জাতীয় স্লোগান ‘জয় বাংলা’

Img

‘জয় বাংলা’-কে জাতীয় স্লোগান করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তিন মাসের মধ্যে রায় বাস্তবায়ন করে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশও দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার বেলা ১২ টার দিকে বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান এ রায় দেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে অনুপ্রেরণা যোগানো স্লোগান ‘জয় বাংলা’ কেন জাতীয় স্লোগান হিসেবে ঘোষণা করা হবে না-এ মর্মে জারি করা রুলের ওপর এই রায়ে দেয়া হয়। 

২০১৭ সালের ৪ ডিসেম্বর ‘জয় বাংলা’কে কেন জাতীয় স্লোগান ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। পরে ওই রুলের ওপর গত বছরের ৪ ডিসেম্বর বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি শুরু হয়।

শুনানিতে ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম, ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, আজমালুল হক কিউসি ও এম আমিন উদ্দিনসহ জ্যেষ্ঠ আইনজীবীরা জয় বাংলাকে জাতীয় স্লোগান করার পক্ষে আদালতে তাদের মতামত তুলে ধরেন।

পূর্ববর্তী সংবাদ

রাজধানীর যেসব হাসপাতালে পাওয়া যাবে করোনার চিকিৎসা

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহজনক রোগীদের জন্য রেফারেন্স হাসপাতাল হিসেবে দেশের কয়েকটি হাসপাতাল নির্দিষ্ট রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।  সোমবার থেকে চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু হয়েছে হাসপাতালগুলোতে। 

এই হাসপাতালগুলো হলো, মুগদা জেনারেল হাসপাতাল, কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল, মহানগর জেনারেল হাসপাতাল, সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল ও কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল।

এদিকে করোনাভাইরাস সংক্রান্ত তথ্য জানাতে মহাখালীর রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) মহাপরিচালক মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, নিয়মিত চারটি হটলাইন নম্বরের পাশাপাশি আরও আটটি নম্বর যোগ করা হয়েছে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য ১৬২৬৩ নম্বরেও কল করে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত তথ্য জানা যাবে। তাছাড়া দেশে নতুন করে কোনো করোনো ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়নি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে কোভিড-১৯ পরিস্থিতি ১ থেকে ৩ এ উন্নীত হওয়ায় হটলাইনের সংখ্যা চারটি থেকে বাড়িয়ে ১২টি করা হয়েছে।

চালু করা হটলাইনের নম্বরগুলো হলো- ০১৪০১১৮৪৫৫১, ০১৪০১১৮৪৫৫৪, ০১৪০১১৮৪৫৫৫, ০১৪০১১৮৪৫৫৬, ০১৪০১১৮৪৫৫৯, ০১৪০১১৮৪৫৬০, ০১৪০১১৮৪৫৬৩, ০১৪০১১৮৪৫৬৮, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯৩৭১১০০১১।

এছাড়া ভাইরাস প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে জেলা/উপজেলা পর্যায়ে মাল্টিসেক্টরাল কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি জেলা সদর ও উপজেলা পর্যায়ে এক বা একাধিক সুবিধাজনক স্থান বা প্রতিষ্ঠানে কোয়ারেন্টাইন ব্যবস্থার জন্য প্রস্তুত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সূত্র-আরটিভি, জনকন্ঠ, পূর্বপশ্চিম
 

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার