জুয়ার নেশায় সংসার শেষ। এবার ভারতের উত্তর প্রদেশে ঘটল এমনই এক রোমহর্ষক ঘটনা। স্বামীর জুয়ার নেশায় লাঞ্ছনার শিকার হলেন স্ত্রী। জুয়ায় হেরে সমস্ত টাকা খুইয়ে বন্ধুদের কাছে স্ত্রীকেই জুয়ায় বাজি রাখেন স্বামী। শর্ত ছিল, জুয়ায় হারলে ওই ব্যক্তির বন্ধুরা তার স্ত্রীকে গণধর্ষণ করবে। এই সর্বনাশা বাজির শর্তানুসারে স্বামীর বন্ধুদের দ্বারা গণধর্ষণের শিকার হন গৃহবধূ। 

এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে উত্তর প্রদেশের জৌনপুরে। 

মদ এবং জুয়া যে কতটা ভয়ংকর হতে পারে, তা আরও একবার প্রমাণিত হলো। মদ্যপ অবস্থায় বন্ধুদের সঙ্গে জুয়ায় মত্ত হয়ে যান স্বামী। মদের নেশায় সর্বস্ব খুইয়ে শেষমেশ স্ত্রীকেই বাজি ধরে বসেন তিনি। 

ওই নারীর অভিযোগ, তার স্বামীর বন্ধু অরুণ ও অনিল প্রায়ই তাদের বাড়িতে জুয়া খেলতে আসেন। একইসঙ্গে চলে মদের আসর। ওইদিন তাদের কাছে তাকেই বাজি ধরেন স্বামী। জুয়ার আসরে হারের পরই ওই দুজন তাকে ধর্ষণ করেন।

জানা গেছে, ঘটনার পরই নিজের মামার বাড়ি চলে যান ওই নারী। স্ত্রীর কাছে ক্ষমা চেয়ে তাকে ফিরিয়ে আনতে সেখানে গিয়েও হাজির হন ওই ব্যক্তি। স্বামীর কথায় শ্বশুরবাড়ি ফিরতেও রাজি হয়ে যান তিনি। কিন্তু মাঝরাস্তায় গাড়ি থামিয়ে ফের বন্ধুদের দিয়ে স্ত্রীকে ধর্ষণ করান ওই ব্যক্তি।

ঘটনার পর নিজেই থানায় গিয়ে স্বামীর নামে অভিযোগ জানান স্ত্রী। কিন্তু পুলিশ তার অভিযোগ নিতে অস্বীকার করে। এই পরিস্থিতিতে স্বাভাবিকভাবেই মুষড়ে পড়েন তিনি। কিন্তু হাল না ছেড়ে আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি। শেষে আদালতের নির্দেশে জৌনপুর জেলার জাফারাবাদ থানার পুলিশ নির্যাতিতার অভিযোগ গ্রহণ করে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমেছে পুলিশ।