গ্রীষ্মের দাবদাহে অতিষ্ঠ জনজীবন

Img

গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে বৃষ্টি না হওয়ায় তাপমাত্রা ক্রমশ বেড়েছে। তীব্র গরমে হাঁস-ফাঁস করছে মানুষ। প্রকৃতির যেখানে নিবিড় হাতছানি সেখানেও বাতাস নেই।

দিনের বেলায় শ্রমজীবী মানুষরা বেশিক্ষণ কাজ করতে পারছেন না। অধিক তাপমাত্রার কারণে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা বেশি ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন। প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া ঘর থেকে অনেকেই বের হন না তীব্র রোদে।

সাধারণতঃ এপ্রিল ও মে মাসের উষ্ণ আবহাওয়ায় কালবৈশাখির অনুকূল পরিবেশ থাকে। কিন্তু আবহাওয়া অধিদফতর ক্রমবর্ধমান এই তাপমাত্রা আগামী ২/৩দিনে আরও বাড়ার বার্তা দেয়ায় বিষয়টি সবাইকে ভাবিয়ে তুলেছে।

তবে তীব্র এই গরমের তাপমাত্রায় শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ-নারী-পুরুষ সবাইকে রোগব্যাধি থেকে সতর্ক থাকারও আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ।

আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাঙামাটিতে ৩৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আর এ অবস্থাকে মৃদু (৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি) তাপদাহ বলা হয়।

এ ব্যাপারে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ফরিদ আহমেদ গতকাল জানান, গরমের তীব্রতা কমার কোন লক্ষণ নেই। আগামী ২/৩ দিন এ ধরনের গরমের তীব্রতা অব্যাহত থাকবে। ক্রমশ বাড়তে পারে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে বৃষ্টি হওয়ারও সম্ভাবনা নেই। বৃষ্টি হলেই গরমের এই তীব্রতা কমবে বলে জানান তিনি।

আবহাওয়াবিদ ফরিদ আহমেদ বলেন, বৈশাখ মাসে এ ধরনের গরম আবহাওয়া বিরাজ করাটা স্বাভাবিক। এ ধরনের তীব্রতা না থাকাটা হচ্ছে অস্বাভাবিক। তবে এ ধরনের ভ্যাপসা গরমে তিনি সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। বিশেষ করে শিশুদের যত্নের ব্যাপারে।

তবে বৃষ্টি হলেই সেটা কাল বৈশাখীতে রূপ নেবে বলে জানান পতেঙ্গা আবহাওয়া অধিদপ্তরের এই প্রবীণ আবহাওয়াবিদ।

এ ব্যাপারে পতেঙ্গা আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাষ কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ চৌধুরী গতকাল জানান, গরমের তীব্রতা এই সপ্তাহ জুড়ে থাকবে।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার