চিকিৎসা করতে গিয়ে অবাক ডাক্তার, রোগীর দেহে ৩ কিডনি!

Img

বেশ দীর্ঘদিন ধরেই কোমরে ব্যথা। প্রথম প্রথম খুব একটা গুরুত্ব না দিলেও কিছুতেই কমছিল না কোমরের যন্ত্রণা। তাই শেষমেষ উপায়ান্তর না দেখে ডাক্তারের স্মরণাপন্ন হলেন ৩৮ বছরের তরতাজা যুবক। আর কোমরে ব্যথার চিকিৎসা করাতে গিয়ে ওই যুবক জানতে পারলেন তার দেহে দুটি নয়, রয়েছে তিনটি কিডনি! মেডিকেল ইতিহাসে এমন ঘটনা এখন পর্যন্ত একশোটিরও কম।

ঘটনাটি ঘটেছে ব্রাজিলের সাও পাওলোতে। কোমরে ব্যথার জন্য ডাক্তার দেখালে তার সিটি স্ক্যান করা হয়। সেখানে দেখা যায় তার ‘স্লিপ ডিস্ক’ হয়েছে। আর পাশাপাশি সিটি স্ক্যানে ধরা পড়ে ওই ব্যক্তির তিনটি কিডনি রয়েছে। তার বামপাশের কিডনিটি স্বাভাবিক। কিন্তু ডানপাশে দুটি কিডনি রয়েছে এবং তা একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত। কিডনি দুটিও রয়েছে পেলভিসের কাছে।

ডাক্তাররা জানিয়েছেন, ওই ব্যক্তির তিনটি কিডনি থাকলেও সবকয়টি একেবারে স্বাভাবিক। কোমরে ব্যথার কারণ স্লিপ ডিস্ক। সাধারণ ক্ষেত্রে কিডনি মূত্র থলির সঙ্গে মূত্রনালির মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে। কিন্তু ওই ব্যক্তির ক্ষেত্রে জোড়া কিডনির একটি থেকে মূত্রনালী বেরিয়ে মূত্রথলিতে মিশেছে। জোড়া কিডনির অন্যটি থেকে একটি মূত্রনালী বেরিয়ে স্বাভাবিক কিডনি থেকে বেরোনো মূত্রনালির সঙ্গে মিশেছে। তারপর তা গিয়ে মূত্রথলিতে মিশেছে।

চিকিৎসকদের অনুমান, ওই ব্যক্তি মাতৃগর্ভে ভ্রূণ রূপে থাকার সময়েই এই অতিরিক্ত কিডনিটি তৈরি হয়। সাধারণ ক্ষেত্রে মানুষ এই অতিরিক্ত কিডনির উপস্থিতির কথা জানতে পারে না। এই ক্ষেত্রেও ওই ব্যক্তির আলাদা কোনও ব্যথা-বেদনা ছিল না। যদি না তার স্লিপ ডিস্ক হতো, তাহলে হয়তো তিনি কখনই জানতে পারতেন না তার তিনটি কিডনি। তবে এই তিনটি কিডনি থাকার ঘটনা খুবই বিরল।

পূর্ববর্তী সংবাদ

নেত্রকোনায় শিশু অপহরণের দায়ে অটোরিক্সা চালক আটক

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া এক কন্যা শিশুকে অপহরণের দায়ে আশিক (৩০) নামের এক অটোরিক্সা চালককে আটক করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

বুধবার (৬ মে) শিশু অপহরণের অভিযোগে অটোরিক্সা চালক আশিকের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়েরের পর তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার উপজেলার মাঘান এলাকা থেকে আশিককে আটক করে এবং অপহৃত শিশুকে উদ্ধার করে মোহনগঞ্জ থানা পুলিশ।

অভিযুক্ত অটোরিক্সা চালক উপজেলার বড়কাশিয়া বিরামপুর ইউনিয়নের সোনারাম পুর গ্রামের মৃত দুলাল মিয়ার ছেলে। অপহৃত শিশুটি খালিয়াজুড়ি উপজেলার ইছাপুর গ্রামের বকুল শেখের মেয়ে।

জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে অটোরিক্সা চালক আশিক ইছাপুর রাস্তা হতে বকুল শেখের চতুর্থ শ্রেণিতে পুড়ুয়া কন্যাকে মুখে চেপে ধরে মোহনগঞ্জের উদ্দেশ্য নিয়ে আসে। পরে মাঘান এলাকায় আসলে স্থানীয় গোলাম মোস্তফা মেম্বারের সহায়তায় অটোরিক্সাসহ আশিককে আটক করে মোহনগঞ্জ থানা পুলিশ।

মোহনগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল আহাদ খাঁন জানান, কোমলমতি শিশুটি অপহরণ থেকে আল্লাহর রহমতে ও মোহনগঞ্জ থানা পুলিশের তৎপরতায় রক্ষা পেল। অভিযুক্ত অটোরিক্সা চালক আশিকের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়েরের পর তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার