ছেলেকে জেল থেকে সরাতে ৩৫ ফুট সুড়ঙ্গ খুঁড়লেন মা!

Img

সম্বল বলতে ছিলো একমাত্র ছেলেই। ৫১ বছরের নারী এই ছেলেকে নিয়েই বেঁচে ছিলেন। কিন্তু খুনের অপরাধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয় তার ছেলের। সেই ছেলেকে জেল থেকে পালাতে সাহায্য করতে গিয়ে অদ্ভুত কাণ্ড ঘটিয়ে ফেললেন মা। 

তিনি ৩৫ ফুট লম্বা ও ১০ ফুট চওড়া সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ফেললেন। ছেলের জেল হওয়ার পর জেলের কাছেই একটি বাড়ি ভাড়া নেন ওই ৫১ বছর বয়সী নারী। সারাদিন তিনি ঘরের মধ্যেই থাকতেন। যাতে আশপাশের লোক নতুন প্রতিবেশীর সঙ্গে আলাপ পরিচয় না করতে আসে। 

আর রাতে সবাই ঘুমিয়ে পড়লে সাইলেন্সার লাগানো ইলেকট্রিক স্কুটার দিয়ে মাটি খোঁড়ার কাজ করতেন তিনি। রাতেই সেই মাটি সরিয়ে ফেলতেন। কারো যাতে সন্দেহ না হয়, তাই রাতে সুড়ঙ্গ খুঁড়তেন তিনি। 
জেলের মাঠ পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছিল তার সুড়ঙ্গ। 

তবে শেষ রক্ষা হয়নি। পুলিশের কাছে ধরা পড়ে যান ইউক্রেনের এই নারী। তাকেও গ্রেফতার করেছে ইউক্রেন পুলিশ। তবে ছেলের জন্য মায়ের এই কাজ দেখে অবাক সকলে। খবর নিউজ ১৮।

পূর্ববর্তী সংবাদ

মারা গেছেন চিত্রনায়ক সাত্তার

ঢাকাই সিনেমার ইতিহাসে এক মাইলফলক সিনেমার নাম ‘রঙিন রূপবান’। এ ছবি দিয়ে সারাদেশে তুমুল জনপ্রিয়তা পান চিত্রনায়ক সাত্তার। তিনি না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন। তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর।

মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে সাত্তারের স্ত্রী কাকলী সাত্তার গণমাধ্যমকে বলেন, সন্ধ্যায় রাজধানীর গ্রিনলাইফ মেডিকেল কলেজের আইসিইউতে নেওয়ার সময় তার মৃত্যু হয়। ২০১২, ২০১৫ ও ২০১৮ সালে তিনবার ব্রেনস্টোকে আক্রান্ত হন চিত্রনায়ক সাত্তার। তারপর থেকে তিনি প্যারালাইজড হয়ে যান। পাশাপাশি একাধিক রোগ তার শরীরে ভর করে। বিশেষ করে গত দুই বছর ধরে সাত্তার বিছানায় পড়েছিলেন।

কাকলী সাত্তার জানান, বছর ছয়েক আগে প্রধানমন্ত্রী তাকে ৩০ লাখ টাকা অনুদান দিয়েছিলেন। সেই টাকায় চিকিৎসা ও সংসার চলতো সাত্তারের। শেষ ইচ্ছে অনুযায়ী নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ এলাকায় পারিবারিক গোরস্থানে নায়ক সাত্তারকে দাফন করা হবে।

চলচ্চিত্রে সাত্তারের প্রথম উপস্থিতি ১৯৬৮ সালে। লোকজ গল্পের সিনেমায় তিনি দারুণ সাফল্য পেয়েছিলেন। ইবনে মিজানের ‘আমির সওদাগর ও ভেলুয়া সুন্দরী’ ছবিতে শিশুশিল্পীর চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। তার নায়ক হয়ে ওঠার ঘটনা আরো পরে।

১৯৮৪ সালে ‘নতুন মুখের সন্ধানে’ প্রতিযোগিতা থেকে বেরিয়ে কাজ করেন কাজী হায়াৎ-এর ‘পাগলী’ ছবিতে। আজিজুর রহমানের ‘রঙ্গিন রূপবান’, ‘অরুন বরুণ কিরণ মালা’, ‘কাঞ্চন মালা’, ইবনে মিজানের ‘পাতাল বিজয়’, চাষী নজরুল ইসলামের ‘শুভদা’, মিলন চৌধুরীর ‘রঙ্গিন সাত ভাই চম্পা’সহ সাত্তার অভিনীত চলচ্চিত্র সংখ্যা প্রায় দেড় শতাধিক।

দীর্ঘ ক্যারিয়ারে শাবানা থেকে শুরু করে রোজিনা, অঞ্জু, জিনাত, কবিতা, অলিভিয়া, রানীসহ অনেক সুপার হিট নায়িকার নায়ক ছিলেন সাত্তার। তার মৃত্যুতে সিনেমাপাড়ায় শোক নেমে এসেছে।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার