গুরুতর আঘাত

Img

এড.মোঃ সোহরাব হোসেন ভুইয়া(মিঠু) এডভোকেট জজ কোর্ট, ঢাকা,কুমিল্লা। [email protected] মোবাইল ০১৭১১৯৪৭৪৬১ দণ্ডবিধি ধারা ৩২০ অনুযায়ী যে নিম্নোক্ত ধরনের আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয় :- ১) পুরুষত্বহানি ঘটানো। ২) চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করা। ৩) কানের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করা। ৪) যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থি নষ্ট করা। ৫) যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তি নষ্ট করা বা খর্ব করা। ৬) মাথা বা মুখমন্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করা। ৭) কোন অস্থি বা দন্ত ভাঙ্গা বা স্থানচ্যুত করা। ৮) এমন কোন আঘাত যা জীবন সংসয় সৃষ্টি করে বা যার কারণে আহত ব্যক্তি বিশদিন পর্যন্ত দৈহিক যন্ত্রনা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।

পূর্ববর্তী সংবাদ

ভারতের দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলায় শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য চেয়ার থাকবে না

শিক্ষক ক্লাসে ঢুকছেন। উঠে দাঁড়ালেন শিক্ষার্থীরা। ক্লাসে ঢুকে শিক্ষক ছাত্রছাত্রীদের বসতে বললেও নিজে বসতে পারবেন না। কারণ তাদের জন্য শ্রেণিকক্ষে থাকবে না কোনো চেয়ার। এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা স্কুলশিক্ষা দফতর।

ওই জেলায় প্রাথমিক ও উচ্চমাধ্যমিক মিলিয়ে প্রায় ছয় হাজার স্কুলে আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে এ নিয়ম চালু হতে চলেছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা স্কুল পরিদর্শক (ডিআই) নজরুল হক সিপাই স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানান, একটি ক্লাসে পেছনের সারিতে যে শিক্ষার্থীরা বসে থাকে তাদের কাছে যেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা পৌঁছাতে পারেন, তাই চেয়ার রাখা হবে না। তবে টেবিল থাকবে।

তিনি আরও জানান, চেয়ার থাকলে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বসার ইচ্ছা হতে পারে। কিন্তু টিচিং-লার্নিং পদ্ধতি ঠিক হতে গেলে সব পড়ুয়ার কাছে শিক্ষকদের পৌঁছাতে হবে। তাই এ উদ্যোগ। তবে চেয়ার-সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে কলকাতার আইসিএসই বোর্ডের একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষক বলেন, শুনেছি কিছু স্কুলে এ পদ্ধতি চালু আছে। তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে এ ব্যবস্থার সঙ্গে একেবারে একমত নই। শিক্ষকরা বসবেন না কি দাঁড়িয়ে পড়াবেন, সেটি তাদের ব্যাপার। এটি চাপিয়ে দেয়া যায় না।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার