চট্টগ্রামে সব রেকর্ড ভেঙে একদিনে মৃত্যু ১৫

বিষয়: করোনাভাইরাস
Img

চট্টগ্রামে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মারা গেছেন ১৫ জন। যা এখন পর্যন্ত একদিনের সর্বোচ্চ রেকর্ড। এ সময়ে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৯২৫ জন। শনাক্তের হার বিবেচনায় ৩৬ দশমিক ৪৬ শতাংশ।

মঙ্গলবার (২০ জুলাই) চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে। এর আগে ১০ জুলাই চট্টগ্রামে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছিল সর্বোচ্চ ১৪ জন। প্রতিবেদনে আরও জানা যায় চট্টগ্রামের ১১টি ও কক্সবাজারের একটি ল্যাবে দুই হাজার ৫৩৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৯২৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে চট্টগ্রাম নগরের ৫৫৩ জন এবং বিভিন্ন উপজেলার ৩৭২ জন রয়েছেন।

চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ২৮৯ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৩৩ জন, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) ল্যাবে ৬০২ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১৪৬ জন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ল্যাবে ১৭৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৬২ জন, চট্টগ্রাম ভেটেনারি ও এনিম্যাল সাইন্স বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ২৬৯ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১১৩ জনের শরীরে করোনার জীবাণু পাওয়া গেছে।

এছাড়া মেডিকেল সেন্টার ল্যাবে ৪০ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৪ জন, ইমপেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে ১৫২ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৭২ জন, ইপিক হেলথ কেয়ারে ১৫১ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৭৪ জন, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ৬১ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৩৩ জনের দেহে করোনার জীবাণু পাওয়া যায়।
এদিকে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ল্যাবে ৮ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। চট্টগ্রামে এন্টিজেন টেস্টে ৭৬৪ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২৪০ জনের দেহে করোনার জীবাণু পাওয়া গেছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে করোনা আক্রান্ত হয়ে ১৫ জন মারা গেছেন। মারা যাওয়া ৫ জন নগরের বাসিন্দা, বাকি ১০ জন নগরীর বাইরের। করোনা আক্রান্ত হয়ে চট্টগ্রামে এ পর্যন্ত মোট ৮৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৫২৬ জন চট্টগ্রাম নগরের। আর বিভিন্ন উপজেলায় মারা গেছেন ৩৩০ জন।

এর আগে, সোমবার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন ৭৬৫ জন। আর এই সময়ে মারা গিয়েছিলেন ৬ জন। করোনা শনাক্তের হার ছিল ৩১.৩৭ শতাংশ। রবিবার চট্টগ্রামে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন ৯৪৫ জন। আর ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছিলেন ১১ জন।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার