চলে গেলেন মহানায়ক দীলীপ কুমারের ছোট ভাই

Img

বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা দিলীপ কুমারের ছোট ভাই এহসান খান আর নেই। তার বয়স হয়েছিল ৯০। হিন্দুস্তান টাইমসের প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে মুম্বাইয়ের লীলাবতি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এহসান খান।

তিনি করোনায় আক্রান্ত ছিলেন। এছাড়া হৃদরোগ, হাইপারটেনশন, অ্যালঝেইমারসহ নানা রোগে ভুগছিলেন।

দিলীপ কুমারের পারিবারিক বন্ধু ফয়সাল ফারুকী মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারে লিখেছেন, ‘দিলীপ সাহেবের ছোট ভাই এহসান খান কয়েক ঘণ্টা আগে মারা গেছেন।

এর আগে তার সবচেয়ে ছোট ভাই আসলাম মারা যায়। সৃষ্টিকর্তা আমাদের সৃষ্টি করেছেন এবং আমরা তার কাছেই ফিরে যাব। তাদের জন্য প্রার্থনা করুন।’ শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে গত মাসে আসলাম ও এহসান খানকে লীলাবতি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে দু’জনই কোভিড-১৯ টেস্টে পজিটিভ হন। এরপর করোনা ওয়ার্ডে তাদের চিকিৎসা চলছিল।

পূর্ববর্তী সংবাদ

ভারত নেয়া হচ্ছে কণ্ঠশিল্পী আকবরকে

নানাবিধ রোগে ভুগছেন কণ্ঠশিল্পী আকবর। গত ঈদুল আজহার পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। কোমর থেকে শরীরের নিচ পর্যন্ত অবশ হয়ে যায়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় গত ১৭ আগস্ট নগরীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাকে। সেখানে দুই সপ্তাহের বেশি সময় চিকিৎসা নেওয়ার পর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) তাকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কিডনি রোগের উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতের চেন্নাইতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে আকবরকে।

আজ (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে আকবরের স্ত্রী কানিজ ফাতেমা বলেন, এখন শারীরিক অবস্থা কিছুটা ভালো। অল্প হাঁটাচলাও করতে পারছেন। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী ভারতের চেন্নাইয়ে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছি। মেডিক্যাল ভিসার জন্য আবেদন করেছি। ভিসা প্রসেসিং হতে এক সপ্তাহের মতো সময় লাগবে। চেন্নাইয়ের অ্যাপোলে হাসপাতালে আকবরের কিডনি রোগের চিকিৎসা হবে। কিন্তু অর্থনৈতিক সংকট দেখা দিয়েছে আকবরের পরিবারে। এই পরিস্থিতিতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছেন জনপ্রিয় উপস্থাপক হানিফ সংকেত।

এ প্রসঙ্গে কানিজ ফাতেমা বলেন, হানিফ সংকেত স্যার ব্যক্তিগতভাবে অর্থনৈতিকভাবে সহযোগিতা করছেন। গত বছর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আকবরকে চিকিৎসার জন্য ২০ লাখ টাকা (সঞ্চয়ী পত্র) অনুদান দেন। সেই অনুদানের টাকায় স্বামীর চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছিলেন কানিজ ফাতেমা।

খুলনার পাইকগাছায় জন্ম আকবরের। তবে বেড়ে উঠেছেন যশোরে। সেখানে রিকশা চালাতেন। ছোটবেলায় গানের হাতেখড়ি না হলেও ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদির মাধ্যমে ওঠে আসা আকবরের ভরাট কণ্ঠ শ্রোতাদের মন কাড়ে। কিশোর কুমারের ‘একদিন পাখি উড়ে যাবে যে আকাশে’ শিরোনামের গানটি গেয়ে রাতারাতি পরিচিতি পান আকবর। পরবর্তীতে ‘তোমার হাত পাখার বাতাসে’ গানটি গেয়ে দর্শক মাত করেন এই শিল্পী।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার