জনগণের দোরগোরায় সেবা প্রদান নিশ্চিতকরণে ‘৩৩৩’ কলসেন্টার চালু

Img

জনগণের দোরগোরায় সেবা প্রদান নিশ্চিতকরণে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টার নিদের্শনায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রাম আয়োজিত নাগরিকদের জন্য সরকারের কেন্দ্রীয় তথ্য, সেবা ও অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়নের জন্য কলসেন্টার ‘৩৩৩’ চালু করা হয়েছে।

বাংলাদেশের নাগরিকরা ৩৩৩ ও প্রবাসীরা ০৯৬৬৬৭৮৩৩৩ নম্বরে কল করে সরকারি সেবা প্রাপ্তির পদ্ধতি, জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মচারীদের সাথে যোগাযোগ তথ্য, পর্যটন আকর্ষণযুক্ত স্থানসমূহ, জেলা সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য জানতে পারছে। তথ্য জানার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক সমস্যার প্রতিকারে নাগরিকরা জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করতে পারছে।

এছাড়াও ৩৩৩ এর SMS,Push-Pull SMS & USSd প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য প্রদান ও যাচাই সেবা চালু রয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর নাগরিক সেবার তথ্য প্রদান ও অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম ৩৩৩ নম্বরে কলের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করছে।

পূর্ববর্তী সংবাদ

কেসিসি’র ৮৬৫ কোটি ৫৪ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা

খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি) চলতি ২০১৯-২০ অর্থ বছরের জন্য ৮৬৫ কোটি ৫৪ লাখ তিন হাজার টাকার বাজেট ঘোষণা করেছে। কেসিসি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক আজ (বুধবার) দুপুরে নগর ভবনের শহীদ আলতাফ মিলনায়তনে এ বাজেট ঘোষণা করেন।

প্রস্তাবিত এ বাজেটে রাজস্ব ব্যয় ধরা হয়েছে ১৬৯ কোটি ৮২ লাখ ২৬ হাজার টাকা এবং সরকারি বরাদ্দ ও উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা হতে উন্নয়ন খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৯৫ কোটি ৭১ লাখ ৭৭ হাজার টাকা।

উল্লেখ্য, ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬৩৭ কোটি ৯ লাখ ৮৬ হাজার টাকা। সংশোধিত বাজেটে এর আকার দাঁড়িয়েছে ২৯৮ কোটি ৮৩ লাখ ১৪ হাজার টাকা। লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের হার ৪৬.৯০ শতাংশ।

বাজেট ঘোষণাকালে সিটি মেয়র বাজেটের মূল বৈশিষ্টগুলো তুলে ধরে বলেন, এ বাজেটে নতুন কোন কর আরোপ করা হয়নি। নিজস্ব আয়ের উৎস সম্প্রসারণের মাধ্যমে কর্পোরেশনের আয় বৃদ্ধির পরিকল্পান নেয়া হয়েছে। ব্যয়ের খাত হিসেবে সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, শহর রক্ষাবাঁধ নির্মাণ, বর্জ্যব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, নাগরিকসেবা সম্প্রসারণ, মশকনিধন, স্বাস্থ্যব্যবস্থাপনার উন্নয়ন বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। খুলনার উন্নয়নে সরকারের বিশেষ দৃষ্টি আছে জানিয়ে মেয়র বলেন, জলাবদ্ধতা থেকে নগরবাসীকে পরিত্রাণ দেওয়ার নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করা হবে। অর্থ সংস্থানের জন্য একটি স্ব-শাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে খুলনা সিটি কর্পোরেশন কেবল সরকারি বা বিদেশি সাহায্য ও ঋণের ওপর নির্ভরশীল থাকতে পারে না। নিজস্ব আয়ের ওপর নির্ভর করে নিজের পায়ে দাঁড়ানো আজ সময়ের দাবি।

কেসিসি মেয়র জানান, কেসিসির নিজস্ব সংস্থাপন ব্যয় মিটিয়ে এবং ব্যয় সংকোচন করে রাজস্ব তহবিল হতে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক খাতে মোট ৬১ কোটি ৪১ লাখ ৪২ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির জন্য থোক বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৭১ কোটি ৯৯ লাখ ২০ হাজার টাকা। উক্ত বরাদ্দ হতে পূর্ত খাতে ৪২ কোটি ২৫ লাখ টাকা, ভেটেরিনারি খাতে ২৫ লাখ টাকা, জনস্বাস্থ্য খাতে ১০ কোটি ৪০ লাখ টাকা, কঞ্জারভেন্সি খাতে ১৬ কোটি ৫৯ লাখ ২০ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। নগরীতে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের দায়িত্ব খুলনা ওয়াসার হলেও বিশেষ প্রয়োজনে জরুরি পানির চাহিদা মেটানোর জন্য গভীর ও অগভীর নলকূপকে সাবমারসিবল পাম্পে রূপান্তর করার জন্য এখাতে দুই কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। তিনি আরও জানান, বর্তমানে সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বিভিন্ন দাতা সংস্থার ১০টি উন্নয়ন প্রকল্প চলমান রয়েছে এবং দুইটি প্রকল্পের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এসব প্রকল্পে ২০১৯-২০ অর্থ বছর ১৩৪ কোটি ৬৫ লাখ ৫২ হাজার টাকার উন্নয়ন সহায়তা পাওয়ার আশা করা যায়।

বাজেট অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন কেসিসির অর্থ ও সংস্থাপন বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও কাউন্সিলর শেখ মোঃ গাউসুল আজম। এ সময় কেসিসির কাউন্সিলর, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, সরকারি কর্মকর্তা, কেসিসির উর্ধ্বতন কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার