রভাবশালী ব্যাক্তি অভিজিত সাধুর। বিভিন্ন ভাবে জমি দখলে নেয়ার চেষ্টা চালানো হয়। এক পর্যায়ে গত বছরের ২৫ নভেম্বর মিন্টু পরিবারের রেকর্ডী ও ভোগদখলীয় বসত বাড়ীর জায়গায় দাঙ্গা হাঙ্গমা ও ত্রাসসৃষ্টি করে জোর পূর্বক প্রায় ২২শতক জায়গা জুড়ে পাকা পিলায় ও কাঁটা তারের বেড়া দেয়া হয়। পরে ওই জমিতে লাগানো মূল্যবান ফলদ ও বনজ বৃক্ষাদি গাছ কেটে ফেলা হয়। এমনকি মিন্টুসহ তার পরিবারের ৮জনের নামে থানায় মিথ্যা মামলা দিয়ে প্রায় ২২শতক জায়গা জুড়ে উচ্চ প্রাচীর দিয়ে স্থাপনা নির্মাণ করছে। ২৭ ডিসেম্বর পাইকগাছা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত উভয় পক্ষের আইনজীবির উপস্থিতে জমি পরিমাপের জন্য মৌখিক আর্দেশ প্রদান করেন। কিন্তু অভিজিৎ জমি মাপতে রাজি হননি। 

এ বিষয় কপিলমুনি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আরাফাতুল আলম এর নিকট সাংবাদিক মিন্টু তার জমিজমা সংক্রান্ত সকল কাগজপত্র দেখাতে পারলেও অভিজিৎ গং ভূমি সংক্রান্ত কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। 

এ বিষষ সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আরাফাতুল আলম সাংবাদিকদের জানান, অতি সম্প্রতি প্রাচীর নির্মাণ করা হয়েছে। 

জমি মাপজোপ এর ব্যাপারে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ব্যাক্তি সম্পত্তি আমারা সেভাবে কাজ করতে পারিনা। যেহতু উচ্চ আদালতে মামলা চলমান নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নতুন করে কোনো নির্মাণ কাজ না করতে অভিজিৎ গংদের নির্দশনা প্রদান করেন।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার