গ্রিসে কন্টেইনারে ২ বাংলাদেশির গুলিবিদ্ধ লাশ

Img

গ্রিসের আসপোপিরগো নামক স্থানে দুই বাংলাদেশির গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে দেশটির পুলিশ। ১৪ সেপ্টেম্বর কে বা কারা তাদেরকে হত্যা করে পরিত্যক্ত দুটি কনটেইনারে রেখে যায়।

জানা গেছে, দেশটির বাংলাদেশ দূতাবাস পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিচয় নিশ্চিত করেছে। মৃতরা হলেন- আব্দুল মমিন ও মো. শাহীন। দু’জনেরই দেশের বাড়ি হবিগঞ্জ।

পুলিশ জানিয়েছে, কে বা কারা তাদের হত্যা করে পরিত্যক্ত দুটি কনটেইনারের রেখে যায়। তাদের একজন মাথায় ও আরেকজন গলায় গুলিবিদ্ধ ছিলেন।

হত্যাকারীদের খুঁজতে গ্রিসের পুলিশ চিরুনি অভিযান শুরু করেছে। হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচারের জন্য বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন গ্রিসের সভাপতি হাজী আব্দুল কুদ্দুস, গ্রিস আওয়ামী লীগের সভাপতি মান্নান মাতুব্বর জোর দাবি জানিয়েছেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ দেশে পাঠানো হবে। প্রয়োজনে বাংলাদেশ দূতাবাস অথবা বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন গ্রিসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। যোগাযোগের নম্বর +৩০৬৯৪৬৪০৭১০৩

পূর্ববর্তী সংবাদ

যেসব বিষয় পুরুষরা স্ত্রীর কাছে বেশি লুকিয়ে থাকে

দু’জন সম্পূর্ণ ভিন্ন মানুষের মধ্যে যখন ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে ওঠে তখন অনেককিছুই ঘটতে পারে। তার মধ্যে অনেককিছুই নির্ভর করে সম্পর্কে ভালোবাসা কতটা আছে তার ওপর। আবার অনেক বিষয় নির্ভর করে একে অন্যের বিষয়ে কতটা শেয়ার করে তার ওপরও। মেয়েরা নিজেদের মত এবং আবেগ সম্পর্কে অনেকটা স্পষ্টবাদী এবং সোচ্চার হিসাবে বিবেচিত হলেও পুরুষরা তাদের স্ত্রীকে খুশি করার জন্য বা কোন্দল এড়াতে তাদের বেশিরভাগ জিনিস লুকিয়ে রাখে। পুরুষদের বেশিরভাগই তার প্রতি স্ত্রীর প্রত্যাশা পূরণ করে থাকে, তবে কিছু বিষয় আছে যা পুরুষরা স্ত্রীর কাছে সবচেয়ে বেশি লুকিয়ে থাকে। এমনটাই প্রকাশ করেছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

তারা অন্যান্য নারীদের আকর্ষণীয় মনে করে একজন পুরুষের ক্ষেত্রে নারীর কাছ থেকে লুকিয়ে রাখা সবচেয়ে মৌলিক সত্যগুলোর মধ্যে একটি হলো, সে অন্য নারীর প্রতি আকর্ষণ অনুভব করে। অন্য কারও সৌন্দর্য এবং চেহারার প্রশংসা করা স্বাভাবিক। তবে এটি এমন একটি বিষয় যা একজন পুরুষ সব সময় তার সঙ্গীর কাছ থেকে লুকিয়ে রাখে। সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোনো ভুল বোঝাবুঝি বা ক্ষুদ্র বিতর্ক এড়াতে পুরুষেরা এটি করে থাকেন।

স্ত্রীকে মাঝে মাঝে সম্পূর্ণ বিরক্তিকর মনে হয়বাইরে থেকে দেখতে প্রেম মনে হলেও অনেক সময় একজন পুরুষের কাছে তার স্ত্রীকে চরম বিরক্তিকর মনে হতে পারে। স্ত্রীর ক্ষেত্রে এমনটা হলে সে উচ্চস্বরে এটি বলতে পারে, তবে পুরুষেরা এই বিষয়টি লুকিয়ে রাখতে চায়। বরং সঙ্গীকে বুঝতে না দিয়ে চমৎকারভাবে মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। যদিও সবসময় এটি হয় না, ব্যতিক্রম আছে।

তাদের আর্থিক অযোগ্যতাবেশিরভাগ বাড়িতেই পুরুষেরা উপার্জনের মূল উৎস। সমাজ কর্তৃক তাদেরকে দেয়া এই ভূমিকার কারণে তারা আর্থিক নিরাপত্তাহীনতা এবং কাজের অক্ষমতার চাপ অনুভব করতে পারে। কখনো কখনো আর্থিকভাবে অনিরাপদ বোধ করলেও তারা সহজে স্ত্রীর কাছে এই বিষয়টি বলতে চায় না। কারণ তারা এটিকে নিজের দুর্বলতা মনে করে।

তাদের যৌন বীরত্বের অভাবযৌন সম্পর্কে অভিজ্ঞতার অভাব বা শারীরিক ঘনিষ্ঠতায় দুর্বলতা সত্যই কোনো ব্যক্তির গর্বকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে। এটি একেবারেই স্পষ্ট হওয়া সত্ত্বেও পুরুষেরা সত্যিই তাদের অংশীদারদের কাছ থেকে এটি গোপন করে।

ভেতরগত দ্বন্দ্বঅনেক সময় আমরা প্রত্যাশা করি যে পুরুষরা দৃঢ় হবে এবং সেই মানুষটি হয়ে উঠবে যা তাদের হওয়া উচিত। তবে আমরা যা বুঝতে পারি না তা হলো, তারাও আবেগগত সমস্যায় ভুগতে পারে এবং তা নিস্তার করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে। তবে সামাজিক চাপের কারণে তাদের গভীর ভয় এবং দুর্বলতাগুলো প্রকাশ করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। যতক্ষণ না তারা স্ত্রীর উপর তাদের সম্পূর্ণ আস্থা রাখতে পারে ততক্ষণ তারা তাদের বাস্তবতা আড়াল করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করবে।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার