চট্টগ্রামে মেয়াদবিহীন পণ্য ধ্বংস করলো কাস্টমস

Img

খাওয়ার অযোগ্য আপেল, কমলা, ম্যান্ডারিন, পেঁয়াজ, আদাসহ ছয় মাস থেকে এক বছর আগে আমদানি করা মেয়াদবিহীন শিশুদের প্যাম্পার্স ও বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থ আবর্জনাগারে ফেলে ধ্বংস করেছে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার (১২ মার্চ) নগরীর হালিশহর আনন্দবাজারের আবর্জনাগারে এসব পণ্য ফেলে কনটেইনারগুলো খালি করা হয়।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের উপ-কমিশনার তপন চন্দ্র দে জানান, নিলাম অযোগ্য পণ্যগুলোর মধ্যে প্রথমে আমরা শীততাপ নিয়ন্ত্রিত (রেফার) কন্টেইনারগুলো খালি করছি। এ ধরনের কন্টেইনারে ফলমূল ও হিমায়িত খাদ্য আমদানি করা হয়।

তিনি বলেন, ধ্বংস কার্যক্রমের দ্বিতীয় দিনে ১৪ কনটেইনার আদা, আপেল, কমলা, ম্যান্ডারিন, পেঁয়াজ, শিশুদের প্যাম্পার্স, বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পণ্য ধ্বংস করা হয়েছে। ছয় মাস থেকে এক বছর আগে এসব পণ্যভর্তি কনটেইনার চট্টগ্রাম বন্দরে আসে। ফলমূলগুলো উদ্ভিদ সংঘনিরোধ কেন্দ্রের ছাড়পত্র না পাওয়ায় নিলাম করা হয়নি। কারণ এসব ফল খেলে জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হতো। অন্যদিকে প্যাম্পার্স ও রাসায়নিক পদার্থগুলোর উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার তারিখ নেই। তাই ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিএসটিআই ও পরমাণু শক্তি কমিশনের ছাড়পত্র ছাড়া এ ধরনের পণ্য সরবরাহ দেওয়া হয় না।

বন্দর ও কাস্টম সূত্রে জানা গেছে, আমদানি করা পণ্য জাহাজ থেকে বন্দর ইয়ার্ডে নামার ৩০ দিনের মধ্যে সরবরাহ নিতে হয়। এ সময়ের মধ্যে আমদানিকারক সরবরাহ না নিলে কাস্টম হাউস কর্তৃপক্ষ নোটিশ ইস্যু করে। এর ১৫ দিন পর ওই পণ্য নিলামে তোলা হয়। তবে দীর্ঘসূত্রতার কারণে বছরের পর বছর নিলাম প্রক্রিয়া আটকে থাকে।

প্রতিক্রিয়া (৫১) মন্তব্য (০) শেয়ার (৫)