চট্টগ্রামে ৫০ চিকিৎসককে করোনা ইউনিটে পদায়ন

Img

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৫৬ জন চিকিৎসককে কয়েকদিন আগে বদলির ঘোষণা দেয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। পরে সাময়িকভাবে সেই বদলির আদেশ স্থগিত করা হয়। তবে মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) নতুন এক প্রজ্ঞাপনে আগের চিকিৎসকদের মধ্য থেকে ৫০ জনকে পুনরায় নতুনভাবে পদায়ন করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. হাসান শাহরিয়ার কবির স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এসব চিকিৎসককে পদায়ন করা হয়। এর মধ্যে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক (মেডিসিন) ডা. হাবিব হাসান, ডা. মো. মাহমুদুর রহমান চৌধুরী, ডা. আয়েশা বেগম (পেডিয়াট্রিক) ও মো. তৌহিদুর রহমানকে (ডার্মাটোলজি) চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে পদায়ন করা হয়েছে।

এছাড়া ডা. মিত্রা দত্ত বিআইটিআইডিতে, ডা. একরামুল আজম কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে, ডা. মো. জাবেদ মিন আমিন ফেনী জেলা সদর হাসপাতালে, ডা. মো. শফিউল হায়দার চৌধুরী ফেনী জেলা সদর হাসপাতালে, ডা. সত্যজিৎ মল্লিক চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে, ডা. হিরন্ময় দত্ত চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে, ডা. মো. মাসউদুর রহমান খান ও ডা. মো. হোসেন সাদাত পাটোয়ারিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে পদায়ন করা হয়।

পদায়নের আদেশ পাওয়া বাকিদের মধ্যে ডা. মো. আবদুর রহিম, ডা. মো. আমানুল হক, ডা. আবুল কালাম মো. মহিউদ্দিন ও ডা. মোস্তফা নূর মহসিনকে কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতাল, ডা. রাজীব বিশ্বাস ও ডা. অপরূপ কান্তি দাশকে নোয়াখালীর শহীদ বুলু স্টেডিয়াম কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালে, ডা. মাকসুদুল করিম ও ডা. মো. শাহীনকে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে, ডা. কাজল কান্তি দাশ ও ডা. মো. এমরান হোসেনকে বান্দরবান সদর হাসপাতালে, ডা. মো. মঈন উদ্দিন চৌধুরী ও ডা. মো. খোরশেদুল আলমকে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে, ডা. মো. রফিক উদ্দিনকে রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে, ডা. বৈশাখী ভৌমিক, ডা. হাফছা হাছিনা, ডা. পারভীন আকতার, ডা. সুস্মিতা চৌধুরীকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, ডা. শাম্মী আকতারকে বিআইটিআইডিতে, ডা. পলাশ চন্দ্র বণিক ও ডা. মাহমুদ শাহ আবরারকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে, ডা. সাখাওয়াত আহম্মদ নাছির ও ডা. রুমেলা রেজাকে রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে, ডা. রাকেশ কুমার দাশ, ডা. মো. আব্দুস সালাম চৌধুরী, ডা. মো. আবু হানিফ চৌধুরী, ডা. আবুল হাসান মু. শহীদুল্লাহ, ডা. এন এম মঞ্জুরুল কাদের চৌধুরী, ডা. সীমান্ত ওয়াদ্দাদারকে কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতালে, ডা. মো. আবু কাউছার ও ডা. চিন্ময় বড়ুয়াকে ফেনীর দাগনভূঁইয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেেক্সে, ডা. কাজী শামিনাহ উম্মে সালমা ও ডা. উম্মে কুলসুমকে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, ডা. সুপ্রিয়া দাশ ও ডা. ইসমত সুলতানাকে কক্সবাজারের রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, ডা. মুনতাহিনা মাহমুদা ও ডা. বনানী বড়ুয়াকে রাউজানের সুলতানপুরের ৩১ শয্যার হাসপাতালে এবং ডা. উম্মে তাসলিমা জাহান ও ডা. দেবযানী বড়ুয়াকে ফটিকছড়ির বিবিরহাট ২০ শয্যার হাসপাতালে পদায়ন করা হয়েছে।

পূর্ববর্তী সংবাদ

বিশ্বের সবচেয়ে দামি খাবার

১. আয়াম সিমানি মুরগী: 
একটা মুরগীর দাম ২ হাজার ৫০০ ডলার। আর বাচ্চা কিনলে ১৯৯ ডলারে পাওয়া যাবে। এটি ইন্দোনেশিয়ায় পাওয়া যায়। খুবই বিরল প্রজাতির মুরগী। 

২. নীল পাখনা টুনা মাছ: 
এক পাউন্ডের দাম পড়বে সাড়ে তিন হাজার ডলার। এ টুনা মাছের মাংস গোলাপী লাল বর্ণের। জাপানের বিখ্যাত রেসিপি সুশি ও সাশিমি গত দুই বছরে রেকর্ড পরিমাণ বিক্রি হয়েছে। তবে বিলুপ্তপ্রায় এ প্রজাতির টুনা মাছ শিকারে পরিবেশ আন্দোলনকর্মীদের চরম আপত্তি আছে। 

৩. কপি লুয়াক কফি: 
এক পাউন্ডের দাম ১০০ থেকে ৬০০ ডলার। বিশ্বের সবচেয়ে দামি কফি। তবে এর উৎপাদন প্রক্রিয়া নিয়ে অনেকের আপত্তি আছে। কারণ বানর জাতীয় একটি প্রাণী এ কফি ফল খেয়ে মলত্যাগ করলে তা সংগ্রহ করে ধুয়ে শুকিয়ে বাজারজাত করা হয়। 

৪. টোয়াক চকোলেট: 
এক আউন্সের দাম ২৬০ ডলার। ওয়াল স্ট্রিটের এক ব্যাংকার ইকুয়েডরে এ চকোলেট আবিষ্কার করেন। এতে আছে ৮১ শতাংশ খাঁটি কোকো। 

৫. আনারস: 
একটা আনারসের দাম ১৬ হাজার ডলার! যুক্তরাজ্যের ভিক্টোরিয়ার যুগের নিয়ম অনুসারে এ আনারস চাষ করা হয়। এ আনারস পাকতে পাক্কা এক বছর লাগে। দ্য লস্ট গার্ডেনস অব হেলিগানে এটি চাষ হয়। তবে বিক্রি করা হয় না। শুধু প্রতিষ্ঠানে স্টাফদের কপালেই জোটে এটি। 

৬. আজিঘ ডাটা: 
এক পাউন্ডের দাম পড়বে ৬০০ ডলার। এটি অনেকটা অ্যাসপ্যারাগাসের মতো। বিশ্বের সবচেয়ে দামি সবজি বলে ধরা হয় এ ডাটা জাতীয় সবজিটিকে। আজিঘ শুধু বসন্তে জন্মায় এবং দ্রুত মরে যায়। তবে এটি জঙ্গলেই জন্মায়, বাগানে চাষ করা এখনো সম্ভব হয়নি। 

৭. লা বনোত্তে আলু: 
এক পাউন্ড আলুর দাম ৩০০ ডলার। ফ্রান্সের পশ্চিম উপকূলে নিরমোতিয়ে দ্বীপেই শুধু জন্মে এ গোলআলু। খুবই কম পরিমাণে বছরে একবারই এর চাষ হয়। তবে এ বছর শেতু দে ভার্সাইলের একটি বাগারে এ প্রজাতির আলু চাষ হয়েছে। 

৮. জাফরান: 
এক পাউন্ডের দাম ২ হাজার থেকে ১০ হাজার ডলার। ফুল থেকে সংগ্রহ করা হয় এ প্রাকৃতিক রঙ। সংগ্রহ প্রক্রিয়া অনেক শ্রমসাধ্য এবং নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলে জন্মায় বলে এতো দামি। জাফরানের গাছে বছরে মাত্র এক সপ্তাহের জন্য একটি ফুল ফোটে। আর এ থেকে পাওয়া যায় মাত্র তিনটি পুংকেশর যা থেকে জাফরান সংগ্রহ করা হয়। এটা শুধু হাত দিয়েই সংগ্রহ করা সম্ভব। 

৯. সাদা ছত্রাক: 
এক পাউন্ডের দাম ৩ হাজার থেকে ২৩ হাজার ৭৫০ ডলার। ইতালিতে যেটা পাওয়া যায় সেটির দাম ৩০০ ডলার। তবে কয়েক বছর আগে এ রুশ ধনকুবের ৪ পাউন্ড ওজনের একটি ছত্রাকের জন্য ৯৫ হাজার ডলার দাম হাঁকানোর পর রাতারাতি দাম আকাশে উঠে গেছে। 

১০. উবারি তরমুজ: 
একটা তরমুজের দাম সাড়ে ৭ হাজার ডলার। দুই বছর আগে জাপানে এক জোড়া তরমুজ বিক্রি হয়েছিল ১৫ হাজার ৭৩০ ডলারে। এই প্রজাতির তরমুজ জাপানের মর্যাদার প্রতীক হয়ে আছে। 

১১. জাপানি ওয়াগাইউ মাংস: 
এক পাউন্ড মাংসের দাম পড়ে ৩০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ ডলার। এটি এক প্রজাতির গরু। শুধু জাপানেই পাওয়া যায়। এর মাংস অত্যন্ত কোমল এবং কলেস্টেরলের মাত্রা খুবই কম।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার